নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

বই: ইছামতি, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়



বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (১৮৯৪-১৯৫০) আরেকটি অসাধারণ উপন্যাস 'ইছামতি'। যশোরের সুন্দরবনের পাশে ইছামতি নদী। উপন্যাসের পটভূমি ইংরেজদের দুঃশাসন, সেই সময়কার গ্রামীণ জীবনের চিত্র, বিভিন্ন প্রথা, কুসংস্কার ইত্যাদি।

ভাই গিরিশ চন্দ্র সেন হিন্দু হয়েও কোরআনের বাংলায় অনুবাদ করেছেন – সময়কাল যদি আজকের দিন হত – তাহলে তিনি কি বাহবা পেতেন?



আচার্য্য কেশব চন্দ্র সেনের পরামর্শে তার শিষ্য গিরিশ চন্দ্র সেন নিজে আরবি শিখে বাংলা ভাষায় কোরআন অনুবাদ করেছেন কি শুধু নিজের বিদ্যা জাহির করার জন্য? উত্তর হবে মোটেও নয়। বরং এটা ছিল একটা বিরাট পদক্ষেপ। বাংলার ধর্মান্তরিতরা মানুষের মধ্যে নবধর্মে দীক্ষিত হয়ে উঠা মানুষগুলো ওরা যেন তাদের নিজের ধর্মের আসল মানেটা বুঝতে পারে, তাহলে হয়তো তাদের মধ্যে হিংস্রতা থাকবে না। কিন্তু বাস্তবে কি তা হয়েছে? হয়নি বরং এর উল্টোটা হয়েছে। একারনেই জোর করে বলা যায় গিরিশ চন্দ্র সেন কোরআন বাংলায় অনুবাদ করার কাজটা ১৮৮১-১৮৮৬ সালে না এক বর্তমান সময়ে করতো – তাহলে তাতে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মারা দাবীউঠত সারা ভারতবর্ষ জুড়ে এবং ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের এককাজের মর্যাদা হিসাবে বহু হিন্দুর নির্ধন যজ্ঞ হত সোৎসাহে।

বুক রিভিউ - “সাক্ষী ছিলো শিরস্ত্রান”


তাজউদ্দীন যেন সেই গ্রীক পুড়ানের একেলিস । তার পরিণতি হৃদয় বিদারক , ট্র্যাজিক । এই বঙ্গ ভূখণ্ডে তার মত কাণ্ডারির গল্প যেন রূপকথাকেও হার মানায় । প্রচণ্ড হতাশাও ভিতরেও যিনি প্রতিজ্ঞা করেন হতাশ হওয়া যবে না , সেই মানুষটির পরিণতি হয় যখন রক্তাত্ত , নিথর দেহে জেলখানায় পড়ে থাকা তখন আসলে ইতিহাস থমকে দাড়ায় , বাঙ্গালীর ভাগ্যাকাশ থেকে ঝরে পড়ে আরো একটি উজ্জ্বলতম নক্ষত্র ।

মুখোশের ভন্ডামী


চলার পথে কিছু কিছু মানুষ দেখে কষ্ট লাগে।,আবার অবাক ও হই।মনে মনে হাসিও পায়।
বুঝতে পারি না আমদের চোখে দেখা কোনটা ভুল,কোনটা সত্য।
প্রতারনার এই পৃথিবীতে সত্য-মিথ্যা যাচা্ই করতে অদ্ভুত লাগে।
কনফিউজ হয়ে যাই কোনটা সত্য,কোনটা প্রতারনা।
জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে মিথ্যের সম্মুখিন হয়ে থাকি।ধীরে ধীরে সত্যটা সমাজ থেকে বিলিন হয়ে যায়।
আমরা কেউই বলতে পারবো না আমরা প্রতারনার স্বীকার হচ্ছি না।
যদি আমরা মনে করি মিথ্যা আমােক কোন প্রকার গ্রাস করে নাই,,তবে সেটা হবে আমার জন্য চরম মিথ্যা,।

বিশ্বাস, আস্থা ও ধর্ম ; আমার দৃষ্টিভঙ্গিমূলক আলোচনা।



মানুষ একটা সময় অসভ্য ছিলো। আকাশ হতে বজ্রপাত বর্ষিত হলে ভয় পেতো। এবং ভাবতো উপর হতে যেতে বর্ষিত হলো তবে নিশ্চই ওপরে কেউ আছে! ঠিক সে মূহুর্তের জন্য ঈশ্বর চিন্তা আসে মানুষের মানসে।

বাঙাল


“দিদি, এক বাটি আটা দিবেন? কাইল সক্কালে গম ভাঙ্গাইয়া আনলে ফিরত দিয়া দিমু।“ প্রতিবেশী একে অপরের কাছে থেকে ধার করে দিন গুজরান। এই প্রথা প্রচলিত ছিল ১৯৪৭-এর পর পূর্ব পাকিস্তান থেকে এপার বাংলায় আসা সহায় সম্বলহীন 'উদ্বাস্তু' নামক মানুষগুলোর মাঝে। এরা এবাংলার ঘটিদের কথিত 'বাঙ্গাল'। সকলেরই অবস্থা তখন প্রায় এরকমই!। জবর দখল করা জমিতে বসবাস, যার পোশাকি নাম-কলোনি। এবাংলার ঘটিদের মুখে মুখে ঘোরা এই 'বাঙাল' দের পেচ্চনে লুকিয়ে আছে বহু মানুষের সমূলে উচ্ছেদের, জাতি-দাঙ্গার নিদারুন ইতিহাস, যা বাবু কালচারের বেড়াজালে থাকা ঘটিরা জানল না, বা জানার চেষ্টাও তেমনভাবে করেনি!

একজন পিতা যখন মেয়ের ধর্ষক....


কিছু কিছু খবর শুনে একেবারে স্তব্ধ হয়ে যায়, বিষ্ময়ে অনেকটা বোবা করে আমাদের। মাঝে মাঝে ভাবি, দিন দিন মানুষের আচার ব্যবহার কোন পর্যায়ে নেমে যাচ্ছে। একজন পিতা তার মেয়েকে ধর্ষন করেছে। একবার না দুবার না, দীর্ঘ আট বছর ধরে! এটা শুনতেও তো লজ্জায় কান গরম হয়ে যায়। কিভাবে পারে মেয়েকে ধর্ষণ করতে? মেয়ের প্রতি এটা কোন ধরণের অনৈতিকবোধ? এই ও কি সম্ভব? যে ধর্ষকের কথা বলছি, তিনি একটি টিভি চ্যানেলের শব্দ প্রকোশলী। তার নাম আরমান হোসেন সুমন। তিনি তার স্ত্রীর আগের পক্ষের মেয়েকে ধর্ষণ করে আসছেন দীর্ঘ ৮ বছর ধরে। এতক্ষনে আপনারা মনে মনে হয়তো বলছেন, নিজের মেয়ে তো নয়। দ্বিতীয় স্ত্রীর পক্ষের মেয়ে। আমার কথা হল, হোক না দ্বিতীয় স্ত্রীর মেয়ে, তাই বলে দ্বিতীয় স্ত্রীর মেয়েকে ধর্ষন করা এটা কোন সভ্যতায় জায়েস? এটা নিজের মেয়েও তো হতে পারত। আর যেকোনো মেয়েকে ধর্ষণ করা যায় এটা কোন সভ্যতার রীতি? এর আগেও গত বছ রআমরা খবরে দেখেছি স্বয়ন পিতা নিজের মেয়েকে ঘুমের ওষৌদ খাইয়ে দিয়ে প্রতিরাতে মেয়েকে ধর্ষন করতেন।

ভজহরি গুণিনকে আর কোথাও দেখি না!


বাবা, চাচা কিংবা মামাদের চিঠিপত্র আসে না বহু দিন হয়। স্বাভাবিকভাবে তাই টাকাপয়সাও আসা বন্ধ। সংসারে এক ধরণের নির্জীবতা চলছে। সবাই কেমন যেনো অদ্ভুত নিরবতার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। প্রাত্যহিক কাজকর্ম যথা নিয়মে চললেও কোথায় যেনো ছন্দপতন হয়েছে। ভোরবেলা বোরো ক্ষেতের কামলাদের হাঁকডাক একটু সকাল হতেই রাখালের দুধ-দোহানো থেকে গোয়ালঘর থেকে গরু নিয়ে মাঠের দিকে রওয়ানা হওয়া সবই ঠিক আছে। কামলাদের সকালের খাবার খাওয়া থেকে বড়-ছোট সবার খাবারদাবার সবই হচ্ছে। কিন্তু একটা চাপা অশান্তি বিরাজ করছে সে স্পষ্ট। দাদি-দাদা কিংবা নানা-নানি থেকে অন্য সবার মধ্যেই এক ধরণের চাপা শংকা কাজ করছে। আমরা যারা এসব বুঝেও না বুঝার মতো এটাসেট

ইসলাম ধর্ম কী সমকামিতাকে অনুমোদন করে?


ইসলাম ধর্ম কী সমকামিতাকে অনুমোদন করে?

প্রচলিত উত্তর – “না, করে না”।

কিন্তু বর্তমান সময়ের বেশ কিছু রিসার্চারেরা তথ্য আর যুক্তির মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে সমকামিতার জন্য ইসলামে যে ধরণের শাস্তির কথা আমরা শুনে থাকি, তার কোন ভিত্তি কুরআন বা সুন্নাহতে পাওয়া যায় না। ।
“Progressive Muslims: On Justice, Gender, and Pluralism” গ্রন্থে যুক্তরাষ্ট্রের এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক Scott Kugle দেখিয়েছেন যে জেন্ডার ও লিঙ্গ বৈচিত্র্যের ব্যাপারে ইসলাম অনেক উদার। Kugle তাঁর গবেষণায় দেখিয়েছেন, ইসলাম সমকামী মানুষদের পরিত্যাগ করে না। বরং ইসলামে তাদের জায়গা আছে।

জঙ্গিবাদ-উগ্রবাদের মদদ দাতাদের ষড়যন্ত্র নির্মুলে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে কঠোর নজরদারি


বাংলাদেশ সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে নিরন্তর লড়াই করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার খুব সাফল্যের সঙ্গে দেশের আইন-শৃংঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখেছে এবং সাম্প্রতিক কালের সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষিতে আইন-শৃংঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরো জোরদার করা হয়েছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কারণে দেশ দ্রুত এ উগ্রবাদী ছোবল থেকে বের হয়ে আসছে। ধর্মীয় উগ্রবাদ ও উগ্রবাদী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর সাঁড়াশি অভিযান ও তাদের দমনের ফলে আতঙ্ক চেপে বসা সাধারণ জনগণের মনেও ধীরে ধীরে স্বস্তির ভাব ফিরে আসছে। সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জঙ্গি দমনে কঠোর অবস্থানের ফলে উগ্রবাদী

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর