নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 13 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • পৃথু স্যন্যাল
  • আব্দুর রহিম রানা
  • নুর নবী দুলাল
  • মাহিন রহমান সাকিফ
  • পান বিক্রেতা
  • নাস্তিকের আত্মকথা
  • দুরের পাখি
  • আবু মমিন
  • হাবিজাবি গল্পকার
  • আমি অথবা অন্য কেউ

নতুন যাত্রী

  • আতিক ইভ
  • সোহাগ
  • রাতুল শাহ
  • অর্ধ
  • বেলায়েত হোসাইন
  • অজন্তা দেব রায়
  • তানভীর রহমান
  • এমডি নুরুজ্জামান
  • দ্যা রেশনাল মাইন্ড
  • মি. এস.বি

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-২


কেউ এখন দর্শন নিয়ে পড়ালেখা করতে চায়না। সবাই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার কিংবা পেশাদার বিজনেজম্যান হওয়ার শিক্ষা অর্জন করতে চায়। সমাজ সেবা নয়, সবার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য টাকা উপার্জনের জন্যে পড়া-লেখা করা। আরেক শ্রেনীর উদ্দেশ্য ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা করা। মনে হয় ধর্ম নিয়ে খুব কম পড়াশোনা করেও প্রচুর অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।
পড়ালেখার মধ্যে ঢুকে গেছে কমার্শিয়াল চিন্তা। জ্ঞানার্জন নয়, যে বিষয়ে পড়াশোনা করলে চাকুরির বাজার ভালো সে বিষয়ের প্রতি ঝুকে পড়ছে শিক্ষার্থী-অভিভাবকগন।

অথচ জ্ঞানের প্রতি যার অনুরাগ তার দর্শন পড়ার কথা। দর্শন অন্যের মতের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাশীল হওয়ার শিক্ষা দেয়।

আর্যরা বহিরাগত নয়.... আর্য এবং দ্রাবির বরং একক জনগোষ্ঠী (দেবযানী ঘোষ)


আর্যরা বহিরাগত আক্রমণকারী- একটি ভুল ইউরোপীয় তত্ত্ব
⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛
অষ্টাদশ শতাব্দীতে এই তত্ত্বের উদ্ভব হয়। এই তত্ত্ব অনুযায়ী আর্য হলো ককেসিয় পার্বত্য অঞ্চল থেকে আসা গৌরবর্ণ, উন্নত নাক, নীল চোখের মানুষ যারা খ্রী:পূ: 1500 শতকে ভারত আক্রমণ করে। এরা ঘোড়ার ব্যবহার জানতো। ঘোড়ায় টানা রথ এদের প্রধান যোগাযোগের ব্যবস্থা ছিল। এরা লোহার ব্যবহার জানতো। এরা এদের সঙ্গে বেদ নিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল। সংস্কৃত এদের ভাষা ছিল।

ইসলামের ইতিহাস বদলে যাওয়া সেই হামলাটি


মদিনার পূর্ব নাম ইয়াসরিব। এই দেশ মূলত ইহুদীদের হাতে গড়া। তাদের প্রতিবেশী আরব যারা ধর্মে পৌত্তলিক তাদের দেশ ছিল আসলে ইয়ামানে। ইয়ামানের ইতিহাসে ভয়াবহ বন্যায় যে ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছিল তাতে তারা শরণার্থী হয়ে আশেপাশের দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। মদিনায় ইহুদিদের প্রতিবেশীরা তাদেরই বংশধর। তাদেরকেই ইসলামের ইতিহাসে ‘আনসার’ বলা হয় যার অর্থ সাহায্যকারী অর্থ্যাৎ তারা নবী মুহাম্মদকে সাহায্য করেছিল। অন্যদিকে ইহুদিরা গোটা আরব ভূখন্ডে এসে জড়ো হয়েছিল মূলত তাওরাতে ঈশ্বরকৃত তাদের দানকৃত দেশে বসবাস করতে

সিরিয়াস ট্রিটিজ অন ফেমিনিজম-১ , আদিপর্ব


দীর্ঘ ক্লান্তিকর কোন এক বিমানযাত্রায় সাথে নিয়েছিলাম রাহুল সাংকৃত্যায়ন এর ভোলগা থেকে গঙ্গা বইটি । পূর্ব এশিয়ার কোন এক বিমানবন্দরে লেওভারের একঘেয়ে সময়ে পড়তে শুরু করি । কিছুদূর পড়ার পর আর আগাইতে পারলাম না । গল্প শুরু কোন একটা মাতৃতান্ত্রিক গোত্রের শিকার কাহিনী দিয়ে । মাতৃতান্ত্রিক গোত্র জিনিসটা এমন উদ্ভট কিছু না । উদ্ভট ছিলো সেই গোত্রে চলমান অজাচার বর্ণনার কাহিনী । রাহুল এমনভাবে সেই গোত্রের জীবনাচরণ ও মেইটিং সিস্টেম এর বর্ণনা দিচ্ছেন যে কিছুদূর পড়ার পর ভিতর থেকে বৈজ্ঞানিক মন বলে উঠলো , ইহা একটি ধোঁয়া উঠা গোবরস্তুপ ছাড়া আর কিছুই নহে হে ।

আজি এই বৃষ্টি ভেজা


আজি এই বৃষ্টি ভেজা গোধূলি লগনে,
মন মোর দোলে ক্ষণে ক্ষণে।
দক্ষিনা বাতাসের ঢেউয়ে
ভাবনারা যায় কোথা মিলিয়ে।।

আজি আকাশে ভাসিছে কালো মেঘের ভেলা
তারি পানে চাহিয়া কাটিল যে মোর বেলা।
শ্রাবণ বালিকা নাচিয়া চলে;
তারই সাথে মন মোর দোলে।
রিমঝিম রিমঝিম সূরে
ভাবনারা যায় কোথা মিলিয়ে।।

আজি মনের কোনে জাগিছে স্মৃতি;
পুরোনো সেই ভুলে যাওয়া গীতি।
ভুলে যাওয়া সে রাগিনী
আজ তোলে হৃদয়ে প্রতিধ্বনি;
হারানো সে সূরের ঢেউয়ে
ভাবনারা যায় কোথা মিলিয়ে।।

২৩/৮/১৬ইং

অর্থনৈতিক উন্নয়নে রোল মডেল


বর্তমান সরকারের দারিদ্র্যজয়ের স্বপ্ন নিয়ে নেওয়া কর্মসূচিগুলো সারাদেশেই বাস্তবায়িত হচ্ছে। যোগাযোগ, অবকাঠামো, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, জাতীয় প্রবৃদ্ধি অর্জনে গত আট বছরে নেওয়া পদক্ষেপ জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা যেমন বেড়েছে, তেমনি জীবনযাত্রার মানও বেড়েছে। মাথাপিছু জাতীয় আয় ২০০৮ সালের ৬৮৬ ডলার থেকে বেড়ে এখন ১৪৬৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ৬ শতাংশে স্থির থাকা অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করে এখন প্রবৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ ছাড়িয়েছে। ২০১৯ সাল নাগাদ এটি ৮ শতাংশে উন্নীত হবে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন আকাশচুম্বী। এই রিজার্ভ ২০০৮ সালে ছিল ৬১৪ কোটি ডলার। এখন তিন হাজার দুশ কোটি

সাম্প্রতিক বির্তকঃ নারীবাদী বনাম মানবতাবাদী


বন্ধুরা ভিন্ন মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা রাখবে এই আশাতেই আমার বক্তব্য লেখা। আলোচনা – যুক্তি আসবে, কিন্তু গালি, মনোমালিণ্য, বন্ধু বিচ্ছেদ প্রার্থণীয় নয়। ব্যক্তিগত কোন আলোচনা কিংবা বিষয় ও এটি নয়, এটুকু বন্ধুরা বুঝে নেবে সেই আস্থা রাখছি

হে ধরণী, আমরা অবিচলঃ তীর্থের কুহকের কবিতাগুচ্ছ (২)


অবিচল , ও ধরণী, আমরা অবিচল -

নিপীড়নে দারিদ্র্য এসে দুয়ারে হাজির
খাদ্যশস্য নেই বরাদ্দ আমাদের জন্য কোন
আবহমান এ অবক্ষয় যেন সামাজিক আখ্যান ।

তরুণদের একটি প্রস্তাবনা ছিল
শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ থেকে জবাবদিহিতা হোক শুরু
সরকার কেন জনবিরুদ্ধ রাজনৈতিক দাবার চালে-
জনতাকে আবদ্ধ করেছে শেকলে ।

যদি আমরা দাড়াতে পারি- নির্ভয় চিত্তে
আওয়াজ উঠবে বজ্রকন্ঠে-
রাজনৈতিক ধনতন্ত্রের পাপাচার –ধ্বংস ও মৃত্যুর ব্যালট নিয়ে আসে ।

অবিচল, হে ধরণী, আমরা অবিচল
অবিচল, হে ধরণী, আমরা অবিচল।

"ও তে ওড়না"


ইংরেজি বছরের প্রথম দিন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে সারা দেশে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া হয়। এটা এখন আমাদের দেশে নববর্ষ উদযাপনের এক অনিবার্য অনুষঙ্গ। নতুন বইয়ের ঘ্রাণ শুঁকে অশেষ আনন্দে মন ভাসিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রস্তুত হয় নতুন ক্লাসে। বই বিতরণের এই উৎসবটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বছরজুড়ে কাজ করে যান পুস্তক লেখক, সম্পাদক এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অধিকর্তারা। কাজটির গুরুত্ব অপরিসীম এ জন্য যে এসব পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞানভাণ্ডার থেকে আহরিত তথ্যসম্ভারই শিশু শিক্ষার্থীর মনোজাগতিক গঠনের ভিত রচনা করবে।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর