নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রুদ্র মাহমুদ
  • পৃথু স্যন্যাল
  • সুষুপ্ত পাঠক
  • বেহুলার ভেলা
  • নিটোল আরন্যক
  • মো.ইমানুর রহমান
  • সুজন আরাফাত

নতুন যাত্রী

  • রমাকান্ত রায়
  • আবুল খায়ের
  • একজন সত্যিকার হিমু
  • চক্রবাক অভ্র
  • মিস্টার ইনকমপ্লেইট
  • নওসাদ
  • ফুয়াদ হাসান
  • নাসিম হোসেন
  • নেকো
  • সোহম কর

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

বাংলাদেশে ব্লগারদের রক্তাক্ত লাশ আর সারা পৃথিবী জুড়ে ইসলামিস্টদের গনহত্যার সাল, ২০১৫ সাল!


২০১৫ সাল আমাদের যা দেয়নি, তারচেয়ে কেড়ে নিয়েছে অনেকগুন বেশি। ২৬শে ফেব্রুয়ারি আমরা হারিয়েছি একজন বিজ্ঞানমনষ্ক ও অত্যন্ত প্রগতিশীল লেখক, ধর্মান্ধদের "বিশ্বাসের ভাইরাস"-এর প্রতিরোধক, ড: অভিজিৎ রায়কে। বন্যাদি হারিয়েছে তাঁর একটি আঙ্গুল। হারিয়েছি ওয়াশিকুর বাবু, অনন্ত বিজয় দাশ ও নিলয় নীলের মতো ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কারের তুখোড় সমালোচক একেকজন মুক্তচিন্তক আলোর দিশারীকে। হারিয়েছি আমরা একজন মুক্তচিন্তার সাহসী প্রকাশক (জাগৃতি প্রকাশন) দীপনকে। এঁরা ঘোর অমানিশায় নিজ দায়িত্বে আলোর মশালটা সবসময় ঠিকভাবে জ্বালিয়ে রাখতো, যাতে ধর্মান্ধ মানুষগুলো মধ্য যুগীয় বর্বর অন্ধকারের দিকে ধাবিত না হয়। তারা ধর্মের রুঢ়তা, সহিং

ভোগবসতু - নারী না পুরুষ ?


আমাদের সমাজ , বলাই বাহুল্য আমরা ছোটবেলা থেকে জানি ( যদি আমি একজন মেয়ে হই , তবে জানার পরিধি অসীম এবং ভয়ানক ) পুরুষশাসিত।

যদি আমি মেয়ে হই , তবে আমি জানি - আমি মেয়ে , ফুলের চেয়ে নরম, ভীষণ পূত-পবিত্র আমার শরীর । সেটাকে পবিত্র রাখা আমার দায়িত্ব এবং অন্যের দ্বারা অপবিত্র হলেও দায়ভার আমারই !!

জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার পথে বাংলাভাষা


বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার চেষ্টা চলছে। বাংলাকে জাতিসংঘ দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে যাতে গ্রহণ করে এরজন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বাংলা ভাষা ব্যবহারে সকলকে বিশেষ করে নতুন প্রজন্মকে বাংলা শব্দের বানান ও উচ্চারণ সর্ম্পকে আরো সতর্ক হওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, ইদানিং বাংলা বলতে গিয়ে ইংরেজি বলার একটা বিচিত্র প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জানি না, অনেক ছেলে-মেয়ের মাঝে এখন এটা সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে গেছে। এভাবে কথা না বললে যেন তাদের মর্যাদাই থাকে না, এমন একটা ভাব। তিনি বলেন, এই জায়গা থেকে আমাদের ছেলে-মেয়েদের বেরিয়ে আসতে হবে। যখন যেটা বলবে সঠিকভাবেই উচ্চারণ করবে এবং বলবে। তিনি ভাষা আন্

একটি অন্যরকম মুভির কথা ৷


ভারতের সবুজ পাহাড়ঘেরা রাজ্য কেরালা ৷ যেখানে হিন্দু মুসলিম খ্রীষ্টান বৌদ্ধরা মিলেমিশে বসবাস করে৷ যাদের রয়েছে নিজস্ব ফ্লিম ইন্ডাস্ট্রি ৷ খুবই স্বল্প বাজেট আর সাধারন কাহিনী নির্ভর সাবলীল অভিনয় দিয়ে তৈরী হয় হয় মুভি ৷ এটা মালালায়াম মুভি নামে পরিচিত ৷
সবচাইতে বড় কথা এরা মুভি তৈরী করে নিজস্ব সংস্কৃতি নিয়ে,যেখানে থাকেনা পাশ্চাত্য ফ্যাশন কিংবা বলিউডের মাসালা আইটেম সং ৷

শফির 'সঠিক পথের' দাওয়াত, ও দমফাটা হাসির সব উত্তর


“বাংলাদেশে একদল নাস্তিক নানা ধরনের বিতর্কিত কাজ করছে।” তাদেরকে সঠিক পথে আসার আহ্বান জানিয়ছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা আহমদ শাহ শফি – এই হইলো এক অনলাইন পত্রিকার খবর। সেই খবর ফেসবুকে শেয়ার দেয়ার পর কমেন্টের বন্যায় ভাইস্যা গেলো। এই প্রথম দেখলাম ছাগুসমাজ অসহায়ের মত ম্যা ম্যা করতাছে। আর লুকজন শফিরে জ্ঞান দিতাছে, গাইল পাড়তাছে…আরো কতো কি!!!

প্রজন্মে একুশ


প্রজন্মে একুশ
আরে নাহ! আমি বায়ান্ন দেখব
কীভাবে?
আমার জন্মতো আরো অনেক পরে
আমার বাবা? হ্যাঁ, তিনি হয়তো
দেখে থাকবেন।
হ্যাঁ, শুনেছিই তো, কত্ত শুনেছি!
যুদ্ধ হয়েছিল সে সময়,
কয়েক লক্ষ লোক মারা গিয়েছিল
তারিখ? সম্ভবত ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৫২।
বাহঃ! মনে থাকবেনা?
এটা আমাদের গর্ব, আমাদের
অহংকার।
বীরশ্রেষ্ঠ রফিক, সালাম, কামাল
আরোও নাম না জানা কয়েক হাজার
ওদের কীভাবে ভুলি বলুন?
হ্যাঁ, প্রভাতফেরী হলো.....
ও হ্যাঁ, ঐদিন কতগুলো লোক কী যেন
একটা গান গায় সকালে।।
না, যাওয়া হয়না।

৯০% মুসলমানের কাছে আওয়ামিলীগের একটি ইসলামী রাষ্ট ব্যবস্থার অঙ্গিকারনামা...


প্রিয় ৯০% মুসলিমগন, তোমরা শুধু আমাদের আজীবন ভুলই বুঝে গেলে। আজীবন মনেই করে গেলে আওয়ামিলীগ সরকার মানে হিন্দুয়ানি সরকার। এই দেখনা, পাঁচ মাসে চার নাস্তিক হত্যা হল, আমরা নাস্তিক হত্যার বিচার করছি কি? তোমাদের ধর্মকে প্রাধান্য দিয়েই আমরা তো আমরা রাষ্ট চালাচ্ছি। বিএনপি-জামাত কি কখনো ৫০০ মসজিদ নির্মাণের কথা বলেছে?

শ্রদ্ধা নাকি প্রচার


আজকে একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম যারা শহীদ মিনারে ফুল দিল তারা প্রায় সবাই ফুলের মাঝখানে তাদের নামটা লিখে দিয়েছে। আচ্ছা এই নাম লেখার উদ্দেশ্যটা কি? ভাষা শহীদরা কি এই নাম দেখতে পারবে? যদি না পারে তাহলে এই নামের উদ্দেশ্য কি প্রচার করা? আর যদি প্রচার করাই উদ্দেশ্য হয়ে থাকে তাহলে যে বলে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাই, সেই শ্রদ্ধাটা কোথায়?

কিভাবে বাংলা ইংরেজিতে স্থান করে নেবে


আমরা সাধারণত বাংলা হরফে ইংরেজি লিখি। কিন্তু আসলে করা উচিত উল্টোটা। কারণ, বাংলা হরফে ইংরেজি লিখলে অনেক অপ্রয়োজনীয় ইংরেজি শব্দও ঢুকে পরে বাংলা ভাষায় পারিভাষিক হিসেবে যা আসলে বাংলার জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর। আমরা যদি ইংরেজি হরফে বাংলা লিখি তাহলে অনেক বাংলা শব্দ ঢুকে পরবে ইংরেজি ভাষায়। তখন আপনাকে আর অন্যের ভাষা ধার করে বা নির্ভর করতে হবেনা। আপনিই হয়ে উঠবেন প্রভাবশালী। যেটা ভারতীয়রা করে আসছে। তারা ইংরেজিতে হিন্দি লিখছে। ধরুন, অমিতাভ তার ফেসবুকে লিখেছেনঃ

শহীদমিনারে মূর্তিপূজা হয়?


দলে দলে আগের দিন নিরামিষ খেয়ে, সারাদিন উপোষ করে, ফুল নিয়ে শহীদমিনারে গেলেন। সেখানে, মন্ত্রপাঠপূর্বক শহীদবেদীতে ব্রাহ্মণেরা পুষ্প অর্পণ করছেন, নতমস্তকে প্রণাম করে পুরুষেরা ধনসম্পত্তি চাচ্ছেন এবং কেউ কেউ দীর্ঘায়ু কামনাপূর্বক স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভের চেষ্টা করছেন, কেউবা আরোগ্য লাভের জন্য দু'হাত জোর করে প্রার্থনা করছেন, সন্তানহীন মা; সন্তান লাভের জন্য আকুতি জানাচ্ছেন। ঠিক এমন দৃশ্য শহীদমিনারের পাদদেশে কেউ দেখেছেন?
যদি উত্তর না হয়, তাহলে, শহীদমিনারে ফুল দেয়া মূর্তিপূজা হয় কিভাবে? মূর্তিপূজা মানে কোন প্রতিমা তৈরী করে, কাল্পনিক রুপদানপূর্বক তার পূজা করাকে বুঝায়।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর