নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মুহাম্মদ ইমাম উদ্দিন
  • অপ্রিয় কথা
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • আব্দুর রহিম রানা
  • ধর্ম মোহন চাকমা

নতুন যাত্রী

  • প্রলয় দস্তিদার
  • ফারিয়া রিশতা
  • চ্যাং
  • রাসেল আহমেদ
  • আবদুর রহমান শ্রাবণ
  • হিপোক্রেটস কিলার
  • পরিতোষ
  • শ্যামা
  • শিকারী
  • মারিও সুইটেন মুরমু

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

মাননীয় প্রধান বিচারপতি, রাষ্ট্রের স্বার্থে আপনার সর্বোচ্চ শক্তি, সাহস ও ক্ষমতা প্রয়োগ করুন


রাষ্ট্র এখন ধর্মান্ধ-অক্টোপাসের খপ্পরে পড়তে যাচ্ছে। ধর্মের নামে ‘হেফাজতে শয়তান’ নামক অরাজনৈতিক ও সন্ত্রাসী সংগঠন অপরাজনীতি শুরু করেছে। আর এদের একমাত্র লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি হলো: যেকোনোভাবে, যেকোনোউপায়ে আর যেকোনোমূল্যে রাষ্ট্রক্ষমতাদখল করা। এরা আফগানী-তালেবানী-পাকিস্তানী পাশবিক-শাসন কায়েম করতে চায়। আপনি অবগত রয়েছেন, এরা চিরকালীন রাষ্ট্রবিরোধীঅপশক্তি। ধর্ম এদের মুখোশ মাত্র। আর ‘আল্লাহ-রাসুল’ এদের ব্যবসার আকাশে সাইনবোর্ড মাত্র। আসলে, এরা সংগঠিত হয়েছে—বাংলাদেশরাষ্ট্রকে ধ্বংস করতে। কারণ, এই ‘হেফাজতে শয়তানে’র জন্ম হয়েছিলো ১৯৭১ সালে—পাকিস্তানীদের ঔরসে। আর ১৯৭১ সালে, এরা পাকিস্তানী-আর্মিদের সঙ্গে কাঁধে-কাঁধ-মিলিয়ে, আর বুকে-বুক-লাগিয়ে যারপরনাই অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছিলো বাঙালির উপর। এরা সেই ‘হেফাজতে শয়তান’। আর সেই থেকে এরা আজও বাংলাদেশের সবকিছুকে ধ্বংস করার জন্য ক্রমশঃ মরীয়া হয়ে উঠেছে। আর এদের সর্বাত্মক সহায়তা করছে এদেশীয় চিহ্নিত-দালালশ্রেণী। এরা সবাই মিলেমিশে আজ বাংলাদেশরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ গিলে খাওয়ার ফন্দিফিকির করছে। আর দুঃখের বিষয় হলেও সত্য: বর্তমান সরকারও এদের খপ্পরে পড়ে গেছে। এখন জাতির ‘আশা-আকাঙ্ক্ষাপূরণে ও ভাগ্যরক্ষার ক্ষেত্রে’ আইনানুগ-অভিভাবক হিসাবে দায়িত্বপালন করতে হবে আপনাকে। হ্যাঁ, শুধু আপনিই এখন জাতির প্রত্যাশাপূরণ করতে পারেন। তাই, আজ জাতির প্রয়োজনে আপনার কাছে আমাদের সবিনয় নিবেদন:

উচ্চস্বরে আজান বিতর্ক


সনু নিগাম বলেছিলেন, "আমি মুসলিম না। তাহলে কেন আজানের শব্দে আমার ঘুম ভাঙানো হবে?"।ব্যাপারটিকে তিনি গুন্দাগিরির সাথে তুলনা করেছিলেন।এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছে।উঠায় উচিৎ কথাগুলো যে বলেছেন একজন হিন্দু সেলিব্রেটি।কোথাগুলো যদি কোন মুসলিম বলতো তবে এ নিয়ে কোন আলোচনা হতো বলে মনে হয় না।কেন এমনটা বললাম তার যথেষ্ট কারন আছে।এই বাংলাদেশেও এক দশক আগে মসজিদে মাইক ব্যাবহার নিয়ে এক শ্রেণীর আলেম বিরোধী ছিলেন।এখনও সেই ধারা বজায় আছে।

মিচিও কাকুর ঈশ্বর প্রাপ্তি ও আরিফ আজাদের তথ্যসূত্র বিভ্রাট


পদার্থবিজ্ঞানী মিচিও কাকুর নাম এদেশের উচ্চমাধ্যমিক পড়া বিজ্ঞানের অনেক ছাত্রই শুনে নি। আর সাধারণ মানুষ তো অনেক দুরের কথা। কিন্তু তাতে কী? মিচিও কাকুর নাম ধর্মব্যবসায়ীদের হাত ধরে ঠিকই পৌছে গেছে এদেশের ফেসবুকবাসীর মননে, মগজে। প্রথমত একাজটি করা হয় খ্রিষ্টান টুডে নামক ওয়েব পোর্টালে, যেখানে দাবী করা হয়, মিচিও কাকু বলেছেন এই মহাবিশ্ব ঈশ্বর নামক কোনো এক ম্যাথমেটিশিয়ানের তৈরী। সেই বক্তব্যটি প্রথমে বাংলাদেশের সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক কর্মীদের পোস্টে এবং তারপর একজন অনলাইন এক্টিভিটিস্টের (আরিফ আজাদ) হাত ধরে ছড়িয়ে পরে ফেসবুকের আনাচে কানাচে। যেই বক্ত্যবের খণ্ডাংশ নিয়ে এত আলোড়ন, সেই বক্তব্যের ক্ষুরধার বিশ্লেষণ করেছেন অনেকেই। তবে সমস্যাটা হচ্ছে এই বিশ্লেষণ পক্ষে না গেলে কেওই তা মানতে চান না, তাই সে সমস্যার সমাধানকল্পে এগিয়ে হলেন খোদ মিচিও কাকু নিজেই। ২০১৭ সালের ২৭ মার্চ প্রকাশিত এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাতকারে সুস্পষ্ট করলেন তার অবস্থান। কিন্তু কী বলেছিলেন তিনি? চলুন পড়ে ফেলি;

যে পরস্ত্রীকে ভাগিয়ে এনে বিয়ে করবে না , সে খাটি মুমিন না


নবী মুহাম্মদের আদর্শ অনুসরন করা প্রতিটা মুমিনের জন্য আবশ্যক। তার অন্যতম একটা আদর্শ কাজ ছিল পরস্ত্রীকে ভাগিয়ে এনে বিয়ে করা। মুহাম্মদের জায়েদ নামে এক পালিতপুত্র ছিল যার ছিল সুন্দরী বউ জয়নাব। একবার জায়েদের অনুপস্থিতিতে জায়েদের বাড়ীতে গিয়ে অর্ধনগ্ন জয়নাবকে দেখেই তার প্রেমে পড়ে যায় মুহাম্মদ। তারপরে নানা কায়দা কসরত করে, অবশেষে জয়নাবকে বিয়ে করে ঘরে তোলে সে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে পরস্ত্রী ভাগিয়ে বিয়ে করা একটা আদর্শ কাজ। কারন কাজটা করেছে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানব মুহাম্মদ।

#অযাচিত_বাক্যব্যয়...! চিঠির নাম- #নিষ্কাম_সত্য...!


শুভার্থিনী গলুমলু মৃত্তিকা,
লেখার হাতখানি মাঝেমধ্যে থেমে গেলেও তোমাদের কথা মনে হলেই লিখার জন্য কোথায় যেন প্রণোদনা খুঁজে পাই; তা কেমন আছো তুমি? কত্ত কথা জমা পড়ে আছে তোমাকে বলা হয়নি, সেটা যে তুমি জানো এবং বুঝো সেটা কিন্তু আমিও বুঝি! তোমার হৃদয় জানার জন্য একটু যে আকুপাকু করে সেটা আমি অন্তত একটুআধটু বুঝি!

সেদিন অভ্রকে লিখলাম, ও কোন প্রত্যুত্তর করলো না, ওযে কি ভাবে সত্যি বুঝিনা, ওর সারল্য সত্যি আমাকে মুগ্ধ করে, থাক সে কথা; তোমার কোন পাত্তা নেই কেন? তুমি কি মঙ্গলে চলে গেছো, কতকিছু ঘটছে তার কোন খবর রাখো, আমি বলছি শোনো তবে-

সংস্কারবাদীদের সিংহাসন লাভ ।


••••• ২০০৭ এর শুরুতে প্রায় গৃহযুদ্ধের সামনে থাকা একটি দেশে সেনাবাহিনীকে সামনে রেখে তিন বাহিনীর ক্ষমতা গ্রহনের পর দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলেই হঠাত উদ্ভব হয় “সংস্কারবাদির”. যারা কাজ করেছিল এবং চেয়েছিল যে রাজনৈতিক দলগুলিতে যেন একনায়িকাতন্ত্র আর না থাকে । দুটি রাজনৈতিক দলের নেতারাই তখন সাধারন ও সংস্কারবাদী এই দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে যায় একনায়িকাদের কারাবন্দির কারনে । কারাবন্দি থাকাকালীন নিজের মুসলমানির পরীক্ষায় এগিয়ে ছিলো বর্তমান হেড অব দা কালসাপ ও ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠি ওলামা লীগ/হেফাজতের মহিলা আমির মোসাম্মত শেখ হাসিনা ।

ফেসবুক থাকবে ......


দুনিয়ায় কোনো কিছুর প্রতি অতিরিক্ত আসক্তিকে নেশা বলা হয়। বস্তুত কোনো নেশাই ভালো নয়। যদি কোনো ভালো কিছুর প্রতিও নেশা হয়, তাও ভালো নয়। কারণ অতিরিক্ত আসক্তি স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত করে। পরিবার ও সমাজে অশান্তি সৃষ্টি হয়। বর্তমানে এদেশে টিভি সিরিয়াল দেখার নেশার পাশাপাশি যে নেশাটি ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে তা হচ্ছে ফেসবুকে আসক্তি। তবে শুধু আমাদের দেশেই নয়, এই নেশার আগ্রাসন এখন বিশ্বব্যাপী চরম আকার ধারণ করেছে। আধুনিক জীবনের সাথে সম্পৃক্ত অধিকাংশ মানুষই তাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য সময় এখন ফেসবুকে ব্যয় করে। অথচ যাপিত জীবনে সময় যে কত মূল্যবান তা আমাদের বোঝা উচিত। দুনিয়ার সব কিছু ফেরত পাওয়া গেলেও

সনু নিগম, আজান এবং শব্দ দূষণ


ঢাকা শহরে হাজার হাজার মসজিদ। এক গলিতেই দেখা যায় ১০-১২ টা মসজিদ। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাঙের ছাতার মত মসজিদ গড়ে ওঠে। মসজিদের নামে কারো জায়গা দখল করে নিলেও টু শব্দটি করতে পারেনা কেউ। একবার মসজিদ হয়ে গেলে সেটা ভাঙ্গার সাধ্য কারো নেই। তার উপর কোন ইলেক্ট্রিসিটি বিল,পানির বিল দিতে হয়না। এলাকার মানুষের দয়া দাক্ষিণ্যে গড়ে ওঠে মসজিদ। তাপর শুরু হয় মসজিদের চাঁদার নামে ভিক্ষাবৃত্তি। তারপর আসে একটা মাইক। শুরু হয় অত্যাচার।

মুহতারিমা শেখ হাসিনা, মানবতা শেখার জন্যে নওয়াজ শরীফের কাছে এক মাসের একটি প্রশিক্ষনের জন্যে দরখাস্ত করুন !



(জাতির সাথে শেখ হাসিনার প্রতারনার সাক্ষী হয়ে থাকবে এই ছবিগুলো, হয়তো নির্বাচনের ময়দানে শেখ হাসিনা এই ছবিকে ক্যাশ করবেন বহু মুল্যে, কিন্তু বাংলাদেশের সেকুলার সমাজের সংগ্রামের ইতিহাসে শেখ হাসিনা একজন উৎকৃষ্ট মানের প্রতারক হিসাবেই লিপিবদ্ধ হবেন, কোনও সন্দেহ নেই তাতে। এতে অবশ্য মুহতারিমা শেখ হাসিনার কোনও কিছুই যায় আসেনা, প্রতারক হবার বদলে যদি কোনও অর্থনৈতিক লস না হয়, তাতে কি আসে যায় বলুন?)

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর