নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ক্যাম পাশা
  • সলিম সাহা
  • নুর নবী দুলাল
  • মারুফুর রহমান খান
  • লুসিফেরাস কাফের

নতুন যাত্রী

  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ
  • শহিদুল নাঈম

আপনি এখানে

হিমেল হাসান এর ব্লগ

ঈশ্বরের বিরুদ্ধে হুলিয়া-


বন্ধুগন, একবিংশ শতাব্দীর এই দুর্বৃত্তায়নের পৃথিবীতে
মানুষের স্থাপত্য যখন মানুষের জন্যই হুমকিস্বরুপ
চন্দনমাখা স্বপ্নের ভেতরে যখন বুনো হাতির উলুধ্বনি ওঠে
ঠিক তখন ই, মানুষের এই সমাবেশে দাঁড়িয়ে আমি আপনাদের কাছে
হাত জোড় করে বলি ভালোবাসা খুঁজতে যাবেন না কোথাও।
মানুষের ভেতরে মুখোশ, মানুষের বাহিরে মুখোশ, মানুষের মুখোশেও আজ মুখোশ লেগে আছে।

বন্ধুগন, মানুষের হাত গুলো এমিবার মতো এত পিচ্ছিল আর ক্ষুদ্র যে আপনি ধরে রাখতে পারবেন না।
মেরামতের অযোগ্য মানুষের চোখগুলো গভীর ফাটল নিয়ে ভাগাভাগি হয়ে গেছে দুদিকে।

প্রিয়বন্ধুগন,
কোটি কোটি যুগ আগে পাথরের নি:শব্দ চিৎকার থেকেই আগুনের উৎপত্তি ঘটেছিলো

শুধু মানুষ মরুক-


মৃত্যুই যার একমাত্র আবেদন
তার আবার আনন্দ কিসের, উল্লাস কিসের?
মৃত্যু ব্যাতিত কোন উৎসব আমাকে আন্দোলিত করেনা।
মানুষ মরুক, সড়ক দুর্ঘটনায় মরুক, ছুরিকাঘাতে মরুক, বোমা-বারুদে মরুক
উর্ধ্বতন কর্মকর্তা মরুক, ডাক্তার-আইনজীবী, কবি-রাজনীতিবীদ, মাগীর খদ্দেরসহ সকলে মরুক।
সকল মানুষ মরলে, পৃথিবী অন্তত আরো দু'শ কোটি বছর স্থায়ী হবে।

বস্তুত, মানুষের বেঁচে থাকার কোন প্রয়োজনীয়তাই আমি দেখিনা।
কারণ আমি জানি, সকলেই মরে।
বেশ্যালয়ের আনারকলীও একদিন মারা যাবে, শেষ খদ্দেরটিও হয়তো জানবে না ।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট যেদিন মারা যাবে, কাগজের প্রধান শিরোনাম হবে
অথচ, প্রকাশ্যে আড়ালে সকল মানুষ মরবেই।

-তার চেয়ে বেশ মৃত্যু ভালো


আমাকে কেউ বাহিরে আনো
এইখানে এই অন্ধকার ভালো লাগে না ।
আমাকে কেউ ভেতরে টানো
এইখানে এই আলো ভালো লাগে না ।

আমাকে কেউ বাহিরে আনো।
আমাকে কেউ ভেতরে টানো ।
তার চেয়ে বেশ মৃত্যু ভালো ।

দুটি কবিতা : বিরহের পাখি ও বহিরাগত বুকে- ও ভালোবাসাহীন ফিরে গেলে আমার হৃদয়-


বিরহের পাখি ও বহিরাগত বুকে-

পতনের মূহুর্ত থেকে
আমার বিরহের পাখি পালিয়ে গ্যাছে ।
বিরহের পাখি- এইবার ঘরে আসো, হাত-মুখ ধোও
লাউয়ের ডগার মত আকড়ে ধরো হাড়ের শরীর
আগুনের মুখ থেকে ফিরিওনা ঝরনার ঠোঁট ।

বিরহের পাখি- শেষবার ঘরে আসো, দেখে যাও
নিজস্ব আলোর তাপে ফিকে হয় মানুষের রং ।
বিরহের পাখি- বহিরাগত বুকের কাছে
কোনদিন ফিরবে না আর ?

ভালোবাসাহীন ফিরে গেলে আমার হৃদয়-

কোনদিন, ভালোবাসাহীন ফিরে গেলে আমার হৃদয়
অভিশাপ দেবো কি- "বন্ধা হও, কলংকিত হোক তোমার জীবন"?
না, একদম না। ভালোবেসে কতজন পেয়েছে বসন্ত?
সুমিষ্ট জল আর হাওয়া ?
ভালোবাসাহীন ফিরে গেলে আমার হৃদয় তবুও তো থেকে যাবে কিছু

-নিঃস্বঙ্গ পুরুষের সকাল


নিঃস্বঙ্গ পুরুষের উষ্নতম সকাল কতটা কষ্টের
সে তো আমি জানি।
নারীর প্রসব ব্যাথার খবর আমি জানিনা
যে স্ত্রীর স্বামী প্রবাসে, তার বা তাদের কষ্ট জানিনা।
শুধু জানি, নারীহীন পুরুষের সকাল কতটা ব্যান্জনার।
মিথ্যে খুনের মামলায় যার জীবন
চৌদ্দশিকের ধারাপাতে বাঁধা
তার কতটুকু কষ্ট আমি বুঝি?
শুধু জানি, সঙ্গমহীন পুরুষের সকাল বড় কষ্টের।

আমার হাতের রেখায়, কাপড়ের ভাঁজে
বিছানার চাদরে, এখানে-সেখানে
মৃত কিছু স্পার্মের বসত।
এ যেন, পিতার কাঁধে জন্মহীন পুত্রের লাশ।

এই হাত, ছলনার হাত
এই জীবন, খুনির জীবন।।

আমি তো বুঝি,
নিঃস্বঙ্গ পুরুষের সকাল কতটা পরিপূর্ণ দুঃখের হয়।
আমি তো জানি,

আমার মৃত্যুর কারণ-


গতকাল মধ্যরাতে আমার মৃত্যু হলো
টিকটিকি খবর পৌছে দিলো মহল্লার মসজিদে
বৃদ্ধ তেলাপোকা অবৈজ্ঞানিক উচ্চারণে তেলাওয়াত করতে থাকে দোয়া ইউনুস।
আমার লাশের উপর দিয়ে কালো পিঁপড়ের মিছিল যায়
মিছিলে আঘাত হানে পুলিশের বুলেট, টিয়ারশেল
জমা হয় লাশের উপর লাশ ।
সমস্ত ঘরে ভেসে বেড়ায় পিঁপড়ের রক্ত ও কান্নার আওয়াজ।
কিছু কিছু কান্না আমি বেশ চিনতে পারি।
অথচ ওরা আমাকে ভালোইবাসতো না কোনদিন।
ভোর হতে না হতেই চলে এলো মডেল থানার পুলিশ।
কেউ কেউ ভাবতে থাকে এটি- আত্নহত্যা ।
তা



তেইশ হাজার বছর ধরে জাহান্নামে জ্বলছি।
কালো আগুনকে জিজ্ঞেস করেছি একলক্ষবার - আমার মৃত্যুর কারণ।

কবিতা-১


যে মেয়েটা আমার বুকের উপর মাথা রাখতে চায়
অথবা,
মাঝরাতে সবাই ঘুমিয়ে গেলে
আমি যার বুকের দিকে হাত বাড়াই
আশ্চর্য্য দুটি প্রদীপ জ্বালাবো বলে।
সে জানেনা, আমি এক জাবজ্জীবন দন্ডিত পুরুষ
আমার উদরে শিউলির বাগান ছিলো
কবে-ই তা পুড়িয়ে দিয়েছি, উড়িয়ে দিয়েছি
হিমে ও আগুনে ।
যে আমাকে মানুষ রুপে দেখতে চায়

বর্ণমালার জলোচ্ছ্বাসে বিকল্প জীবন:


স্তম্ভিত হবার আগেই মটরের গভীর থেকে
বেরিয়ে আসে গোপন বৈভব।
আমলকির শাখায় পিঁপড়া অক্ষরে
লিখা আছে- বাঁকা নীল চাঁদের আত্নকাহিনী।
কালো ট্রাঙ্কের অন্ধকার জলে টুপ করে পড়ে গ্যাছে হাত ঘড়ি
আমার এখন ঘন্টা নেই, মিনিট নেই, সেকেন্ড নেই।
ধূসর খামে একটা সময়হীন কাগজের চিঠিতে
বর্ণমালার জলোচ্ছ্বাসে বিকল্প জীবন খুঁজি।
উদগ্র ঔৎসুকে যার হাত ধরে জীবন বদলাতে চাই
সে উড়ে যায় গ্যাস বেলুনের মত, নক্ষত্রের দিকে।
নিজের শরীরকে পৌনঃপুনিকভাবে আয়নার সামনে রাখিনা
শরীর ও হৃদয়ের সংঘাতে অদৃশ্য রক্তক্ষরণ; বহুদিনের।
মানুষ ও বানরের কাছাকাছি থেকে
ভুলে যাই পৈত্রিক পরিচয়।
আজকাল আতংকিত হই মানুষের অঙ্গিকার বাণীতে

আজ অনেকদিন পর বৃষ্টি দেখলাম-


আজ অনেকদিন হলো বৃষ্টি দেখি না
আকাশে-মাটিতে কোথাও বৃষ্টি নেই
টেলিভিশনে- পত্রিকায় কোথাও বৃষ্টির খবর ছাপা হয়না
প্রায়-ই আমার চোখে-মুখে মেঘের গুড় গুড় আওয়াজ শুনি
মেঘ ভাঙ্গেনা বৃষ্টিও দেখিনা ।
আজ অনেকদিন হলো বৃষ্টি দেখি না
বসন্ত আমার প্রিয়, অথচ ভুলেই যাই আমার ভেতর
আষাড় ও শ্রাবন ,
আজকাল ওরা কাদতে ভুলে গেছে
হঠাত একটা খবর শুনে আমি স্নান ঘরে ছুটে গেলাম

অভিসেন গুপ্তের কবিতাটা-১


চলে যাওয়াটা কি জরুরী?
এইতো এলে, অনেকটা পথ পায়ে হেঁটে
ধূলো সমেত, চোখের মলাটে
শুকিয়েছে কাজল, কানের দুল-ও কাঁপছে
মৃদু। একটু বসো, শান্ত করো বুকের কাঁপন
তারপর বলো- আছো কেমন?
চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে দু গাল গপ্পো করো
আরো! কিছুটা সময় থাকো আরো!

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

হিমেল হাসান
হিমেল হাসান এর ছবি
Offline
Last seen: 2 years 3 months ago
Joined: শুক্রবার, মে 24, 2013 - 12:44পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর