নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রুদ্র মাহমুদ
  • রাজিব আহমেদ
  • তায়্যিব
  • রুবেল হোসাইন
  • দিন মজুর

নতুন যাত্রী

  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ
  • দীপ্ত অধিকারী
  • সৈকত সমুদ্র
  • বেলাল ভুট্টো
  • তানভীর আহমেদ মিরাজ

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

অভিন্ন সুর ও প্রায় অভিন্ন কথায় জসীম উদদীন ও শেখ ভানুর গান


নিশীথে যাইও ফুলো বনে, রে ভ্রমরা গানটি ইউটিউবে শুনতে শুনতে মনে হল একই গান একই সুর কিন্তু কথা মনে হয় ভিন্ন। এর পর একটু সার্চ করার পর মনে হল আসলেই তো। একই গান একই সুর কিন্তু ভিন্ন কথার পেছনে কিছু কারন তো অবস্যই আছে।

কিন্তু, আমার মনে প্রশ্ন জেগেছে কেন পল্লিকবি এই দ্বিতীয় গানটি রচনা করলেন?

শেখ বানু ( ১৮৪৯ - ১৯১৯).
সুফি দার্শনিক কবি শেখ ভানু হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার বামৈ ইউনিয়নের ভাদিকারা গ্রামে ১৮৪৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন ।আর তিনি মৃত্য বরণ করেন ১৩২৬ বঙ্গাব্দের ( ১৯১৯ সাল ) ৩ কার্তিক।এ পর্যন্ত তাঁর লেখা প্রায় শতাধিক গানের সন্ধান পাওয়া গেছে ।

অস্রসস্র নিয়ে রক্তাক্ত সাজ সেজে মা দেবী সন্তানদের কি ধরনের নৈতিকতা শিখায়?


দেবী দূর্গার সাজ কিছুটা শালীন ও ভদ্রতা থাকলেও দেবী কালীর সাজ শুধু নিশংসই নয়,নোংরাও।
মাতাল স্বামী শিবকে স্বর্গ রেখে স্বপরিবারে মর্ত্যে নেমে আসে সিংহবাহিনী দূর্গা।তার দশ হাতে দশটি অস্র, সে অস্রের আঘাতে রক্তাক্ত মহিষাসুর।দূর্গার দুপাশে তার সন্তান ও সঙ্গীরা।শাড়ী পড়া অসাধারন সুন্দর রূপ ম্লান হয়ে যায় দেবীর মারামারি দৃশ্যে।

কোরানের আল্লাহই আসলে শয়তান


প্রতিটা ধর্মে দেখা যায় , শুভ শক্তির আধার সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বর , আর অপশক্তির আধার শয়তান বা এ জাতীয় কেউ। কোরানে সেই ইশ্বরকে আল্লাহ নামে ডাকা হয়েছে। এখন কোরান পড়লে আল্লাহর যে চরিত্র বা কাজ কর্ম দেখি , তাতে দ্ব্যর্থহীন ভাবে প্রমানিত হয় যে , এই আল্লাহই আসলে শয়তান। যেমন - আল্লাহ হবে ন্যায়বান , সমদর্শী , ন্যায় বিচারক , দয়ালু ইত্যাদি। কিন্তু কোরানের আল্লাহকে দেখা যায় , সে নির্মম নিষ্ঠুর কুটিল অনৈতিক এবং এমন কি অপরাধ কার্যক্রমের দোসর- যা আসলে শয়তানের বৈশিষ্ট্য হবে। নিচে বিভিন্ন পয়েন্ট দেখান হলো , কেন আল্লাহই আসলে শয়তান।

অবিশ্বাসীর মনস্তত্ত্বঃ মুখবন্ধ


উৎসর্গঃ সে সকল অবিশ্বাসী বন্ধুদের; যারা চিন্তাশীল এবং সত্য সন্ধানে উন্মুখ, পরিশ্রমী ও সৎ ...

মুখবন্ধ

বাঙ্গালী মুসলমান মানেই সুবিধাবাদী এবং ক্ষমতা লোভী: ইকরামুল শামীম


মাটি দিয়ে তৈরি করলে মূর্তি, পাথর দিয়ে ভাস্কর্য, হাতে কিংবা ক্যামেরায় স্থীর চিত্র।

বাংলাদেশের কওমী মাদ্রাসা ব্যাতীত প্রতিটি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল তথা বড় আলেমের কক্ষে সরকার দলের নেতা নেত্রীর ছবি, বড় বড় রেস্তোরাঁর দেওয়ালে বিভিন্ন প্রাণীর আঁকা চিত্র, হুজুরেরা যে টাকা নিয়ে ঘুরছে তাতেও ছবি আছে। ইসলাম ধর্মে স্পষ্ট নিষেধ আছে এবং বলাও আছে, যে ঘরে প্রাণী কিংবা কারো ছবি থাকে সে ঘরে রহমতের ফেরেস্তা প্রবেশ করে না। এমনকি নামাজ পড়লেও নামাজ হবে না। তাহলে কিভাবে মৌলভীরা ছবি তুলে, টিভির পর্দায় কিংবা খবরের শিরোনাম হয় আমার বোধগোম্য হচ্ছে না।

নারীবাদি মানেই তসলিমা নাসরীন!


এর চেয়ে দুঃখজনক বিষয় আসলে নেই, যখন নারীদের সামাজিক অগ্রগতির ধাবমান পথ থেকে নারীরাই নারীদের বিচ্যুত করে।পুরুষদের যতোটা দোষারোপ আমরা করি নারীদের মধ্যে সেই সমস্ত নারীদের ছেড়ে কথা বলে যেমন একচেটিয়া পুরুষদের নন্দঘোষ করছি, তেমনি পাড় পেয়ে যাচ্ছে সেই সমস্ত নারীরাও।যা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

মূলতঃ সত্যিই যদি আমরা নারীদের অগ্রগতি চাই তাহলে সমস্যার গোড়া ধরে উপড়ে ফেলুন আগাছা। আননেসাসারী পুরুষদের এক চেটিয়া দোষ দিয়ে আসলেই কোন ফায়দা নেই। বরংচ,আজকাল উঠতি বয়সী ছেলেগুলো যথেষ্ট সমাজ সচেতন এবং নারীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দু'চারটে নরদমার কীট আগেও ছিলো, ভবিষ্যৎেও থাকবে। তাদের জন্য ভিন্ন এটেম্প নিতে হবে।

রোহিঙ্গা সমস্যা : সমাধান কোথায়?


মানবতার খাতিরে এ পর্যন্ত ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। মায়ানমারে এ নিপীড়ন
বন্ধ না হওয়ায় তাদের আসার এ ধারা অব্যাহত আছে। মানুষ হিসেবে তাদের পৃথিবীতে সুন্দরভাবে বাঁচার অধিকার আছে। বাংলাদেশের আবেগপ্রবণ মানুষ স্বাগত জানালেও আমাদের সার্বভৌমত্বের জন্য সতর্ক থাকা জরুরী। বাংলাদেশ সরকার কতৃক রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের উদ্যোগ অত্যান্ত সময়োপযোগি একটি সিদ্ধান্ত। সব রোহিঙ্গা লোককে এর আওতায় আনতে পারলে আমাদের জন্য মঙ্গল।

বাংলাদেশের মুসলমানদের একটা বিরাট অংশ যে এখনও হিংস্র-জানোয়ার তার একটি উপযুক্ত প্রমাণ


আমরা পৃথিবীর যেকোনো নির্যাতিত মানুষের পক্ষে। আর এর বিরুদ্ধে পরিচালিত সর্বপ্রকার আগ্রাসন, বর্বরোচিত হত্যা, খুন, ধর্ষণ, গণধর্ষণসহ যেকোনো গণহত্যার বিরুদ্ধে। কিন্তু আমাদের দেশে একটি অমানুষের দল রয়েছে—এরা হিন্দুদের মন্দির ভাঙ্গবে, মন্দিরে আগুন দিবে, হিন্দুরমণীদের ধর্ষণ করবে, গণধর্ষণ করবে, হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের জায়গাজমি মুসলমানীকায়দায় দখল করে নিবে, রামুতে বৌদ্ধদের উপাসনালয়ে হামলা করবে, বৌদ্ধবিহারে আগুন দিবে—তবুও এরা মুসলমান! তবুও এদের কিছু বলা যাবে না। কারণ, এরা মুসলমান! এই নামধারী-মুসলমানরাই এখন রোহিঙ্গাদের জন্য কেঁদে একেবারে আকুল! কুম্ভিরাশ্রু আরকি! তার কারণ, এরা ষড়যন্ত্রকারী। এদের রোহিঙ্গাপ্রীতিও সম্পূর্ণ অসৎউদ্দেশ্যে পরিচালিত। এই নামধারী-মুসলমানদের মনে আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কোনো মানুষের জন্য সামান্যতম মায়ামমতা নাই, অন্যধর্মের মানুষের প্রতি বিন্দুমাত্র ভক্তিশ্রদ্ধা নাই, এদের মধ্যে ন্যূনতম মানবতাবোধ নাই—সর্বোপরি এদের মধ্যে কোনো মনুষ্যত্বও নাই। তবুও এরা মুসলমান!

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর