নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মোঃ রাব্বি সাহি...
  • নুর নবী দুলাল
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • কিন্তু

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

অর্বাচীন স্বজন এর ব্লগ

গল্প : শূন্যস্থান কিংবা স্থানাধিক্য


ওঘরে মৃদুস্বরে গান হচ্ছে। টিভিতে। বোধহয় সঙ্গীতানুষ্ঠান। এঘর থেকে শুনেই বোঝা যায় যে, টিভির সামনে সোফায় পাশাপাশি বসে থাকা মানুষ দু'জনের কিছুই আসে যায় না সেই গানে। অনেক আগে বাসায় যখন কোন ডিশ ছিল না, শুধু বিটিভি দেখতে হতো, তখন হিয়া এসব বোরিং অনুষ্ঠানও বসে বসে দেখতো।

গল্প : ক্রিয়া


আমার সেই বন্ধুকে আজও ফেসবুকে সার্চ করে পেলাম না। আমার অন্য একটা আইডি যেটার কথা সে জানে না, সেটা দিয়েও সার্চ করে পেলাম না। সুতরাং আমাকে সে ব্লক করে নি, তার আইডিই ডিএক্টিভেট করা। একাউন্ট নিষ্ক্রিয় করে ফেলার ব্যাপারটা কখনো যেন একটা আশ্রয়ের মতো, হাঁফ ছেড়ে বাঁচা, অবশ্য কিছুদিন পরেই আবার আপস্ এন্ড ডাউন, স্ক্রলিং।

কথার ওপর কেবল কথা


বিকেলবেলা তখন । আমি তখন ভার্সিটির বয়েজ লাউঞ্জে দাঁড়িয়ে ছিলাম । আসলে বসার কোন জায়গা পাচ্ছিলাম না । এই সময়টাতে অনেকের ক্লাসই শেষ হয়ে যায় , তাই বাসায় যাবার আগে কেউ খানিকক্ষণ চা-কফি হাতে বন্ধুদের সাথে দিনের শেষ আড্ডাটা দিয়ে যায় । অবশ্য গতকালের ভিড়ের কারণটা বিপিএল এর লাইভ খেলার কারণেও হতে পারে । চার , ছক্কা , আউট হলেই জোরে গলা ফাটাচ্ছে অনেকে । তারা দুই দলের সমর্থক হতে পারে , আবার তাদের চেঁচামেচি সারাদিনের ক্লাস শেষে শরীর মন খোলসা করার জন্যও হতে পারে । আমি খেলার কোন খোঁজ রাখি না । ভাল লাগে না আসলে । আর ট্রেন্ড ফলো করার প্রবণতাও খুব একটা নেই ।

শুরু এবং সারা


‘Wisdom is believer’s lost camel.’ – Rumi
সময়টা নিদারুণ বোঝাপড়ার । তখন গল্প নিয়ে ভাবতে থাকা অথচ গল্প লেখা শুরু করতে না পারা লেখককে তার সতীর্থ তাড়া দিচ্ছিলেন । ‘ আরে শুরু কইরা ফালাও । শুরু করার আগের মোমেন্টটাই হইলো টাফ । ঐ মোমেন্টটারে লেনদি হইতে দিবা না । যদি কিছু রাবিশ লেখো , তাও সেইটা লেইখা ফালাও ।’

জোনাকিরা অন্ধ হয়ে গেছে


বাড়ি থেকে গ্রামের মূল বাজারে যাওয়ার দুটি পথ। একটা বিলের রাস্তা, শুকনো মৌসুমে বিলের মাঝখান দিয়ে কোনাকুনি হেঁটে গেলেই বিলের ওপারে মিঞা বাড়ির পাশের কবরস্থান, ইটের রাস্তা দিয়ে একটু হেঁটে গেলেই বাজার। আর অন্যটা হলো রশীদ খালের পাশের রাস্তা। পায়রা নদীর একটা শাখা এঁকেবেঁকে এসে কার্ত্তিকপাশা গ্রামের প্রায় পাশ দিয়ে চলে গেছে। কালক্রমে কীভাবে যেন সেটারই নাম হয়ে গেছে রশীদ খাল।

তুমি চিল হও


নতুন কেনা গিটারটি কালো ব্যাগে করে পিঠে ঝুলিয়ে যখন রাস্তায় হাঁটছি , নিজেকে মনে হচ্ছিল দুনিয়া কাঁপানো গিটারিস্ট । ষ্টেজে দাঁড়িয়ে হেলে দুলে , চুলভর্তি মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে ,দর্শকদের তুমুল মাতামাতি সামনে নিয়ে আমি যেন গিটারটা বাজাচ্ছি আর বাজাচ্ছি ।
আসলে তো আমি গিটার বাজানো দূরে থাক , মডার্ন মিউজিক সম্পর্কেই একেবারে অজ্ঞ । ওইরকমভাবে গানটান শোনা হয় না । গিটারটি কিনলাম , এর পেছনে ছোট্ট একটা গল্প আছে ।

জেনগল্প ( পর্ব - ২)


অহম
-----------
জনৈক প্রাচ্যদেশীয় প্রধানমন্ত্রী তার শাসনামলে ছিলেন একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক, একই সাথে একজন সফল মিলিটারি লিডার হিসেবেও তার সুখ্যাতি ছিল।
এছাড়া, তিনি ছিলেন বৌদ্ধ দর্শনের প্রতি বিশেষভাবে অনুরক্ত। এক জেন সাধকের কাছে তিনি দীক্ষা নিতেন। তার রাষ্ট্রনায়কের পরিচয় গুরু শিষ্যের মাঝে কোন ব্যবধান সৃষ্টি করতে পারতো না।
একদিন শিষ্য তার জেনগুরুর কাছে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা অহমিকা মানে কি?
প্রশ্ন শুনে গুরু একটু বিরক্ত হলেন। কিঞ্চিৎ ধমকের সুরে বললেন, এটা কোন ধরণের প্রশ্ন? তুমি এই সাধারণ প্রশ্নটার উত্তর জানো না?

জেনগল্প


ভাগ্য
-------
একবার এক জাপানি জেনারেল বেশ কয়েকবার যুদ্ধে পরাজয়ের পর তার সৈন্যদল নিয়ে ভীষণ বিপাকে। তবুও হাল ছাড়ছেন না কোনভাবেই। শত্রুদলকে আবারো আক্রমণ করতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। কিন্তু তার সৈন্যরা মোটেই রাজি ছিল না পুনরায় যুদ্ধে যেতে। কারণ, ইতিমধ্যেই তারা অনেক সঙ্গী হারিয়েছে। তাদের যুদ্ধাস্ত্র এবং অন্যান্য সরঞ্জামও কমে গেছে।
নিজের সৈন্যদের এরূপ অবস্থা দেখে জেনারেল সবাইকে নতুন উদ্যোমে উজ্জীবিত করতে এক ধর্মশালায় নিয়ে গেলেন। প্রার্থনার পর তিনি একটি কয়েন হাতে নিলেন। সবার উদ্দেশ্যে বললেন, এখন ভাগ্য পরীক্ষা হবে। টসে যদি হেড পড়ে, তাহলে আমরা যুদ্ধে জিতে যাবো। আর টেইল পড়লে আমাদের সামনে পরাজয়।

চাইতেই পারো আবার সেই জোছনা


এবার সেতুকে রিক্সা থেকে নেমে হাঁটতে হবে । কোন উপায় নেই । অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পরেও জ্যাম কাটছে না । রিক্সায় এভাবে ঠায় বসে থাকার কোন মানে হয় না । আবার নামতেও ইচ্ছা করছে না সেতুর । তার অভিজ্ঞতা বলে , যেই সে জ্যামের জন্য বিরক্ত হয়ে বাস বা রিক্সা থেকে নেমে যায় , তখনই জ্যাম ছুটে যায় । যে বাসে বা রিক্সায় সেতু ছিল , তা তার পাশ দিয়ে চলে যায় । সেতুর মন খারাপ হয় তখন । মনে হয় , বাসের সবাই , এমনকি হেল্পার মামা পর্যন্ত হাসছে তার পূর্বের এই ভুল সিদ্ধান্তের জন্য ।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

অর্বাচীন স্বজন
অর্বাচীন স্বজন এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 2 দিন ago
Joined: বুধবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2013 - 1:00পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর