নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জলের গান
  • নুর নবী দুলাল
  • আকাশ সিদ্দিকী

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

শাহরিয়ার হান্নান এর ব্লগ

প্রস্থান


"এই পৃথিবীর পরে কত ফুল ফোটে আর ঝরে০
সে কথা কি কোনদিন কখনো কারো মনে পড়ে।। "
না অবসরে আর কোন ফুলের কথা মস্তিস্কের নিউরনে স্মরণ রাখার দরকার পড়বে না!
দরকার পড়বে না ফুলের রঙে হৃদয়কে রঙ্গিন করবার!
ফুলদানী আর সাজবে না রং বেরঙের ফুলে!
পৃথিবীর শেষ বুনোফুলটিও আজ মধ্যরাতে বিদায় নিল নীল রঙের নাইলনের রশি তার বৃতিতে পেঁচিয়ে।
অনেক আগেইতোঁ সন্তর্পণে কোন অজানা ঠিকানায় শরণার্থী হয়েছে- গোলাপ, রজনিগ্নন্ধা, হাসনাহেনা!
অপরাজিতা পরাজিত হয়েছে কদর্য রিপুর কাছে।
সে তার শেষ নীল বিন্দু দিয়ে লড়াই করেছিল তার সম্ভ্রম রক্ষার!

গন্তব্য


রাবেয়া ইদানিং নিজেই নিজের আচরণে কনফিউজ হয়ে যায়। সেদিন একটা কাজে অফিস থেকে একটু আগে বের হওয়া দরকার ছিল। ম্যানেজার শুনে ছুটিও দিয়েছিল। এক কলিগ কথায় কথায় বলে বসলো- মেয়েরা যে কেন চাকরি করতে আসে! ছেলেটা হয়তোবা ঠাট্টা করেই কথাটা বলেছিল। কিন্তু রাবেয়া তা কোনভাবেই মেনে নিতে পারেনি। কাজটা জরুরী হলেও সে অফিস টাইম শেষ করে বাসায় ফিরেছিল। বেচারা ছেলেটা সেদিন আর তার সামনে আসেনি। অফিসের সবাই কি তাকে কিছুটা ভয় পেতে শুরু করেছে? এই অফিসেও বোধ হয় তার আর বেশিদিন কাজ করা হবে না। আবার সিভি রেডি করা, চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে এপ্লাই করা-উফ!

পথের বানী


জিইসি-ওয়ার্লেস-কর্নেলহাট,জিইসি-ওয়ার্লেস-কর্নেলহাট, জিইসি-ওয়ার্লেস-কর্নেলহাট
লেডিস সিট হবে?
ওই লেডিস উঠাবি না।
কেন ভাই লেডিসরা বাড়ি যাবে না?
দাঁড়ায় যাইতে পারলে যান।
আপনি লেডিস সিটে কেন বসে আছেন?
!
লেডিস সিট ছাড়েন।
ভাই লেডিস সিট থিকা ওডেন।
ওই তোর কত প্যাসেঞ্জার লাগে? সিট নাই তবু লেডিস উডাইছস!
এগুলার পেট ভরে না!
ভাই লেডিস সিট ছাড়েন।
ক্যান ছাড়ুম ক্যান? অধিকারের সময় তো সমঅধিকারের কথা কন। এহন বেশী চান ক্যান ? বেডারা দাড়ায় যাইতে পারলে আপনেরা কেন পারবেন না?
হলি ক্রিসেন্ট-হলি ক্রিসেন্ট নামলে ভাড়াডা নিয়া আহেন-

দি গেইম!!!


আমাদের এই কাফেলাতে সদস্য সংখ্যা ২৫। নারী, পুরুষ, যুবক, বৃদ্ধ, শিশুও আছে। আমরা একেকজন একেক ষ্টপেজ থেকে উঠেছি। আমি উঠেছি ভাটিয়ারী থেকে। আমার সাথে ও পরে উ্ঠতে উঠতে বাসটা ভরে গেছে।সিট না পেয়ে অনেকে দাঁড়িয়ে আছে। অথচ আমি মনে করেছিলাম হয়তো খেলাটা আমি একাই অথবা গুটিকয় খেলবো। এতে অবশ্য খেলার মজাটা বেড়েছে। সবাই খেলাটা বেশ উপভোগ করছে বলে মনে হয়। কারো কারো চোখে অবশ্য ভীতির ছায়া। অনিশ্চয়তা উদ্বিগ্নতা তাদের গ্রাস করেছে। তবে কেন তারা এই খেলা খেলতে এসেছেন বোধগম্য নয়। যেমন একজনতো মাঝপথে জানালা দিয়েই লাফ দিলো। সে অবশ্য গাড়িতে উঠবার পর থেকেই কেমন অস্বাভাবিক আচরন করছিলো। কতক্ষন বাদে বাদেই জানালা খুলছিলো বন্ধ

জ্বালা


চা গরম করতে গিয়ে আঙ্গুল অনেকটা পুড়ে গেছে। অসহ্য জ্বলুনি। ঘরোয়া ঔষুধে মনে হয়না কাজ হবে। ডাক্তারেরর কাছে যেতে হবে। ডাক্তার তো দেখেই আতকে উঠলেন।
কিভাবে হলো?আপনাকে তো ভালো ভোগাবে। সেপটিকও হয়ে যেতে পারে। কোন রিস্ক নেবেন না। আমি ব্যান্ডেজ করে দিচ্ছি, ঝামেলা মনে হলেই দেখিয়ে যাবেন।

বোর্ডিং কার্ড

শাহরিয়ার হান্নান
শাহরিয়ার হান্নান এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 3 ঘন্টা ago
Joined: বৃহস্পতিবার, আগস্ট 29, 2013 - 12:47পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর