নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • আকাশ লীনা
  • সীমান্ত মল্লিক

নতুন যাত্রী

  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম
  • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
  • এলিজা আকবর
  • বাপ্পার কাব্য

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

সংখ্যালঘু নির্যাতনের আড়ালে যারা মুখ লুকিয়ে হাসে!


রংপুরে হিন্দুদের বসতভিটা যখন পুড়ছিল তখন রসরাজকে ভারতে পাঠিয়ে, শ্যামলকান্তিকে জেলের ঘানি টানিয়ে মাদার অব হিউম্যানিটি অশ্রু বিসর্জন করছিলেন। না, তিনি নিরোর মত বাঁশি বাজাচ্ছিলেন না। তিনি সত্যিই কাঁদছিলেন, তবে শান্তিতে নোবেলের জন্য।
নাসিরনগর ট্র্যাজেডীর বিচারহীনতার ধারাবাহিকতায় আবারো রংপুরে সংখ্যালঘু হিন্দুদের বসতবাড়িতে আগুন দিয়েছে সংখ্যাগুরু মুসলিমরা। ইন্টারনেটের যুগে এই সংবাদটি বিস্তারিত বর্ণনার প্রয়োজন নেই। আমি বরং লিখতে এসেছি এই ঘটনা পরবর্তী সৌদি অর্থায়নে পরিচালিত বিশেষ কিছু মুসলিম আইডি, পেজ এবং তাদের জুতা লেহনকারীদের ইতরামির জবাব দিতে।

রাজনৈতিক ইসলামের সাথে সেক্যুলার গণতন্ত্রের দ্বন্দ্ব!



রংপুরে সাম্প্রদায়িক হামলার ছবি ও এই ঘটনা কারা কিভাবে ঘটিয়েছে, এ সম্পর্কে প্রায় সব তথ্যই আমরা এখন জানি।

একজন "হিন্দুর" নামে ফেসবুকে "ধর্ম অবমাননার" গুজব ছড়িয়েছেন একজন মাওলানা হামিদি। কর্মী ও সমর্থকদের সমাবেশ ঘটিয়েছেন ওলামা দলের ও জামাতে ইসলামীর নেতারা। এদের একজন, জামাত নেতা ও মসজিদের ইমাম সিরাজুল ইসলাম এখন পুলিশ হেফাজতে।

পিনাকী ভট্টাচার্য্য একজন ঘৃনাজীবী।


পিনাকী ভট্টাচার্য্য একজন ঘৃনাজীবী। তিনি খুব সুকৌশলে বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যাগুরু ধর্ম ভীরু মানুষের অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে তাদেরকে উস্কানো, বিদ্বেষ ছড়ানো এবং সহিংসতা সৃষ্টির কাজ করে চলেছেন বলেই আমার বিশ্বাস।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছেন , দেশের প্রগতিশীল মুক্তমনা তরুণদের বিরুদ্ধে মৌলবাদীদের প্রতিনিয়ত উস্কাচ্ছেন, উগ্র মৌলবাদী সংগঠনগুলোর এজেন্ডার পক্ষে লেখালেখি করছেন। সর্বোপরি দেশে একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করার জন্যই বোধ করি তার প্রানান্ত চেষ্টা।

আলোচনা, সমালোচনা ও পর্যালোচনা.........।


বাংলাদেশের বিখ্যাত সুবিধাবাদী দার্শনিক, পর্যালোচক, সমালোচক পিনাকি ভট্টাচার্যের মতে রংপুরের ঘটনার জন্য দায়ী হিন্দু ও প্রশাসন। তিনি টিটু রায়ের এফবি আইডি থেকে জানতে পেরেছেন যে তিতু রায় মারাত্মক রকমের উসকানি দিয়েছিল। কিন্তু তিনি এটা বুঝতে পারে নি এটা তার আইডি কিনা? টিটুর এফবি আইডির নাম Md titu. এই আইডি থেকে অনেক অশ্লীল ছবি আবার পারিবারিক ছবিও শেয়ার করা হইছে। জানি না তার মানসিক সমস্যা আছে কিনা?

মুসলমানরা কি নিজেদেরকে হিংস্র ও বর্বর জন্তু বা জানোয়ার ভাবে ?


গত দুইদিন আগে এদেশের মুসলমানরা রংপুরের গঙ্গাচড়ায় হিন্দুদের বাড়ী ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে।কারন মুসলমানদের ভাষায়, তাদের অপরাধ তারা মানুষ না , বরং হিন্দু।আর মুসলমান হিসাবে তাদের দায়িত্ব হলো সময়ে অসময়ে, নানা অজুহাত তুলে হিন্দুদের ওপর আক্রমন করতে হবে। যদি তারা নিজেদেরকে মানুষ মনে করত , আর হিন্দুদেরকেও মানুষ মনে করত , তাহলে নিশ্চয়ই ঠুনকো অজুহাত তুলে মানুষ হয়ে মানুষের ওপর এই ধরনের জ্বালাও পোড়াও করত না। আর এই ধরনের বর্বরতা করতে পারে একমাত্র বর্বর ও হিংস্র জানোয়ার।

বিশুদ্ধ চিত্তই প্রকৃত তীর্থ।


ধর্মের আনুসাঙ্গিক বিধানই কেবল মানুষ্য অন্তরকে শুদ্ধ করে না। ধর্মই যদি সিদ্ধি লাভের একমাত্র রাস্তা হতো তবে ভ্রক্ষান্ডে ধর্মের এতো বিভাজন, এত বিভেদ তৈরী হতো না। মসজিদ-মন্দির-গীর্জা-প্যাগোডার নিরেট তক্তোপোসের উপর শুধু কপাল চাপরালেই, শুধু ফোটা কাটলে, স্নান করলে, পুঁথি পাঠ করলেই ধার্মিক হওয়া যায় না।

Break up song...


Break up song...
-----------------------------
ব্রেক আপ সং মানে কি? সোজা কথায় ভাঙ্গনের গান।শুনলেই মনে হয় যেন হৃদয়, মন,কলিজা ভেঙ্গে যাবার সাথে সাথে পাজরের হাড় হাড্ডিও সব ভেঙ্গে আসবে।আসলেই কী তাই? আমরা যা দেখি,যা ভাবি তার সাংবিধানিক নিয়ম অথবা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কি একই গান গায়?বিষয়টি নিয়ে অল্প স্বল্প ভাবলেই সবটা না হলেও মূলাংশ স্বচ্ছ হয়ে যায়।

ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন বিষয়ক আইন


যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ কেবল অপরাধ নয়, এটি একটি ব্যাধি। এটি কেবল ব্যক্তি বিশেষের তথা অপরাধীর ব্যাধি নয়, পুরো সমাজেরই ব্যাধি। বর্তমানে পুরো বাংলাদেশে যেভাবে মহামারীর মত এই ব্যাধিটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এর আশু চিকিৎসা আবশ্যক হয়ে পড়েছে। এখান থেকে মুক্তির জন্যে তীব্রে সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক আন্দোলন দরকার। যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ নিয়ে আইনী আলোচনা এই আন্দোলনের খুব ছোট একটি অংশ, কেননা এটি কেবল দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের উপরে দৃষ্টি দেয়। কিন্তু দুষ্টের দুষ্ট হয়ে ওঠার মনস্তাত্ত্বিক তথা সামাজিক- সাংস্কৃতিক- রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট যেহেতু আইনের আওতাধীন নয়, সেহেতু সে দুষ্টের দমনের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত তৈরি করে সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলের চেষ্টা করে। সে কারণেই কেবল যথাযথ আইন ও বিচার ব্যবস্থা দিয়েই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। কিন্তু আইনের মাঝেই যদি গলদ থাকে, বিচারে যদি ফাঁকি থাকে, তবে সাধারণ মানুষের যাওয়ার আর কোন জায়গাই থাকে না। সে জায়গা থেকেই আইন-আদালতের আলাপটাও খুব জরুরি। আলোচ্য লেখায় বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ বিরোধী আইনগুলোর পর্যালোচনা করা হয়েছে, তা করতে গিয়ে অন্যান্য দেশের এ সংক্রান্ত কিছু আইনের সাহায্যও নেয়া হয়েছে।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর