নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • পৃথু স্যন্যাল
  • রুদ্র মাহমুদ
  • সুষুপ্ত পাঠক
  • বেহুলার ভেলা
  • নিটোল আরন্যক
  • মো.ইমানুর রহমান
  • সুজন আরাফাত

নতুন যাত্রী

  • রমাকান্ত রায়
  • আবুল খায়ের
  • একজন সত্যিকার হিমু
  • চক্রবাক অভ্র
  • মিস্টার ইনকমপ্লেইট
  • নওসাদ
  • ফুয়াদ হাসান
  • নাসিম হোসেন
  • নেকো
  • সোহম কর

আপনি এখানে

জলের গান এর ব্লগ

খিলাফত বা Caliphate : একটি রাজনৈতিক ইতিহাস (তৃতীয় অংশ)


মহানবী (স) এর পরলোকগমনের পর শুরু হয় খিলাফত। খিলাফত বা Caliphate ( আরবি থেকে خلافة or khilāfa) ছিল, সরকারের ইসলামি রুপ যা মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক একতার প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরণের শাসন ব্যবস্থার সরকার প্রধানকে খলিফা বলা হয়। ইসলাম ধর্মমতে বলা হয় বা "খলীফাতুল রাসূলুল্লাহ বা Successor of Messenger of God বা খলীফা (Caliph)"।

তবে কি আমরা আরেকটি স্নায়ু যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে?


১৯৮৭ সালে Intermediate-Range Nuclear Forces Treaty (INF) সাক্ষর করেন গর্বাচেভ এবং রোনাল্ড রিগ্যান। এই চুক্তিই ছিল স্নায়ু যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত। ৩ ডিসেম্বর ১৯৮৯ সালে গর্বাচেভ এবং রিগ্যানের উত্তরসূরি জর্জ হোয়াইট ডাব্লিউ বুশ, 'মাল্টা সামিটে' "স্নায়ু যুদ্ধ"র সমাপ্তি ঘোষণা করেন। একবছর পর গাল্ফ যুদ্ধে ইরাকের বিপক্ষে দুই শত্রু একসাথে যুদ্ধ করে। কিন্তু ১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হয়। আদতে বিশ্বে মাত্র একটু শক্তিধর রাষ্ট্র থেকে যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিশাল রাশান সাম্রাজ্যের সমাপ্তি ঘটে।

খিলাফত বা Caliphate : একটি রাজনৈতিক ইতিহাস (দ্বিতীয় অংশ)


মহানবী (স) এর পরলোকগমনের পর শুরু হয় খিলাফত। খিলাফত বা Caliphate ( আরবি থেকে خلافة or khilāfa) ছিল, সরকারের ইসলামি রুপ যা মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক একতার প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরণের শাসন ব্যবস্থার সরকার প্রধানকে খলিফা বলা হয়। ইসলাম ধর্মমতে বলা হয় বা "খলীফাতুল রাসূলুল্লাহ বা Successor of Messenger of God বা খলীফা"।

৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ। জেরুজালেম।
রাশিদুন খলিফা উমর ইবনে খাত্তাব।

খিলাফত বা Caliphate : একটি রাজনৈতিক ইতিহাস (প্রথম পর্ব)


মহানবী (স) এর পরলোকগমনের পর শুরু হয় খিলাফত। খিলাফত বা Caliphate ( আরবি থেকে خلافة or khilāfa) ছিল, সরকারের ইসলামি রুপ যা মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক একতার প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরণের শাসন ব্যবস্থার সরকার প্রধানকে খলিফা বলা হয়। ইসলাম ধর্মমতে বলা হয় বা "খলীফাতুল রাসূলুল্লাহ বা Successor of Messenger of God বা খলীফা"।

তোমার বাড়ি অথবা অস্তিত্বের অংশবিশেষ


আনিস চাচার চায়ের দোকান পেরিয়ে ওপাশে ছিল তোমাদের বাড়ি।

রোদ পড়ে যাওয়া বিকেলে ছাদে তুমি হেঁটে যেতে আনমনে। আমি চায়ের কাপ হাতে নিয়ে রোজ তোমাকে দেখে যেতাম। সন্তর্পণে। বিকেলের সব ভাললাগা চুষে খেত তোমার সেই রূপলাবণ্য। ঠোঁটে নিকোটিনের আগুন নিয়ে আমি তাকিয়ে থাকতাম অপলক। যেন বায়রনের কোন কবিতার স্টেজ শো দেখছি।

তুমি দ্যাখোনি। দ্যাখোনি কখনো। দেখার কথাও ছিল না। অত নিচুতে তোমার চোখ যাবে কেন নারী!

সুখের সাংবাদিক


আজকাল দেখি ওরা রোজ রোজ
টাকা দিয়ে সুখ কিনতে যায়,
কিনতে যায় বললে অবশ্য শব্দের ভুল প্রয়োগ হয়,
তারচেয়ে বরং বলা চলে, ওরা সুখ খুঁজে যায়।
আমি চুপচাপ দেখি। আর হাসি, তবে শব্দ করি না
আমি দেখি পাখীরাও হাসছে, শেষবিকেলের
কাঁঠবেড়ালিটাও হাসছে কিংবা ক্লান্ত শালিকটা।
ওরা কিভাবে বুঝবে ট্রামে ঢাক্কা খাওয়ার ঠিক আগে
কতটা সুখে ছিলেন জীবনানন্দ দাশ, কিংবা
মধুসূদন যখন আবার ফিরে এলেন!
কিভাবে বুঝবে পুরীর প্রতিটা বালুদানায় কতটা সুখ আছে
কিভাবে বুঝবে দার্জিলিংয়ের নিঃসঙ্গ ট্রামগুলোর গল্পটা।

ইটালি ১৯১৮-১৯৪৫: মুসোলিনি এবং ফ্যাসিজম


সমুদ্র থেকে খুব দূরে নয় এবং সহজেই সমুদ্র দিয়ে আক্রমণ সম্ভব বলে দক্ষিণ ইউরোপের এ দেশটিকে বলা হয় "ভূমধ্যসাগরের কয়েদী"। এজন্য ইটালি সবসময় জিব্রাল্টার ও সুয়েজে নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধি করতে চাইত। এমনকি তারা ভূমধ্যসাগর কে বলত 'আমাদের সমুদ্র (Mare Nosturn)'। গ্যারিবল্ডির নেতৃত্বে ১৮৭০ সালে ইটালির একত্রকরণ শেষ হয়। কিন্তু প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে তখন থেকেই ইটালি অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক সমস্যায় ভুগতে থাকে।

"মনরো নীতি" ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশ


প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর কথা এলেই মাথায় আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেনো শুরুতে যুদ্ধের ময়দানে ছিল না। খুব স্বাভাবিক একটা প্রশ্ন কারণ যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া এখন আমরা যুদ্ধের কথা চিন্তা করতে পারি না। তবে এখানে কথা হচ্ছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তখনো যুক্তরাষ্ট্র তাদের শক্তি প্রদর্শনে নামেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯১৭ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রপক্ষে যোগ দেয়। এবং এ কারণেই যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ব্রিটেন ঘুরে দাঁড়ায় এবং অক্ষশক্তি পরাজিত হয়। যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র না থাকার আরেকটা বড় কারণ হচ্ছে "মনরো নীতি বা Monroe Doctrine"। এই মনরো নীতি প্রায় ১০০ বছর ধরে আমেরিকাকে ইউরোপীয় রাজনীতি থেকে বিরত রেখেছিল।

যেভাবে শুরু হল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ


মানব সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম এত অস্ত্র এবং রক্তের লড়াই ছিল 'প্রথম বিশ্বযুদ্ধ'। ১৯১৪ সালে যদি গ্যাভ্রিলো প্রন্সিপের অস্ত্রের মুখ থেকে গুলিটা না বের হত, তাহলে হয়ত মানবজাতিকে এত রক্তক্ষয়ী একটা যুদ্ধ দেখতে হত না। ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি'র সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনার মধ্য দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর মিত্রপক্ষের সাথে জার্মানীর যুদ্ধবিরোধী চুক্তি সাক্ষরের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

জলের গান
জলের গান এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 4 দিন ago
Joined: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 31, 2013 - 10:15অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর