নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • পথিক রাজপুত্র
  • মোঃ হাসানুল হক ...
  • এফ ইউ শিমুল
  • বিপ্লব পাল
  • দিন মজুর
  • নুর নবী দুলাল
  • সাম্যের সাধক

নতুন যাত্রী

  • আহসান_পাপ্পু
  • অন্ধকারের শেষ প...
  • রিপন চাক
  • বোরহান মিয়া
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ

আপনি এখানে

আকাশ এর ব্লগ

বিশ্বনবীর (সা)-এর কতিপয় বিখ্যাত জীবনী লেখক


১। আবান ইবন ওসমান (রা) ইবন আফফানঃ
তিনি হিজরি ২০ সনে জন্ম গ্রহণ করেন। তার লিখিত গ্রন্থ ‘মগাজি উর রসুল’ । তিনি তাঁর পিতৃহন্তাগণের বিরুদ্ধে হযরত যুবাইর ও তালহা (রা)-এর পক্ষে যুদ্ধে যোগদান করেন। হিজরি ১০০ সনে (মতান্তরে ১০৪ বা ১০৫) তাঁর মৃত্যু হয় । হযরত আয়েশা (রা)-এর নিকট শুনে তিনি “মগাজি লিখেন ।
২। উরওয়া ইবনুল যোবাইর (রা) ইবনুল আওয়ামঃ

ইসলামি বই পড়া


আল-কুর’আনের প্রথম যে শব্দটি অবতীর্ণ হয়েছিল সেটা হচ্ছে “পড়ো”—একটা আদেশমূলক ক্রিয়াপদ। প্রথমদিকের আয়াতগুলোতে শব্দটি দুবার এসেছে। মুসলিমদের বিশ্বাস অনুযায়ী আল-কুর’আন হচ্ছে মানবজাতির কাছে পাঠানো সর্বশেষ ও চূড়ান্ত ঐশীগ্রন্থ। আর সেই ঐশী সত্ত্বাকে বোঝার জন্য, জানার জন্য, তাঁর সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য প্রথম যে বিষয়টির উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তা হচ্ছে “পড়ো”। জ্ঞান অর্জনের চাবিকাঠি হচ্ছে বই পড়া। এতে স্রষ্টা আর তাঁর সৃষ্টি সম্পর্কে মানুষের জ্ঞান বিকশিত হয়। এটা কোনো কাকতালীয় বিষয় নয় যে, “কুর’আন” শব্দটাও যে-মূল শব্দ থেকে এসেছে তার অর্থ পড়া, পুনরাবৃত্তি করা বা আবৃত্তি করা। কাজেই সঠিক ইসলামিক বুঝ অনুযায়ী শ

মহানবী (সা)-এর সচিবালয়


মহানবী (সা)-এর সচিবালয়
পৃথিবীর সূচনা লগ্ন থেকে অদ্যাবদি এর রাষ্ট্র শাসকদের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, যে সব গুণাবলীর ভিত্তিতে কোনো শাসককে আদর্শ হিসেবে পরিগণিত করা হয়, সেই নিরিখে বিশ্বের কোনো কোনো শাসক কোনো কোনো দেশে কিঞ্চিৎ কিংবা আংশিকভাবে সফল হলেও তাদের কেউ-ই আদর্শ রাষ্ট্র শাসক হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিতে পারেননি। যারা আদর্শ শাসকের কাতারেই আসতে পারেননি, তাদের কেউতো আদর্শ রাষ্ট্র নায়ক হবার প্রশ্নই অবান্তর।

সক্রেটিস এর বিচার ও মৃত্যু


সক্রেটিস দেখতে মোটেও সুদৰ্শন ছিলেন না । প্রাচীন সাহিত্য ও দর্শনে তাঁর সম্পর্কে যেটুকু জানা যায়, আর প্রাচীন ভাস্কর্য ও চিত্র থেকে তাঁর চেহারার যে আভাস মেলে-তা থেকে এমন ধারণাই করতে হয় । গোলগাল, কিছুটা মোটাসোটা টাক-মাথা , সেইসঙ্গে থ্যাবড়া নাক । মোটের ওপর চেহারাটা তার আকর্ষণীয় ছিল না একেবারেই । তার পরও, সেই সময়ের এথেন্সের তরুণ-যুবকেরা এসে ভিড় জমাচ্ছিল তার চারপাশে, পেতে চাইছিল তাঁর সান্নিধ্য, শুনতে চাইছিল তাঁর কথা ।

ক্রীতদাসঃ ইতিহাসের অন্ধকার দিক


প্রাচীন পৃথিবীতে কৃষিভিত্তিক বহু সমাজেই ক্রীতদাস প্রথার চল ছিল। তবে এ ব্যাপারে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল গ্ৰীস এবং রোম। পশ্চিমি পন্ডিতদের চোখে গ্ৰীস হল ইউরোপের বিশুদ্ধ শৈশব। রোম তার উত্তরাধিকারী। প্রাচীন ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের এই দুই সভ্যতা (গ্ৰীক ও রোমান) নানা কারণে উত্তরকালের কাছে মস্ত বড় অনুপ্রেরণা। সাহিত্য, সংস্কৃতি, দর্শন ভাবনা নানা ক্ষেত্রে এদের উত্তরাধিকার। যাঁরা মনে করেন সব মিলিয়ে এই দুই ধ্রুপদী সভ্যতার উৎকর্ষ অতুলনীয় তাঁরা একটি জায়গায় এসে হোচাট খান------গ্রীস ও রোমের ক্রীতদাস প্রথা।

প্যাপিরাসের ইতিহাস


প্রাচীনকালে লোকে প্যাপিরাসের ওপর লিখত; এটি এমন এক উপাদান স্বাভাবিক পরিবেশ-পরিস্থিতিতে যা মাত্র কয়েকশ বছর টেকে। ফলে যিশুর জন্মের কাছাকাছি সময়ের ধ্রুপদী যুগের উৎকীর্ণ লিপি ছাড়া প্রায় কিছুই টেকেনি। সে-সময়ে যা কিছু লেখা হয়েছিল তার বেশির ভাগই প্যাপিরাস নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে হারিয়ে গেছে। তারপরেও যে প্রাচীন যুগের সাহিত্যের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ আমাদের কাছে আছে তার কারণ হলো, নষ্ট হয়ে যাওয়ার আগে সেগুলো প্রায়ই নকল করা হতো, কাজেই সে-সব আরেকটু বেশি দিনের জন্য সংরক্ষিত হয়েছিল। সৌভাগ্যক্রমে, চৰ্মপট বা চৰ্মপত্র (parchment) বলে একটা নতুন উপাদান প্রাচীন যুগের শেষের দিকে ব্যবহার হতে শুরু করে। সেট

দ্বীনী- ইলাহী ও ইসলামের উপর প্রথম আঘাত


দ্বীনী- ইলাহী ও ইসলামের উপর প্রথম আঘাত

ধমীয় ফ্যানাটিসিজম


ধমীয় ফ্যানাটিসিজমের সাধারণ অর্থ হ’ল- ধর্মচর্চায় ও জীবনযাপনে অবাস্তব, স্বপ্নপ্রাপ্ত, অলীক, অন্ধবিশ্বাস ও অলৌকিকতার ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীলতা ।

সুদূর অতীতে যুগ যুগ ধরে ধর্মপ্রাণ মানুষেরা যখন প্রকৃতি ও মানব-সৃষ্ট দুর্বিপাক-দুর্যোগের মধ্যে পতিত হয়ে আশু ধ্বংস ও বিপর্যয়ের মধ্যে পতিত হয়েছে এবং সংকট উত্তরণের পথ খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়েছে, তখন তারা মনস্তাত্ত্বিকভাবে স্বপ্নপ্রাপ্ত উপদেশ-নির্দেশ এবং অলৌকিক শক্তির আশ্রয় গ্ৰহণ করেছে।

ফারছী-বাঙালা


ফারছী-বাঙালা
“ফারছী-বাঙালা’ বলতে মূল বাঙালা-ভাষাকে বোঝায়। তেরো শতক থেকে ষোল শতক-তক মুসলিম সুলতানদের উদ্যোগে ও পৃষ্ঠপোষকতায় আদিবাঙালাভাষার সাথে আরবী-ফারছী-উর্দু শব্দের সার্থক সংযোজনের মাধ্যমে যে সহজ-সরল-সুখপাঠ্য বাঙালা-ভাষা তৈরী হয়, সেই বাঙালা-ভাষারই তখন আরেক নাম দেয়া হয় “ফারছী-বাঙালা” ।
উনিশ শতকের গোড়ার দিকে বাঙলার স্বনামখ্যাত পণ্ডিত রাজা রাধাকান্ত মহাশয়ের শব্কল্পদ্রুতম গ্রন্থের পরিশিষ্ঠ খন্ডে বাঙালা ভাষা সম্পর্কে বলা হয়েছে
---“বঙ্গবিদ্যা তথা হিন্দীং পারসীং মারবীং' ।

ফারছী-বাঙালা


ফারছী-বাঙালা
“ফারছী-বাঙালা’ বলতে মূল বাঙালা-ভাষাকে বোঝায়। তেরো শতক থেকে ষোল শতক-তক মুসলিম সুলতানদের উদ্যোগে ও পৃষ্ঠপোষকতায় আদিবাঙালাভাষার সাথে আরবী-ফারছী-উর্দু শব্দের সার্থক সংযোজনের মাধ্যমে যে সহজ-সরল-সুখপাঠ্য বাঙালা-ভাষা তৈরী হয়, সেই বাঙালা-ভাষারই তখন আরেক নাম দেয়া হয় “ফারছী-বাঙালা” ।
উনিশ শতকের গোড়ার দিকে বাঙলার স্বনামখ্যাত পণ্ডিত রাজা রাধাকান্ত মহাশয়ের শব্কল্পদ্রুতম গ্রন্থের পরিশিষ্ঠ খন্ডে বাঙালা ভাষা সম্পর্কে বলা হয়েছে
---“বঙ্গবিদ্যা তথা হিন্দীং পারসীং মারবীং' ।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আকাশ
আকাশ এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 4 দিন ago
Joined: মঙ্গলবার, আগস্ট 27, 2013 - 11:37অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর