নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কাঙালী ফকির চাষী
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • মাহের ইসলাম
  • মৃত কালপুরুষ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

লালু কসাই এর ব্লগ

ইস্টিশন' এর জন্য


বর্তমানে হাতে লেখার চর্চাটা মনে হয় অনেক কমে গেছে। পরীক্ষার হল ছাড়া বা খুব একটা বাধ্য না হলে আমরা কেউ হাতে লিখতে চাই না। প্রযুক্তির সাথে তাল মানুষ মিলিয়ে মানুষ তার ক্ষমতার রূপান্তর করে নিচ্ছে। একসময় মানুষ একে অপরের কাছে চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগ করত। এখনো মনে আছে হাইস্কুলে পড়ার সময় কিছু বন্ধুর দেখতাম ‘পেনফেন্ড’ থাকত। নিয়মিত চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগ করত। এমনকি একে অপরকে উপহার সামগ্রিও পাঠাত। যুগ পাল্টেছে। এখন, প্রতিনিয়ত একে অপরের সাথে পেনফেন্ড না হয়ে মেইল ফেন্ড, ব্লগিং ফেন্ড, ফেসবুক ফেন্ড হচ্ছে। কয়েক বছর আগেও মেইলে , ফেসবুকে এমনকি ব্লগেও ‘মুরাদ টাকলা’ লেখা অথবা ইংরেজিতে লেখা দিতে হতো। বাঙলা লেখা ত

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ সর্ম্পকে দৈনিক সংগ্রাম-এর ভূমিকা।


১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালিদেরকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহবান জানান। দেশজুড়ে সে সময় চলছিল অসহযোগ আন্দোলন। সবার মুখে কেবল একটিই স্লোগান ‘পদ্মা যমুনা মেঘনা, তোমার আমার ঠিকানা’ এবং ‘বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো। বঙ্গবন্ধুর ডাকে যখন সারাদেশের জনগণ স্বাধীনতার স্বপ্নপূরণের জন্য যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিল ঠিক সে সময় ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কাপুরুষের মতন রাতের অন্ধকারে বর্বরের মতন ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঙালি জনগণের উপর। “অপারেশন সার্চ লাইট” নামে চলে গণহত্যা। তাই অন্য যে কোন দিনের চেয়ে এই দিনটি আমাদের কাছে একটু আলাদা। ঐ দ

৭১-এ জামাতের আল্লাহ ও কোরানের বিকৃত ব্যবহার


>আল্লাহ তাদের লাঞ্ছিত করেছেন-
মতিউর রহমান নিজামী

৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ৭০-এর নির্বাচন এবং ৭১-এর অসহযোগ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয় জামায়াতসহ স্বাধীনতাবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল চক্র। বাঙলার জনগণ দ্বারা প্রত্যাক্ষিত হয়ে প্রতিশোধের আগুনে তারা উন্মত্ত হয়ে উঠে। গণ-অভ্যুত্থান ও অসহযোগ আন্দোলনে রাজপথের একটি প্রচলিত শ্লোগান ছিল,"জিল্লাহ শাহীর পাকিস্তান-আজিমপুরের গোরস্থান" ।

চাঁদে ও শুকর ছানায় আল্লামা সাঈদী!!!


বর্তমান সরকার একটা বাকশাল সরকার। ইসলামের বাগানের ফুটন্ত গোলাপ, মানবতাবিরোধী ট্রাইব্যুনালের নিষ্পাপ বলি আল্লামা দেলওয়ার হোসেন সাঈদীকে ফাঁসি আদেশ দেওয়ার পর জামাতের গেলমান বাহিনী সারা বাঙলাদেশে ধ্বংসযজ্ঞ শুরু করে। পুলিশ প্রশাসন সহ হাজারো মানুষের উপর অত্যাচার ও সাম্প্রদায়িক হামলা শুরু করে। কিন্তু শত বর্বরতার মধ্যে সাঈদী সাহেব তাদের গেলমানদের দেখা দিয়েছেন আজকের ভোর রাতে।

শহিদুল হক মামার সাক্ষাৎকার।


শহিদুল হক মামা। ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযুদ্ধে যিনি সরাসরি যুদ্ধ করেছেন। গেরিলা বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বর্পূণ কাজে তিনি সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। মিরপুরে কাদের মোল্লা ও বিহারীদের নির্মম ধ্বংসলীলা তিনি নিজ চোখে দেখেছেন। এছাড়াও তিনি ৬৬, ৬৯ গণঅভ্যুত্থানে সরাসরি জড়িত ছিলেন। মিরপুর তিনিই বিহারীদের সামনে পাকিস্তান পতাকা নামিয়ে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন সাহসের সঙ্গে। শহিদুল হক মামা কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে মানবতা অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন এছাড়াও যুদ্ধাপরাধী ফাঁসির দাবীতে শাহবাগ চত্ত্বরের আন্দোলনে তিনি যোগ দিয়েছেন। এছাড়াও এই সাক্ষাৎকারে তিনি সরকারের দূর্বলতা সসর্ম্পকেও স্পষ্টভাবে কথা বলেছেন।

ব্লগাররা একটু ভেবে দেখবেন কী


আগে ভাবতাম মানুষ মনে হয় ছাগুদের কথায় পাত্তা দেয় নি কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি আমরা তাদেরকে প্রতিনিয়ত খুব পাত্তা দিয়ে যাচ্ছি। জামাত-শিবির শাহবাগ আন্দোলনকে নাস্তিকদের আন্দোলন বলে প্রচার করতে থাকে কিন্তু অবাক কাণ্ড হল আমাদের ব্লগারাও তাদের তালে তালে নিজেকে আস্তিক হিসেবে উপস্থাপন করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে।

শুধুমাত্র বাংলাদেশেই ২৯টি কিংবা তারও বেশি জঙ্গী সংগঠনের অস্তিত্ব রয়েছে!


শুধুমাত্র বাংলাদেশেই ২৯টি কিংবা তারও বেশি জঙ্গী সংগঠনের অস্তিত্ব রয়েছে!

উল্লেখযোগ্য সংগঠন:
জমিয়াতুল মুজাহিদিন,
জাগ্রত মুসলিম জনতা,
শাহাদাত-ই আল হিকমা,
হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামি,
শহীদ নসুরুল্লাহ আল আরাফাত ব্রিগেড,
হিজবুত তাওহিদ,
জামায়াত-ই ইয়াহিয়া,
আল তুরাত,
আল হারাত আল ইসলামিয়া,
জামাতুল ফালাইয়া তাওহিদি জনতা,
বিশ্ব ইসলামী ফ্রন্ট,
জুম্মাতুল আল সাদাত,
শাহাদাত-ই-নবুওয়ত,
আল্লাহর দল,
জইশে মোস্তফা বাংলাদেশ,
আল জিহাদ বাংলাদেশ,
ওয়ারত ইসলামিক ফ্রন্ট,
জামায়াত-আস-সাদাত,
আল খিদমত,
হরকত-এ ইসলাম আল জিহাদ,
হিজবুল্লাহ ইসলামী সমাজ,
মুসলিম মিল্লাত শরীয়া কাউন্সিল,

ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী কাঁদবেন কেন?


ভোর ৫.৩৬ টায় ভিডিওটি ফেসবুকের হোম পেইজে আসে। ভিডিওটি দেখে আর দেরি করলাম না। ফেরসৌসী প্রিয়ভাষিণীর সমস্ত কথাই (ভিডিও) তুলে দিলাম এখানে।

প্রথমেই ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর পরিচিতি-

ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী (জন্ম:১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৭ ) বাংলাদেশের প্রখ্যাত ভাস্কর। যিনি কপালে লাল টকটকে সিঁদুর টিপ দিয়ে লালবৃত্ত ধারন করেন। যার জীবনের সাথে মিশে আছে আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাস, মিশে আছে বীরাঙ্গনাদের দুর্বিষহ জীবন কাহিনি। তার জীবনের সাথে মুক্তিযুদ্ধ খুব ঘনিষ্টভাবে মিশে আছে।

একুশের কথা।


প্রথমেই বাঙলা ভাষার একটু সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যান দেওয়া উচিত বলে বোধ করছি।

প্রায় ৬০০০ ভাষার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রথম দশটি ভাষার একটি হচ্ছে বাঙলা ভাষা। সারা বিশ্বের প্রায় ২৩০ মিনিয়ন মানুষ বাঙলা ভাষায় কথা বলে। বর্তমানে জনসংখ্যার দিক থেকে বাঙলা ভাষার অবস্থান সপ্তম।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

লালু কসাই
লালু কসাই এর ছবি
Offline
Last seen: 4 years 3 months ago
Joined: শনিবার, ফেব্রুয়ারী 16, 2013 - 4:01পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর