নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন
  • সাহাবউদ্দিন মাহমুদ
  • দ্বিতীয়নাম
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • পৃথু স্যন্যাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

‘ধর্মের মার-পেঁচে মানব ধ্বংসের রুপরেখা এবং অশান্তির অন্যতম বীজ বুনে রাখা হয়েছে,।


জীবন শুধু একটাই আর সুযোগ আসবেনা দ্বীতৃয় কোনো। এটা স্বাভাবিক, মানুষ পৃথিবীতে এইভাবে জীবন ধারন করে এসেছে।তাই জীবনকে এমন রং দিয়ে রাঙ্গাবে যেন কোনো অতৃপ্তি তোমার মনকে গ্রাস না করে।পৃথিবী খুবই সুন্দর, তার চেয়ে সুন্দর বেঁচে থাকার অপুরান চেষ্টা। মানুষ সাধ্যেকে ছাড়িয়ে জয় করতে চাই আসাধ্যকে, আর তাতে কোন অন্যায় নেই।কিন্তু বিপত্তি তখনিই যখন সে নিজেকে স্বাধীনভাবে মেলে ধরার পয়াস চলাই,তখন তাকে আষ্টেপৃষঠ বেঁধে ফলার এক অফার চেষ্টা করে ধর্মীয় হীন মন-মানুষিকতার লোকেরা।

বাংলাদেশের মালাউনদের হয়ে কিছু মূল্যহীন কথা।


আমার বাংলাদেশের কিছু কিছু মুসলিম ভাইদের ধর্মানুভুতি দেখে আমার একটা কথা বার বার জানতে ইচ্ছে করছে। তা হলো, আপনাদের ধর্মানুভুতি কি নুনুর মাথায় থাকে? যে একটু নারাচারা পরলেই ওটা মাথায় চাড়া দিয়ে জেগে উঠবে! অবশ্য তা হতেও পারে, কেননা নুনুর মাথাটা তো জন্মের পর কেটে ফেলা হয়। যার কারনে চরম স্পর্স কাতর যায়গাটা ঢাকনা ছাড়া হয়ে পরে। কিন্তু সব মুসলিমের কেন হয় না? নাকি তাদের নুনুতে কোন অনুভুতিই নাই।
আসল কথা হচ্ছে যারা ইসলামিক অনুভুতি নিয়ে এতটা মাতামাতি করছে, তারা তাদের এই ইসলামিক অনুভুতিটা মনেহয় সর্বদা নুনুর মাথাতেই বহন করে থাকে।

মুসলিমের হিন্দুয়ানী নাম ব্যবহারঃ নাসিরনগরের ধারাবাহিকতায় ঠাকুরপাড়ায় সাম্প্রদায়িক হামলা


রংপুরের টিটু রায় যে ফেসবুকে ইসলাম ধর্ম অবমাননা করে কোন পোস্ট দেয়নি, সেটা আপাতত নিশ্চিত হওয়া গেছে। ১২ নভেম্বর ২০১৭, দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী মাওলানা হামিদী নামক একজন মুসলিম ঐ পোস্ট করেছিলেন!
আমার প্রশ্ন হচ্ছে, একজন মুসলমানকে কোন নও মুসলিমের নাম ব্যবহার করার অনুমতি ইসলাম দেয় কিনা? সেটা যদি হয় অপরাধমূলক কাজ, ইসলাম অবমাননার কাজ? মানে মাওলানা হামিদী কিংবা নাসিরনগরের জাহাঙ্গীর আলম, টিটু রায় কিংবা রসরাজ দাসের নাম ব্যবহার করে যে আকাম করেছে, ইসলাম কি সেটাকে অনুমোদন দেয়? আমার জানা মতে দেয় না!

বিশ্বাসের ভাইরাস - পর্ব তিন! নারী বলেই কি মেয়েরা অবহেলিত?


ফুটন্ত গোলাপের মত একটি শিশুর আগমন ঘটে এই পৃথিবীতে। আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে শিশুটির শারীরিক গঠন। পৃথিবীর সব ধরনের জীব জন্তু পশুপাখি একই নিয়মে বেড়ে ওঠে। মানুষও এটার বিপরীত নয়। বিবর্তনের কারণে আজকে মানুষের এই জায়গায় উপস্থিতি। মানুষের বিবর্তন হয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে, আর এখনও হচ্ছে।

যয়নব, মুহাম্মদ ও আল্লাহর নৈতিকতা ২:


উপসাগর অঞ্চলে অধিকাংশ মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে নারী ও পুরুষের মধ্যে স্বাভাবিক মেলামেশা একরকম নিয়ম করে বন্ধ করে দেওয়ার ফলে কিছু সংখ্যক মুসলমান পুরুষ বন্য পশুর মত আচরণ করে। যেমন ধরুন সৌদী আরবে একজন পুরুষ নারীর পা দেখে যৌন উত্তেজনা বোধ করতে পারে। অস্ট্রেলীয় ইমাম তাজ আল-হিলালী সারা শরীর কাপড় দিয়ে না ঢাকা নারীদেরকে আবরণহীন মাংস বলেছে ! তবে এটা কল্পনা করা কষ্টকর যে পঞ্চাশোর্ধ্ব একজন পুরুষ যার বহুসংখ্যক স্ত্রী এবং যৌনদাসী, সে স্বল্প-বসনা পুত্রবধূকে দেখে যৌন দানব হয়ে যাবে !

উৎসর্গ, ছিনালবাদী লেখক, দাউদ হায়দার’কে


নারী

নারী’র গর্ভে থেকে, পুরুষ তুই,
পৃথিবী’তে এলি, তা কী তুই ভুলে গেলি!
কেন তবে জন্মেই, তাকেই দিস গালি!
বেশ্যা!ছিনাল মাগি! আরও কতকি!

কৃষিকাজ কে শিখিয়েছিল তোকে?
জানিস কী তুই, তা?
তাহলে কেন রটিয়ে বেড়াস,
তার নামে’ই মিথ্যা?

তুই কী মনে করিস,
নারীর যৌনাঙ্গ, তোর বীর্য ফেলার জায়গা?
পাচ্ছে হাসি, ওরে তুই বড্ড বোকা!

শিশ্ন নিয়ে গর্ব করিস? ওরে মহাবীর!
ওই নিস্তেজ অংশ, সজাগ হয়,
স্পর্শে, নারীর।

মুসলমানদের বিধর্মী বিদ্বেষ ও অন্যান্য।


তৌহিদীবাদী তিন ধর্মের মধ্যে মোজেস অত্যাচারীর হাত থেকে বাচার জন্য পালিয়ে বেড়িয়েছে, জিসাসকে তো মেরেই ফেলা হয়েছে, আর মোহাম্মদ করেছে যুদ্ধবাজি। যার সাথেই মতে মিলে নাই, তাকেই কতল করেছে। যেই কাউন্টার দিয়েছে, তাকেই হাওয়া করে ফেলা হয়েছে। হোক সে অন্য ধর্মের, বা অন্য মতের, হোক সে কবি/বুদ্ধিজীবী/গল্পকার/চিন্তাবিদ, কেউ বাদ যায়নি। আর মারার জন্য অনুপ্রাণিত ও করেছে অন্যদের। যুদ্ধে গণিমতের মাল, নারীদেহ উপভোগ, মৃত্যুর পর বেহেশতি হুর পাওয়া, সব তার ডেলিবারেট প্ল্যানের অংশ।

এখনো সময় খেলে যায়


নিরবধি জেগে জোছনা এখনও, মনভোলানো রাতে
তার শাদারঙা মুখের ওপর ফুটে আছে সতরঞ্চির চাল
গেরুয়া প্রজাপতি অবচেতনে খুঁটে খেয়ে মগজ
ঢেঁকুর তোলে কৃতজ্ঞ বাসনায়; তার হারিয়ে যাওয়া,
হলদে পাঞ্জাবির কলারে লেখে গল্প; হ্যাঙ্কারে ঝোলে সুখ
আড়ালে বসে চড়কা কাটে রসিক রহস্যের মানুষ
আমি খুঁজি তাকে অনন্ত, বলি দেখা পেলে আড়ালে
"মিসির আলি, আপনি কোথায়?" আমিও অপ্রকৃতস্থ'
তিনি অন্য ভূ-লোকে বসে হাসেন মৃদু, কখনো বলেন,
'শোনো কবি, রহস্যের সাথে আবেগ মেশানো দুষ্কর'
আমি তার চোখের দিকে তাকিয়ে খুঁজি সন্ধানী প্রেম
তিনি জন্ম নিলেই আমি কবিতা লিখি, উৎসর্গী তাকে

মাদার অব হিউম্যানিটির দেশে ধুকছে মানবতা


শুরু করছি রবি ঠাকুরের একটি কবিতায়----

"ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো প্রভু,
পথে যদি পিছিয়ে পড়ি কভু।।
এই-যে হিয়া থরোথরো কাঁপে আজি এমনতরো
এই বেদনা ক্ষমা করো, ক্ষমা করো, ক্ষমা করো প্রভু।।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর