নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মিশু মিলন
  • আরণ্যক রাখাল
  • মলি
  • মনিরুজ্জামান মানিক
  • হাকিম চাকলাদার
  • নুর নবী দুলাল
  • মোহাম্মদ আল আমীন

নতুন যাত্রী

  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার
  • ব্লুএস্ত এয়ে
  • বকুল আহ্সান
  • মকছুদ ওসামা
  • প্রজাপতি
  • তাওহীদুল ইসলাম
  • জিসান রাহমান
  • আজুর ব্রেইস

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

বাংলাদেশের বিজয় এবং বেপরোয়া হাতুরে


ছোটবেলার কথা মনে পরলে টেস্টের প্রথম দিনে খুব মনযোগ দিয়ে দেখতাম যে আজকে কিছু একটা ভালো হবেই। মাঝে মাঝেই বাংলাদেশ অনেক সুন্দর শুরু করতো। বিশেষত শাহাদাত হোসেন আর তাপস বৈশ্যদের কথা মনে পরে। এত কষ্ট করে সুন্দর একটা শুরুর পরে সবাই আবার খেই হারিয়ে চলে যেত বাজে টেস্ট খেলার উদাহরণ সৃষ্টি করতে।

ভালবাসা নাকি পবিত্র?


.......**...**...#ভালবাসা #নাকি #পবিত্র?...**...**.......

আমার জানতে ইচ্ছে করে, এটা কিভাবে নির্ণয় করা হল যে পবিত্র না অপবিত্র? যদি কোথাও (ধর্মীয় গ্রন্থ বিশেষ) বর্ণনা না করা থাকে তাহলে যারা ভালবাসার নাম করে হরি লুট করে বেড়াচ্ছেন তারা কারা? ভালবাসা দিবসের নাম করে যে শরীর লুটের প্রতিযোগীতা চলছে সেটা নাকি স্বর্গীয় সুখানুভুতি! আধুনিক যুগে ছল চাতুরির দিন শেষ। অথচ এখনো সে সব সুবিধাবাদীদের বানোয়াট নিয়মে হাস্য লিলায় বিলীন হয়ে যায় যৌবন। আমরাও শিকার হই তার বলিতে।

নৈতিকতা কি ধর্মের উপর নির্ভরশীল (প্রমান ভিত্তিক আলোচনা)( পর্ব-৩)


পূর্বে দু’পর্বে প্রমান দেখিয়েছি যে ধর্ম মানুষের নৈতিকতার খুব কমই নিয়ন্ত্রন করে থাকে । তবে ধর্ম যে মানুষকে নৈতিকতার প্রতি উৎসাহিত করে তাতে কোন সন্দেহ নেই । ধর্ম মানুষকে ভাল মানুষ হতে উৎসাহিত করে এবং সততার অনুশীলনে আহ্বান জানায় সেটা অনস্বীকার্য । এটি ধর্মের ভাল দিক ।

হোলির রঙকে দূষিত করতে ....


✔ মুসলমানের কাম হইলো বাতাস গরম করার বাহানা খুঁজে বেড়ানো । এই গরম বাতাস ছাড়া মুসলমান টিকতে পারবে না এমনকি মুসলমান আর মুসলমান থাকবে না । বাতাস গরম করতে গিয়ে মুসলমান নিজের মসজিদে লক্ষীর প্রতিমা রাখে , মসজিদে ময়লা রাখে, মাত্র ৫০ টাকার জন্য মসজিদের দেয়াল ভেঙে দেয়, কাবার উপর শিব ঠাকুর বসিয়ে দেয়, কোরান পুড়িয়ে দেয় ইত্যাদি ! নিজেরাই নিজেদের খুন করা তো মুসলমানদের কাছে ডাল ভাত রান্নার চাইতেও সহজ কোন কাজ !

ক্রিকেট প্রেমে একাকার দেশপ্রেম


ক্রিকেটে শত তম টেষ্ট ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপরীতে বাংলাদেশ জিতেছে।এটা নিঃসন্দেহে ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে একটা বড় অর্জন।বাংলাদেশের ক্রিকেট টিম আজকের অবস্থানে এসেছে গত কিছু বছর ধরে।এখন বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম প্রতিযোগিতা করার মত অবস্থানে পৌঁছেছে।দেশের মানুষ ক্রিকেটের এই জয় কে উল্লাসের সাথেই গ্রহণ করে।কিন্তু মধ্যবিত্তের একটা অংশ বরাবরই পরাজয়কে ভালো চোখে দেখেন না।ক্রিকেটে পরাজয়কে মেনে নিতে পারেন না।এটা উগ্র দেশপ্রেমের জায়গা থেকে ভালোই মনে হবে।কিন্তু কেউ যদি খেলার জায়গা থেকে দেখেন তবে সেটা স্বাভাবিক ঘটনা।

যে মঞ্চে অভিজিৎদার স্মরন সভার আয়োজন করা হয় ঠিক সেই মঞ্চের মুখ্যপাত্রের মুখে কি করে ধর্মিয় কিতাবের জয়জয়কার ধ্বনি উচ্চারন হয়?


যে মঞ্চে অভিজিৎ দার স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছিল, ঠিক সেই মঞ্চের মুখ্যপাত্রের মুখে কি করে ধর্মীয় কিতাবের জয়জয়কার ধ্বনি উচ্চারিত হয়?
আমার পক্ষে বোঝা সম্ভব হচ্ছে না ।
আমার মনে প্রশ্ন বাসা বেঁধেছে! কেমন যেন একটা রহস্যের কু ঘ্রাণ বের হচ্ছে! ছড়িয়ে যাচ্ছে সর্বত্র ।
ঐ যে একটা কথা আছে না, বাজারে দুই প্রকার ঘি পাওয়া যায়-
১।সুশ্রী আর
২।কুশ্রী...
ইমরান বাবু এখন বাজারের ঘি হয়ে গেছেন।
কিন্তু এখান থেকে আমি বিশ্রী রকমের কুশ্রী ঘিয়ের গন্ধ পাচ্ছি।

ধর্মানুভূতির উত্তালতা শুধুমাত্র বিপরীত ধর্মের মানুষদের জন্যই প্রযোজ্য


ধর্মানুভুতির অভিযোগ যখন রসরাজের উপর।
ফলাফল, নাসিরনগরে ৩৫০ হিন্দু পরিবার গৃহ ধ্বংস, ১৫ অধিক মন্দির-বিগ্রহ ধ্বংস। প্রাণভয়ে ছয়টি পরিবারের দেশত্যাগ। রসরাজের দুইমাস কারাভোগ। বিবিসি নিউজের কমেন্টে গালি ও ঘৃণার ছড়াছড়ি।
সারাদেশ উত্তাল। রসরাজের ফাঁসি চাই দাবি।
শেষে প্রমাণ হলো ঘটনাটি ঘটিয়েছে জাহাঙ্গীর।
উত্তাল জনতা এবার চুপ!!

ও পৃথিবী এবার এসে বাংলাদেশ নাও চিনে....


পৃথিবীতে মাত্র দুইটি দেশ আছে,যারা স্বাধীন হবার আগে নিজেদেরকে স্বাধীন বলে ঘোষণা দিয়েছে।
একটি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অপরটি আমাদের বাংলাদেশ।

একসময় বাংলাদেশকে বলা হতো 'তলাবিহীন ঝুড়ি'!
সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হ্যানরী কিসিঞ্জারের দেয়া এই অপবাদ থেকে অনেক আগে এদেশ মুক্তি পেয়েছে।

যারা 'তলাবিহীন ঝুড়ি' বলে আখ্যা দিয়েছিলো আজ আমরা তাদের 'তলা' ঢেকে দিচ্ছি।
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি যেদেশে পোশাক রপ্তানি করে, সেদেশ হল ঐ হ্যানরী কিসিঞ্জারের যুক্তরাষ্ট্রতে।

নান্দনিক রূপে ঐতিহ্যবাহী ক্বীন ব্রিজ


ক্বীন ব্রিজটির ইতিহাস অনেক পুরাতন। ব্রিটিশ আমল থেকে এই ব্রিজটি অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার নীরব সাক্ষী। সিলেট সার্কিট হাউজের পাশে বলে দৃষ্টিনন্দন এই ব্রিজের গুরুত্বও অনেক। এই ব্রিজের ওপর থেকেই তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আয়ূব খানকে জুতা ছুঁড়ে মেরে ছাত্র জনতা তাকে প্রত্যাখ্যান করেন। ১৯৩৬ সালে আসামের গভর্নর মাইকেল ক্বীনের নামে শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সুরমা নদীর উপর এই ব্রিজটি নির্মিত হয়। দিনের আলোয় ব্রিজটি দৃষ্টি কাড়লেও রাতের আঁধারে থাকতো। অনেকটাই লোকচক্ষুর আড়ালে। তাছাড়া রাতের বেলা ব্রিজের উপর ছিনতাইয়ের শিকার হত পথচারীরা। এ অবস্থার নিরসন ও পর্যটন শহর সিলেটের আকর্ষণ আরো বাড়িয়ে দিতেই ঐতিহাসিক এই ব

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর