নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • এলিজা আকবর
  • পৃথ্বীরাজ চৌহান
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

কুলাঙ্গার এর ব্লগ

দূরদর্শন এবং ঝিঁ ঝিঁ পোকা (ক্রিকেট) সমাচার-১


বাল্যকাল হইতেই 'দূরদর্শন' নাম্নীয় চৌকোনা একটা বাক্সের প্রতি ছিল সীমাহীন তীব্র কৌতুহল। ইহার ভিতরে মানব-মানবীরা কি সুন্দর করিয়া কথা বলিয়া হাসাহাসি করিত তাহা দেখিতাম আর মুগ্ধ হইয়া যাইতাম। আর ভাবিতাম-"আহা! আমিও যদি ইহার ভিতরে যাইতে পারিতাম কি মজাই না হইত।" আস্তে আস্তে শৈশব পার করিয়া কৈশোরে উপনীত হইলাম। তখন একটু একটু করিয়া বুঝিতে শিখিয়াছি ভদ্রলোকেরা ইহাকে আদর করিয়া 'টেলিভিশন' নামে অভিহিত করিয়া থাকেন।

তোমরা শুধু তোমরা নও, তোমরা মানে আমরাও


"বাংলাদেশ"। ছাপ্পান হাজার বর্গমাইলের ছোট্ট একটি বদ্বীপ। ষোল কোটি মানুষ এখানে মিলেমিশে বসবাস করে আসছে যুগের পর যুগ ধরে। আমাদের দেশ ছোট হতে পারে কিন্তু আমাদের ইতিহাস কম সমৃদ্ধ নয়, কম গৌরোবজ্জ্বল নয়। অগণিত জ্ঞানী-গুণীর জন্ম দিয়েছে রত্নগর্ভা এই দেশ। অগণিত শহীদের রক্তের বিনিময়ে, মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এসেছে আমাদের স্বাধীনতা। এসবই স্বাধীনতার আগের কথা। স্বাধীনতার পরে আমাদের সবচেয়ে গর্বের জিনিস সম্ভবত "ক্রিকেট"।

মন খারাপের দিনগুলো


খুব উৎসাহ নিয়ে ব্লগে এসেছিলাম; ভেবেছিলাম নিয়মিত লিখতে পারব, সাথে অন্যদের লেখাও পড়তে পারব। কিন্তু নানা ঝামেলা ও সমস্যার জন্য
লিখতে পারিনি, পড়া তো অনেক পরের ব্যাপার। ভর্তি পরীক্ষা, ট্যাব চুরি হয়ে যাওয়া এবং দীর্ঘ দুই মাস প্রচণ্ড শারীরিক অসুস্থতার জন্য লিখতে পারিনি।
ভেবেছিলাম ভর্তির ঝামেলা শেষ হলেই লিখতে বসব, কিন্তু কিসের কী! আলসেমির জন্য লিখতেই পারছিলাম না। অবশেষে শরীর ও মনের সাথে
তুমুল যুদ্ধে জয়ী হয়ে আজ দীর্ঘ প্রায় নয় মাস পর লিখছি।

প্রায় দুই মাসের দীর্ঘ ক্লান্তিময় দৌড়াদৌড়ির পর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশাধিকার পেলাম। এত দিন বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মনে মনে অনেক রোমান্টিসিজম,

আশরাফুলঃএক হতাশার, এক স্বপ্ন ভঙ্গের কাব্য


জ্ঞান হওার আগে থেকেই ক্রিকেটের সাথে পরিচয়, আর জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই ক্রিকেটের সাথে প্রেম। মনে ১৯৯৯ সালে অভিষেক বিশ্বকাপেই যখন বাংলাদেশ যখন পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করে তখন আআআমার পাঁচ কি ছয় বছর। সেদিনের ছোট্ট আমি কিছু না বুঝেই বড়দের সাথে বাঁধহীন উল্লাসে মেতে উঠেছিলাম। তখন থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রায় প্রত্যেকটি জয়-পরাজয়ের সাক্ষী হয়ে আছি। ক্রিকেটারদের সাফল্য-ব্যর্থতায় হেসেছি-কেঁদেছি। সাক্ষী হয়ে আছি ২০০৪এ ভারতকে মাটিতে নামিয়ে আনা জয়ের, ২০০৫এ জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া বধ, ২০০৬এ শ্রী-লঙ্কান সিংহকে খাঁচায় পুরা, কিংবা ২০০৭ বিশ্বকাপের অবিস্মরনীয় সাফল্যের। শুধু দলের ভাল স

ম্যাঙ্গো পিপল এবং আমের আঁটি


বাড়িতে শেষ দিনটা কাটালাম আজ। আক্ষরিক অর্থেই শেষ দিন কাটালাম, ভাবতেও অবাক লাগে সারা দিন বাড়িতে কাটানোর পর এখন রাত বারটায় শুয়ে আছি বাড়ি থেকে আশি কিলোমিটার দূরে!

আধুনিক ঈশপের গল্প


সেই গল্পটা মনে আছে? সেই যে ঈশপের মিথ্যাবাদী রাখালের গল্পটা। এক রাখাল বালক প্রতিদিন বাঘ এসেছে, বাঘ এসেছে বলে চিৎকার করত আর গ্রামের সব মানুষ ছুটে আসত তাকে বাঁচানোর জন্য। রাখাল বালক মানুষের নির্বুদ্ধিতা দেখে হাসত, আর নিজেকে খুব চালাক মনে করত। কিন্তু যেদিন সত্যি সত্যি বাঘ আসল আর সে শত চিৎকার করার পরও সবাই এটাকে দুষ্টুমি ভেবে কেউ তাকে বাচাঁতে আসল না সেদিন সে তার জীবন দিয়ে বুঝতে পেরেছিল সে মোটেও বুদ্ধিমান ছিল না। এই গল্প জানে না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব এক কাজ। তাহলে আপনারা ভাবছেন সবার জানা গল্প নতুন করে আবার বলে আপনাদের কেন বিরক্ত করছি?

ফালতু, পুরাই ফালতু!


সাহাইয্য চাইঃ সুপ্রিয় ব্লগারস, আপনারা কেউ কি টেলিটক ফ্ল্যাশ মডেমের মডেল জানেন?

পূর্বসুরিদের প্রতি শ্রদ্ধার প্রতীক ৫ মিনিটঃপিশাচদের প্রতি ঘৃণার প্রতীক ৫ মিনিট


বেশ কিছুদিন ধরে বাড়িতে আছি, তাই নিয়মিত অনলাইনে আসতে পারিনা, ফেসবুকেও বসিনা অনেকদিন ধরে। সেদিন ফেসবুকে লগইন করতেই দেখতে পেলাম একটা ইভেন্টের ইনভাইটেশন-"গোয়িং ব্ল্যাক আউটঃবার্থ থ্রু জেনোসাইড (অন্ধকারে নিমজ্জনঃঅতঃপর একটি রক্তস্নাত জন্ম"।)

হোম, সুইট হোম!


বাড়ি এসেছি তিন দিন হয়ে গেছে, অথচ একদিন থাকার কথা ছিল। বাড়ির মায়া ছাড়াতে পারি না, তাই এখনো নগরজীবনে ফেরা হয়ে উঠেনি। গ্রামের মধুর আলস্য চুটিয়ে উপভোগ করছি। এই তিনদিন আড্ডা, ঘোরা আর খেলা নিয়েই আছি। শুক্রবার রাতে এসেই চরম একটা ঘুম দিলাম। আহা!

জার্নি টু সুইট হোম


জার্নি টু সুইট হোম
(১-০৩-২০১৩)

বাড়িতে চলে এসেছি আজকে। ঢাকায় ঠিকমত ঘুম হচ্ছিল না, তাই বাড়িতে রওনা দিলাম। ঠিকমত একদিন ঘুমিয়েই কাল আবার ঢাকা চলে যাব। আমার অদ্ভূত একটা অভ্যাস আছে, ঢাকায় প্রতিদিন ১২ ঘন্টা ঘুমালেও ঘুম ঠিকঠাকমত হয় না, সারাদিন যায় আলস্যের মধ্য দিয়ে, পুরো শরীরে ব্যাথা করে। কিন্তু বাড়িতে ৪-৫ ঘন্টা ঘুম দিলেই শরীর ঝরঝরে হয়ে যায়। তাই প্রায়ই ঘুমানোর জন্য বাড়ি চলে যাই, ঝাকানাকা একটা ঘুম দিয়ে পরদিন চলে আসি। কয়েকদিন থেকে মনে হচ্ছিল ঘুমটা ঠিকমত হচ্ছেনা, তাই চিন্তা করলাম বাড়ি থেকে ঘুরে আসি। যে কথা, সে কাজ। ক্লাশ শেষ করেই ছুটলাম বাড়িতে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কুলাঙ্গার
কুলাঙ্গার এর ছবি
Offline
Last seen: 3 years 7 months ago
Joined: শনিবার, ফেব্রুয়ারী 16, 2013 - 11:27অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর