নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • নিঃসঙ্গী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

মহামান্য গুরুভাই এর ব্লগ

আমি বাঙালি তাই বাংলায় কথাবলি- বাংলা আমার প্রাণ!


উঠো ভাই সালাম উঠো রফিক ভুলো অভিমান
কান পেতে শুনো ভাই অষ্টমফাল্গুন-ফেব্রুয়ারি-একুশের গান,
জাগো ভাই জব্বার জেগে উঠো বরকত
শুনো বাজে হুঙ্কারে আজো সেদিনের রক্তিম শপথ;
সেই ত্যাগ তোমাদের সেই ত্যাগ দেখো আজো অম্লান
আমার আমাদের তৃপ্তির বিশ্বাস আর বাংলার যা কিছু ভাই তোমাদেরই দান!
বাংলায় বুক ভরে নিঃশ্বাসে নিতে পারি তাই বর্ণমালার ঘ্রাণ,
আমি বাঙালি তাই বাংলায় কথাবলি বাংলা আমার প্রাণ!

কন্ঠে চেপে ধরে বুলেট ওরা করেছিল লালচোখে সাবধান
তোমাদের রক্তে ভিজেছিল বর্ণমালা রঞ্জিত স্রোত বহমান-
তবু রাজপথ কেঁদে বলেছিলো সেদিন চিত্কারে
শুনো আজো বলে গলাছেড়ে ঝঙ্কৃত অহংকারে
আমি বাংলার বাঙালি বায়ান্ন-একাত্তরে-

প্রয়াত বসন্ত!


ঋতুরাজ প্রয়াত কোন এক বসন্তে,
হেমন্তও আসেনা এখন আর শরৎের অন্তে!
শীত গ্রীষ্ম বর্ষা'র পালাবদলের সমন্বয়ে-
এ এক কঠোর সন্ধি,
যান্ত্রিকতার মাঝেই আজ বৈচিত্র্যেরা বন্দী।

গায়ের মাঠে ফসল কাটার ধুম, নবান্নেরা প্রয়াত!
কৃষাণির গৃহে নেই আয়োজন এ কেমন হেমন্ত!
হেমন্তও গত হয়েছে বিগত এক হেমন্তে,
ঋতুচক্র হারিয়ে যায় ক্রমাগত প্রযুক্তির যন্ত্রে।

কিছু বলার নেই চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া কেবল-
তাই নিশ্চুপ দেখে যাই সব, দন্ত চেপে দন্তে!
এই অনিয়মকে নিয়মতান্ত্রিকে ফিরিয়ে আনতে-
আজ শ্রেষ্ঠতার আড়ালে জ্যেষ্ঠ কেউ নেই,
ঋতুরাজ যে প্রয়াত কোন এক বসন্তে।
----------------------

প্রয়াত বসন্ত!
- নিবিড় রৌদ্র।

অথচ আমি মানুষ হয়ে জন্মেছি!


যদি পুরাকালে কোন এক মুণির অভিশাপে
আজ অবধি পাথর হয়েও রইতাম,
তবুও কেউ একজন এসে ছোঁয়ে দিতো আমায়
আমি ফিরে পেতাম পুরনো প্রাণ নতুন রূপে!

অথচ আমি মানুষ হয়ে জন্মেছি,
তুমি একবারও ছোঁয়ে দেখলেনা!

যদি হাজার বছর ধরে অনন্ত যাত্রাও হতো
আমার; পৃথিবীর পথে- আমি হেঁটে চলেছি
তবুও কোন বনলতা সেন আমাকে জীবনানন্দ দাশ
ভেবে কাছে ডেকে নিতো, আমি জোড়াতাম প্রাণ!

অথচ তোমার প্রেমে বারবার থমকে গেছি পথে,
তুমি একবারও কাছে ডাকলেনা!

যদি দুরন্ত নাবিকের মত উত্তাল সমুদ্রের বুকে
তরী ভাসিয়ে দিয়ে হারিয়েও যেতাম স্রোতে;
তবুও কোন অচেনা দ্বীপ সামনে এসে দাঁড়াতো,
ইঙ্গিতে সমাদরে অকারন ঠাঁই দিতো আমাকে তার বুকে।

এক বিচ্ছেদে সন্ধি!


যার পারিনি আপন হতে সে কি করে হয় আপনার
নয় কি শুধুই মিছে আশা নীল বেদনে শুন্যে বাঁচার?
তুমি আমি তফাৎ চুমি দু'জন যোজন যোজন দুরে
চাঁদ-তারা কি দেয় গো সাড়া যত-ই ডাকি সুরে সুরে!
লাখোকোটি আলোকবর্ষ পেরিয়ে তবে গ্রহের দেখা
তুমি আমি যেমন- তেমন নক্ষত্রেরাও ভীষণ একা,
ভাবলে কেন দুঃখ পাবো মৌলিকতায় ব্যাথা বৃথা
জন্ম যেথায় চিরন্তনী সত্য সেথায় শশ্মান- চিতা।

পথমাঝে যার বসবাস স্বপ্ন বোনা তার কি সাজে,
সে কি কভু হয় গো হতাশ পথচলাতে নীড় যে খোঁজে?
পাখির রাজ্য আঁখি জুড়ে ডানা নির্ভর যার পৃথিবী
বেঁচে থাকার আশা ব্যতীত উহ্য যার সকল দাবী,
পৃথিবীটাই বিরাট খাঁচা বন্দী যেথায় আজ সকলে

তবু কেউ কেউ আজও ভালবাসে!


তবু কেউ ভুলে যায় ভুলে ভরা গল্প
তবু কেউ যেন জয় করে ঐ হিমালয় সুখ পেয়ে অল্প,
তবু কেউ কেউ সুখী নয় ছিনিয়ে বিজয়
তবু কেউ করে অস্বীকার বারবার পরাজয়;
তবু কেউকেউ চায়না কেউ আসুক কাছে
তবু কেউ কেউ আজ অসামাজিক হয়ে বাঁচে
তবু কেউ কেউ জানেইনা কেন জাগে চাঁদ আকাশে
তবু কেউ কেউ তারা গোনে পাড় করে রাত প্রকাশে,
তবু কেউ আড়ালে মুচকি হাসে
তবু কেউ কেউ দুর থেকে আজও ভালবাসে।

তবু কেউ কেউ আজও অম্লান স্মৃতিতে
তবু কেউ কেউ ফিরে যায় সামাজিক রীতিতে,
তবু কেউ ভাসায় প্রাণ বাংলার ঘ্রাণে-গীতিতে
তবু কেউ মাঝেমাঝে ফিরে নষ্ট অতীতে;
তবু কেউ কেউ আজও বাঁধে বিশ্বাস
তবু কেউকেউ গোপনে আজ ফেলে দীর্ঘশ্বাস

দ্যাখ্ গোলাপী দ্যাখ্!


রূপকথার সেই ডাইনি বুড়ি
অত্যাধুনিক সাজে
বঙ্গ দেশে হাঁক ছেড়েছে
মানুষ মারার কাজে।

বেশভূষাতে পটের বিবি
লাজের মাথা খেয়ে
গণতন্ত্রের মুখোশ পড়ে
রোজ আসছে ধেয়ে।

ক্ষমতার লিপ্সাতে যার
চোখের কোনে জল
ছলে বলে রাজত্ব চাই
যেকোন কৌশল।

ছেড়ে দ্যাঁ মা কেঁদে বাঁচি
সবার চাওয়া এক
আর্তনাদে কাঁদছে দেশ
দ্যাখ্ গোলাপি দ্যাখ্!

ঘরের ভেতর পেটে আগুন
বাইরে গেলে বোম
গুটি কয়েক হায়েনারা
কাড়লো সবার ঘুম।

মন্ত্রীমুখে কথার বাহার
এমপিরা সব কই
আসেন দাদা আসেন দিদি
বোরকা পড়ে শুই!

মানবতার সংগঠনে
লোক দেখানো কর্মসূচী
যুদ্ধে নেমে লড়াই ছাড়া
কর্মসূচী করবে কি!

কাজের বেলা টনটনাটন
কথায় ফোটে খই

বাসনা তব পায় যেনো প্রাণ!


বাসনা তব পায় যেনো গো প্রাণ
ফিরে পায় যেনো-
সে বাজে যেনো,
তব হরষের লাগি মনে
আছে যত আশা যতনে
তারা সুর পেয়ে
স্বরলিপি হয়ে
ফের যেনো পায়-
বেজে উঠে যেনো
হয়ে তব জাগরণী জয়গান!
বাসনা তব পায় যেনো গো প্রাণ।

বধূয়ার প্রেম!


সভ্যতার আধুনিকতার আলোকে সভ্য নয়
আদিম রঙের প্রেম- অসামাজিক প্রেমিকা চাই;
প্রেম ও প্রেমিকার স্পর্শে প্রেমিকের হৃদয়জুড়ে
তিলোত্তমা গড়ে তোলবো সহযোগ কামনায়।
নয় সুনির্দিষ্ট গন্ডি কিংবা আবদ্ধতা-জলাবদ্ধতা,
একাত্মতায় জনম কাটাবো পৃথিবীর রাস্তায় রাস্তায়।
হিসাব-চুক্তির পাওনাদায়ে নয়, নয় তাজমহলের-
কারুকাজে; একদম বেহিসেবি প্রেম চাই-
বয়সঃসন্ধি প্রেম- লগ্নে লগ্নে ভগ্ন পাঁজরে নগ্ন প্রেম।
বিনিময়তান্ত্রিক ভালবাসাতে বরাবর-ই অবিশ্বাসী;
যখনতখন ভালবাসা চাই- বেলা কিংবা অবেলায়,
প্রতি মুহূর্ত বেঁচে থাকার আশার মত ভালবাসা।
অনন্ত এই নিস্ক্রিয় ঠোঁটে স্নিগ্ধতা আজ বিপন্ন! নিকোটিনধারক ঠোঁট আমার শুকনো কাঠ-কয়লার

প্রনয় রোদন; তুমি চিনিলে না সখী!


তুমি চিনিলে না সখী-
তুমি জানিলে না সখী আমারে।
তুমি যদি আগে একবার কেবলি
জানায়ে দিতে মোরে,
রাতের প্রয়াণে তুমিও সাজিবে-
যেমন সাজিয়াছে ভোর;
সারা নিশি জাগিয়া পলকে আসিয়া
সকল ফেলে মোর-
আমি তোমারে খোঁজিতে তোমারে ভজিতে-
আপনি বেঁধেছি যে সুর,
সে সুর বিলায়ে-
আজিকে তোমারে-
আমি স্বরলিপি সমেত বিলায়ে দিতাম সুরে।
তুমি চিনিলে না সখী-
তুমি জানিলে না সখী আমারে।

তুমি যদি সখী প্রভাতের স্নানে
করিতে মোরে বরণ
তব মুখে রাঙা হাসি হয়ে
ছড়াতাম রবির কিরণ-
আমি তব আঁখিতে সখী-
বিজলীর জ্যোতি-
মাখায়ে দিতাম আদরে, যেনো-
আমি ছাড়া কেহ পেতে তব প্রেম;
তোমার নয়নেতে-
নয়নের মণিতে তাহার নয়ন রাখিতে না পারে!

বিস্ময় ভাবনা!


বিস্ময়ে ভাবতে থাকি,
ভাবি আমি সত্যিই কি বেঁচে নাকি!
সেই যুগ-যুগান্তর মতান্তরে-
ধৈর্যে-সহ্যের ভোগ শেষে কি,
পূন্য-পাপে দুঃখ-সুখের দিনযাপনে-
পরকালও ফুরোচ্ছে কি?

আবার হঠাত্ চুপ,
ভাবতে হবে সত্যিই কি জেগে নাকি-
স্বপ্নলোকের খুব গভীরে ডোব!
তা নাহলে তাকিয়ে আমি নয়ন মেলে দৃষ্টি নিশ্চুপ!
আগুন আমার চোখ পোড়াবে-
আমার কেন হৃদয় জ্বলে যেমন জ্বলে ধূপ?

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

মহামান্য গুরুভাই
মহামান্য গুরুভাই এর ছবি
Offline
Last seen: 3 years 1 month ago
Joined: সোমবার, মে 13, 2013 - 2:21অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর