নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • সাহাবউদ্দিন মাহমুদ
  • কিন্তু
  • পৃথু স্যন্যাল
  • তানভীর আহমেদ মিরাজ
  • নুর নবী দুলাল
  • সাজ্জাদুল হক
  • বেহুলার ভেলা

নতুন যাত্রী

  • কথা নীল
  • নীল পত্র
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • ফিরোজ মাহমুদ
  • মানিরুজ্জামান
  • সুবর্না ব্যানার্জী
  • রুম্মান তার্শফিক
  • মুফতি বিশ্বাস মন্ডল
  • হাসান নাজমুল
  • নরমপন্থী

আপনি এখানে

মহামান্য এর ব্লগ

রোহিঙ্গা শরনার্থী অধ্যুষিত অঞ্চলকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদের চারনভূমি বানাবার দেশি-বিদেশি মহাপরিকল্পনা


রোহিঙ্গাদের নিয়ে ফেলোশিপ প্রোগ্রামে কাজ করতে গিয়ে একটা বিষয় খেয়াল করেছি, তাদের অনেকেই রীতিমত ধর্মান্ধ। এ জায়গাটায় বাঙালি মুসলমানদের চাইতে তারা একদম পিছিয়ে নেই। আপত্তি বা আলোচনার জায়গাটা আসলে এখানে নয়। রোহিঙ্গাদের মধ্যে সুচতুর উপায়ে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে জঙ্গিবাদের বিষবাষ্প। নেতিবাচক প্রচারনা চলছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে। এমনকি, সরকারকে ইসলামের বিপক্ষে দাঁড় করিয়ে দিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে জামায়াতে ইসলামি-সহ অনেকগুলো ঊগ্রবাদি দল রোহিঙ্গাদের অস্ত্র হাতে স্বশস্ত্র জেহাদে নামিয়ে দিতে চাইছে। নানা কৌশলে ধর্মের বানী প্রচারের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে উগ্রবাদ। এখানে লক্ষ্যনীয় রোহিঙ্গাদের অন্ন, বস্ত

আমেরিকার স্বাধীনতার লড়াই এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের নির্মম পরিনামের ইতিহাস (পোষ্টটি মানবতা কারবারি অ্যামনেস্টিকে উৎসর্গ করা হইলো)


কোন অঞ্চল বা ভূ-খন্ডকে উপনিবেশে পরিনত করার চর্চা অনেক প্রাচীন। গ্রীক, রোমান, পারস্য-সহ আরো অনেক প্রাচীন সাম্রাজ্য এই কাজ নিয়মিত করেছে। মধ্যযুগের কাছাকাছি সময়ে এসে আরবরা, তুর্কীরাও একই কাজ করেছে। আমরা বাঙালিরাও বখতিয়ার খিলজি দ্বারা তুর্কী উপনিবেশে পরিনত হয়েছিলাম। আমাদের স্বাধীনতা হরন সেই তো শুরু।

অকৃতজ্ঞ বেঈঈমানের দল, আমারেও গুনিস কিন্তু


১/

সে এক বিরাট গল্প। সেদিন ঘরে ছেল না কেরোসিন তেল। বৌ গজগজ করতে করতে আইসা বললো, রাইতে কি জোনাকি পোকা আইসা ঘরে বাত্তি দিব? মন মেজাজ এমনিতেই খারাপ। ধুত্তেরি বইলা চইলা গেলাম জাকিরের চায়ের দোকানে। সেখানে গিয়াও দেখি শান্তি নাই। ব্যাপক রাজনীতির আলাপ চলতেছে। ছাগলা হানিফ্যা দেখি আড্ডার মধ্যমনি হয়া একাত্তরে ৩০ লাখ মানুষ মরে নাই সেই বুঝ দিতাছে। চা'টা খায়া বাইর হয়া যামু এই সময়ে হানিফ্যা সেলামালকি দিয়া কইলো, আরে বড় ভাই, কিছুমিছু খাবান। আম্লিক ক্ষমতায় আছে। এখন না খাবাইলে কখন?

রোহিঙ্গাঃ পরিচয়হীন পরিচয়ধারীদের সময়ের গল্প ০৫ ( শেষ পর্ব)


রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের শুরু সুপ্রাচীন হলেও প্রথম ধাক্কাটা লাগে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ১৯৭৮ সালে। । সেই সময়ে নিজের ইসলামী সেন্টিমেন্ট জনগনকে দেখানোর জন্য এবং পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর অনুরোধে প্রবেশের অনুমতি দেন। দুই লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলমানকে।
এছাড়া বিচ্ছিন্নভাবে নানা সময়ে আরো রোহিঙ্গারা এসেছেন। ১৯৯২,২০১০ এবং ২০১৩ সালে উল্লেখযোগ্য পরিমানে তারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছেন। কেন এসেছেন তা আগের পর্বগুলোতে উল্লেখ করেছি।

রোহিঙ্গাঃ পরিচয়হীন পরিচয়ধারীদের সময়ের গল্প ০৪ ( আনরেজিস্টার্ড ক্যাম্প)


রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের সাথে আনরেজিস্টার্ড ক্যাম্পের পার্থক্য একেবারে আকাশ পাতাল। নিবন্ধিত রোহিঙ্গারা যে সুযোগ সুবিধা পান অনিবন্ধিতরা তার ধারেকাছেও কোন ধরনের সহযোগিতা পান না। এ ব্যাপারে কথা বলেছিলাম আন্তর্জাতিক শরনার্থী সংস্থার একজন কর্মকর্তার সাথে। তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম কেন অনিবন্ধিতদের নিবন্ধিত করা হচ্ছে না। তিনি জানান, বাংলাদেশের সরকার এবং প্রশাসন চাচ্ছে না বিধায় তা করা যাচ্ছে না। তারা নতুন করে কোন রোহিঙ্গাকে নিবন্ধিত করতে আগ্রহী নন।

রোহিঙ্গাঃ পরিচয়হীন পরিচয়ধারীদের সময়ের গল্প ০৩ (রেজিস্টার্ড ক্যাম্প)


মায়ানমারের সামরিক জান্তার গনহত্যা, নির্যাতন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের ভু-খন্ডে ছুটে আসে। এসে আশ্রয় গ্রহন করেন ক্যাম্পে। ক্যাম্প মুলত দুই প্রকার। ১। রেজিস্টার্ড ক্যাম্প। ২। আন রেজিস্টার্ড ক্যাম্প।

রাজাকারের বিচার হাল হাকিকাত নিয়ে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের একটি কাল্পনিক সাক্ষাৎকার


বেহেস্তে জাহানারা ইমামের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন সেখানকার কোন এক সাংবাদিক।

সাংবাদিকঃ কেমন আছেন?

জাহানারা ইমামঃ ভাল নাই।

সাংবাদিকঃ ভাল নাই কেন?

জাহানারা ইমামঃ ১৯৯১ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছিলেন গন আদালতে। সে রায় তো কার্যকর হইলো না। আমার ছেলেদের হত্যার বিচার এখনো হইলো না।

সাংবাদিকঃ কি যে বলেন না। আওয়ামি লীগ সরকার তো এখন ক্ষমতায়। ওরা তো বিচার করছে।
জাহানারা ইমামঃ সে ওয়াদা তো ১৯৯১ এ করেছিল আমার কাছে। বলেছিল, বাংলাদেশ আওয়ামি লীগ আপনার সাথে আছে। পাশে ঠাই দিন। দিয়েছিলাম। কিন্ত ওরা তো মর্যাদা রাখছে না।

রোহিঙ্গাঃ পরিচয়হীন পরিচয়ধারীদের সময়ের গল্প


(একটা ফেলোশিপ প্রোগ্রামের আওতায় কিছুদিন আগে ঘুরতে গিয়েছিলাম কক্সবাজার, উখিয়া, টেকনাফ অঞ্চলে। শরনার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেছি। কথা বলেছি অনেকের সাথে। জেনেছি তাদের ইচ্ছা, বাস্তবতা, সমস্যার কথা। ক্যাম্পের অবস্থা, রোহিঙ্গাদের অবস্থার সুযোগ নিয়ে নানা রকমের ব্যাবসা, তাদের ভবিষ্যৎ ভাবনা, আন্তর্জাতিক রাজনীতির ভুমিকা, আরো নানা কিছু নিয়ে এ ইস্যুতে ধারাবাহিক কিছু লেখা লিখার ইচ্ছে আছে।)

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

মহামান্য
মহামান্য এর ছবি
Offline
Last seen: 1 year 1 month ago
Joined: শনিবার, ফেব্রুয়ারী 2, 2013 - 2:14পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর