নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মোঃ হাসানুল হক ...
  • এফ ইউ শিমুল
  • পথিক রাজপুত্র
  • বিপ্লব পাল
  • দিন মজুর
  • নুর নবী দুলাল
  • সাম্যের সাধক

নতুন যাত্রী

  • আহসান_পাপ্পু
  • অন্ধকারের শেষ প...
  • রিপন চাক
  • বোরহান মিয়া
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

বাংলাদেশের মুসলমানদের একটা বিরাট অংশ যে এখনও হিংস্র-জানোয়ার তার একটি উপযুক্ত প্রমাণ


আমরা পৃথিবীর যেকোনো নির্যাতিত মানুষের পক্ষে। আর এর বিরুদ্ধে পরিচালিত সর্বপ্রকার আগ্রাসন, বর্বরোচিত হত্যা, খুন, ধর্ষণ, গণধর্ষণসহ যেকোনো গণহত্যার বিরুদ্ধে। কিন্তু আমাদের দেশে একটি অমানুষের দল রয়েছে—এরা হিন্দুদের মন্দির ভাঙ্গবে, মন্দিরে আগুন দিবে, হিন্দুরমণীদের ধর্ষণ করবে, গণধর্ষণ করবে, হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের জায়গাজমি মুসলমানীকায়দায় দখল করে নিবে, রামুতে বৌদ্ধদের উপাসনালয়ে হামলা করবে, বৌদ্ধবিহারে আগুন দিবে—তবুও এরা মুসলমান! তবুও এদের কিছু বলা যাবে না। কারণ, এরা মুসলমান! এই নামধারী-মুসলমানরাই এখন রোহিঙ্গাদের জন্য কেঁদে একেবারে আকুল! কুম্ভিরাশ্রু আরকি! তার কারণ, এরা ষড়যন্ত্রকারী। এদের রোহিঙ্গাপ্রীতিও সম্পূর্ণ অসৎউদ্দেশ্যে পরিচালিত। এই নামধারী-মুসলমানদের মনে আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কোনো মানুষের জন্য সামান্যতম মায়ামমতা নাই, অন্যধর্মের মানুষের প্রতি বিন্দুমাত্র ভক্তিশ্রদ্ধা নাই, এদের মধ্যে ন্যূনতম মানবতাবোধ নাই—সর্বোপরি এদের মধ্যে কোনো মনুষ্যত্বও নাই। তবুও এরা মুসলমান!

অনুগল্প ২


ফরহাদ মিয়া পেঁয়াজ কাটতে কাটতে চোখ ডলে। উত্তরের জানলায় উথালপাতাল বাতাস। মাছভাজার বিজবিজ শব্দ হয়।শুনশান নীরব চারপাশ। ময়না গতবার বাড়ি থেকে ফেরার সময় বলছিল, "আপনার একটু ও খারাপ লাগেনা? আমারে নিয়া গেলেই তো পারেন। কি পুরুষ আমার!"
ফরহাদ মিয়া হেঁসে বলেছিল, "তোমারে নিয়া গেলে রাখুম কই কওতো? আমার তো সাধ্যি নাই গো।"
ফরহাদ ভাবে, জল কি কান্নার না পেঁয়াজের ঝাঁজ?
...
বাবুর্চি হিসেবে খুব ভালো না হলেও বড় দায়িত্ববান এই লোক। বড় স্যার খুব ভালোবাসেন এই সরলমনা ছেলেটাকে। মাথাভর্তি কোঁকড়া চুল। কাজে কাজে চুল আঁচড়ানোর সময় হয়ে ওঠেনা। এলোমেলো চুলে বেশ মানিয়ে যায় চেকচেক শার্ট।
...

বাঙালি, একটি বাংলাদেশ এবং আমি


মাত্র গুটি কয়েকদিন হলো দেশের বাইরে এসেছি। নতুন দেশ, নতুন পরিবেশ, নতুন সংস্কৃতিতে নতুন করে চলা। নতুন একটা জায়গায় নিজেকে গুছিয়ে নিতে পারবো কি না এই ভয়ের মধ্যেও আশাবাদী ছিলাম দেশের বাইরে হলেও নিজের পাশের দেশেই এসেছি। ভারত বিশ্ব অর্থনীতিতে অনেকটা এগিয়ে গেলেও তাদের আর আমাদের সংস্কৃতির মধ্যে খুব একটা ফারাক এখনো দেখা যায় নি। তাই একটু হলেও নিজেকে সান্ত্বনা দিতে পেরেছিলাম খুব একটা পরিবর্তন পরিলক্ষিত হবে না তাই নিজেকে খুব সহজেই এখানে মানিয়ে নিতে পারবো।

মাতৃগর্ভের নির্বাণ : চতুর্থ পর্ব


মাতৃগর্ভের আকাঙ্খা ভারতীয় মিস্টিকদের ধারনায় যে ভাবে অধ্যাত্মবাদের রক্তমাংসে মূর্ত হয়ে উঠেছে তা অন্য ক্ষেত্রেও দুর্লভ নয়। আদিম সংস্কৃতিতেও আমরা ঠিক এই ভাবধারাকেই দানা বেঁধে উঠতে দেখি। আধ্যাত্মিক উপলব্ধীর খুব গুরুত্বপূর্ণ পর্বে বারবারই আমরা সদ্যজাত শিশুর জন্ম অভিজ্ঞতা ও তৎসঞ্জাত অনুভবের স্ফুরণ বিভিন্ন ভাবেই চিত্রিত ও বর্ণিত হতে দেখি। প্যাগান ধর্ম থেকে সেমিটিক ধর্মে এসেও বিভিন্ন মানব সম্প্রদায় আধ্যাত্মিক উপলব্ধী বলে যে অনুভব আর অভিজ্ঞতাকে আবিস্কার করেছে তার মধ্যেও এই মাতৃগর্ভের অভিজ্ঞতার স্মৃতি প্রকট হয়ে ওঠে। মানব মনের স্বাভাবিক ও চিরন্তন আকাঙ্খাই যেন তার অধ্যাত্ববাদী চেতনায় বার বার দেখা দিয়ে

নাস্তিকরা কেন ইসলাম নিয়ে বেশি লেখে ?


বিভিন্ন নাস্তিক বনাম আস্তিক ফেসবুক গ্রুপে বা ব্লগে ইসলামধর্মকে কটাক্ষ করে লিখলে, মুমিন-মুসলিমরা প্রায়ই এই অভিযোগ তোলেন যে,
নাস্তিকেরা শুধু ইসলামকেই কেন আক্রমণ করেন, নাস্তিকতা মানেই কি শুধু ইসলামবিরোধিতা, পৃথিবীর আরো হাজারটা ধর্ম নিয়ে কেনো আলোচনা করা হয় না, শুধু ইসলামকে কেন অাক্রমনের লক্ষ্যবস্তু করা হবে, অনেকে এও বলেন গ্রুপের নাম বদলে নাস্তিকতা বনাম ইসলাম রাখা হোক ইত্যাদি ইত্যাদি।
এ প্রসঙ্গেই কিছু কথা।

নবী মুহাম্মদের আদর্শ অনুসরন করে মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে বহিস্কার করছে


নবী মুহাম্মদের শিক্ষা হলো -যদি কোন ব্যাক্তি বা গোষ্ঠি দেশ ও জাতির জন্যে ক্ষতিকর মনে হয় , তাদেরকে দেশ থেকে উচ্ছেদ করে দিতে হবে। মুহাম্মদ যখন মদিনায় একটা ইসলামী রাজ্য গঠন করল, তখন সে ইহুদিদেরকে তার প্রধান শত্রু মনে করল , কারন তারা কোনভাবেই মুহাম্মদকে নবী হিসাবে মানল না। সুতরাং মুহাম্মদ সিদ্ধান্ত নিল গোটা আরব থেকেই ইহুদিদেরকে তাদের চৌদ্দ পুরুষের ভিটা মাটি থেকে বহিস্কার করবে ও সেটা অত:পর সে নিজে , পরে তার সাহাবিরা আন্তরিকতার সাথে পালন করে। মায়ানমার সরকার নবী মুহাম্মদের সেই শিক্ষা গ্রহন করেছে।

ভিতরের সত্ত্বা ফাঁসি দাও


নামাজ পড়ে না এক ওয়াক্ত
অথচ রোহিঙ্গা নিয়ে বাঙ্গালী মুসলিম ব্যস্ত,
হিন্দুস্থানে মুসলিম চল্লিশ কোটি
বৌদ্ধেরও জন্মভূমি বাংলার মাটি,
তবে যদি বৌদ্ধরা বিতাড়িত হয়
তাহলে হিন্দুস্থানে কেন মুসলিম রয়!
দু'কোটি হিন্দু বাঙ্গালী নির্যাতনের স্বীকার
আশ্রয় দেয় ভারত সরকার,
তখনতো মুসলিম পাঠায়নি
তবে কেন অবুঝের মত জঙ্গী বাণী!
মা-বাবা, ভাই-বোন, পাড়া-পড়শির নেয় না খবর
কিন্তু ত্রান উঠিয়ে কক্সবাজার রঙো সফর,
হায়রে বাঙ্গালীর ভন্ডামি দরদ
আর কতকাল অন্ধ মরদ!
বাংলাদেশের মুসলিম কেন করে ধর্ষণ
মুসলিম কেন হয় খুন

চলচ্চিত্র: What’s Eating Gilbert Grape



What’s Eating Gilbert Grape, ১৯৯৩ সালে মুক্তি পাওয়া হলিউডের এই চলচ্চিত্রটা অন্যতম সেরা কাজ বলে আমার মনে হয়েছে। সিনেমার পরিচালক লাসে হালস্ত্রোম। লেখক পিটার হেজেসের এ নামে রচিত উপন্যাসটির কাহিনীই চলচ্চিত্র আকারে নির্মীত হয়েছে।ছবিটির মূল দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনি ডেপ ও লিওনার্দো ডিক্যাপরিও। দুজনই অসাধারণ অভিনয় করেছেন।

মহাত্মা গান্ধী সম্পর্কিত মিথ


১ম মিথ:
মহাত্মা গান্ধী ইন্দিরা গান্ধীর স্বামীকে দত্তক নিয়েছিলেন।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর