নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 13 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মূর্খ চাষা
  • নরসুন্দর মানুষ
  • রাজিব আহমেদ
  • কাঠমোল্লা
  • পৃথু স্যন্যাল
  • আল আমিন হোসেন মৃধা
  • নিরব
  • সাগর স্পর্শ
  • দ্বিতীয়নাম
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • মাসুদ রুমেল
  • জুবায়ের-আল-মাহমুদ
  • আনফরম লরেন্স
  • একটা মানুষ
  • সবুজ শেখ
  • রাজদীপ চক্রবর্তী
  • নাজমুল-শ্রাবণ
  • চিন্ময় ভট্টাচার্য
  • নেইমানুষ
  • পরাজিত শুভ

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

সভ্যতার উন্নয়নে বৈদিক মনিষীদের বিস্ময়কর অবদান!!


আজকাল বাসাবাড়ী জীবানু মুক্ত রাখার জন্য সেভলন, সেপনিল, ডেটল, হারপিক, ফিনাইল ইত্যাদি তরণ রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। অথচ কেহই জানে না, কবে থেকে কার নির্দেশের কিংবা উপদেশে হিন্দুবাড়ীর আঙ্গিনা, বসত ভিটি ও জায়গা জীবানুমুক্ত রাখার জন্য গো-ছনা ও গো-বিষ্টা ব্যবহার করা হয়ে আসছে। গো-ছনা আর গো-বিষ্টার মধ্যে জীবানু নাশক উপদান আছে এবং এভাবে ব্যবহার করার ফলে কোনরুপ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই জীবনুমুক্ত পরিবেশ পা্ওয়া যায় – এটি বৈদিক ঋষিরা তাদের অনুসারীদের উপদেশ দিয়ে গেছেন বলেই আজও হিন্দুরা গ্রামের বাড়ীতে গো-ছনা, গো-বিষ্ঠা ব্যবহার করে থাকে। জীবানুমুক্ত পরিবেশের জন্য এটা যে কতবড় আবিষ্কার ছিলো এটা অন্য ধর্মাবলম্বী তো দূরের কথা স্বয়ং হিন্দুদের মাথাও ব্যাপারটা কাজ করে কি না সন্দেহ।

আমরা কি সঠিকভাবে মূল্যায়িত হচ্ছি?


কিছু খবর শুনে নিজেই ভেতরে ভেতরে দুর্বল হয়ে যাই। হতাশ হই ভবিষ্যৎকে নিয়ে। আশঙ্কায় থাকি অবমূল্যায়নের। সম্প্রতি প্রাপ্ত সংবাদে প্রচারিত বিষয় হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্নুজান হল থেকে উদ্ধারকৃত ইসলামের ইতিহাসের একশটি উত্তরপত্র। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সে একশজন পরীক্ষার্থীর কি ভাগ্য খারাপ ছিলো?

বাঙালি জাতীয়তাবাদ


স্বাধীনতাকে আমরা আরো গভীরতর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে বুঝতে শুরু করলাম ভাষা আন্দোলনের সময় থেকে। ওই পর্যায়ে আমাদের জাতিচেতনা দ্বিজাতিত্ত্বের ধর্মকেন্দ্রিক সংকীর্ণ সংজ্ঞা থেকে মুক্তি পেয়ে উন্নীত হয় বাংলা ভাষা, বাঙালি সংস্কৃতি, এবং নৃতাত্ত্বিক পরিচয়ের ভিন্ন একটি জাতীয়তাবোধে। জাতীয়তাবোধের রাজনৈতিক রূপায়নই জাতীয়তাবাদ। সেই জাতীয়তাবোধ এবং জাতীয়তাবাদের আমরা নাম দিয়েছি "বাঙালি জাতীয়তাবাদ"।

অন্ধকারে


কে আর বাঁচায় রূপের খাঁচায় বন্দী যখন মন
খেলার ছলে যাবে খেলে বুঝবি নাকো
তফাত কিসে - জীবন আর মরণ।।

নয়ন বানে বজ্র হানে ভাবিস আলোক বাতি
খেলার শেষে ফকির বেশে ঘুচবে যে ভ্রম
বুঝবি তখন নেইকো দিবস- আঁধার কতো রাতি।।

বর্ণছটা রূপের ঘটা অন্ধ করলো আঁখি
কানার কাছে -দাম কী আছে ? তুই যে কানা
এখন তোরে দিবে পাখি ফাঁকি।।

জীবন ঘাটে পাটে পাটে করলি সাজের খেলা
সাজ ফুরালো -এখন কালো - আলো খুঁজিস
দিনের শেষে অন্ধ বেশে -এই সাঁঝের বেলা।।

ট্রাম্প তলে তলে মুসলমান হয়ে গেছে


আমি আর মাসুম দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম। এর মধ্যে দুইজনেরই মেজাজা মুহূর্তেই খিচ্চা গেল। দাড়িওয়ালা বুদ্ধিজিবী আসছে। মাসুমের সামনের এলাকার কোন একটা কারখানায় কাজ করে। আমি আর মাসুম একটা দোকানের সামনের চেয়ারে বসে আছি। বন্ধের দিনে এখানে বাঙালিরা আসে। সব পুরুষ। কোন পরিবার নাই। আমি মাঝে মাঝে মাসুমের এখানে বেড়াতে আসি। ইচ্ছা থাকা স্বত্বেও ঘন ঘন আসা যায় না। অনেক খরচ।

মাসুম: শালার পুতে আইজ খুশি খুশি মনে হয়।
আমি : এটা মূখে মূখে কয় আওয়ামী লীগ, কিন্তু কথাবার্তায় আমার জামাতি মনে হয়। চল ফাটি। কোক নিয়া ব্রীজে গিয়া বসি।

একজন মহতী ও উদ্যোগী ব্যক্তিত্ব


দীর্ঘ নয় বছর আন্দোলন সংগ্রাম করে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি আদায় করেন। যথারীতি সেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, কিন্তু দুর্ভাগ্য যে, অনেক কারণের সঙ্গে সূক্ষ্ম কারচুপির ফাঁদে পড়ে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। সেই সূক্ষ্ম কারচুপির বিষয়টি তিনি যথার্থই উপলব্ধি করেছিলেন এবং স্পষ্ট করে বলেছিলেন। সূক্ষ্ম কারচুপির কথা শুনে তখন সেসব নিন্দুক হৈচৈ শুরু করেছিলেন তারাই এখন কথায় কথায় সূক্ষ্ম কারচুপির কথা বলছেন অবলীলায়। সেই নির্বাচনের পর দেশে যখন সরকারী

ডোনাল্ড ট্রাম্প কি ইসলাম গ্রহন করল , নাকি সৌদি বাদশা সালমান ইসলাম ত্যাগ করল ?


আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সৌদি সফরের সময় সৌদি বাদশা সালমান ট্রাম্পের বেপর্দা স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের সাথে করমর্দন করেছেন প্রকাশ্যে , সারা দুনিয়ার মানুষ দেখেছে। এই বাদশা সালমান শুধু সৌদি আরবের বাদশাই না , তিনি কাবা শরিফ ও মসজিদে নব্বির মোতোয়াল্লীও। যে সৌদি আরবে কঠোর ইসলামী শাসন চলে , যেখানে নারীরা মুখ ঢাকা বোরখা ছাড়া বাইরে যেতে পারে না, সেখানে সালমানের এই আচরন কি প্রমান করে ? তিনি কি ইসলাম ত্যাগ করে মুর্তাদ হয়ে গেলেন ? তাছাড়া , কোরানে বলেছে-

রোকেয়ার ইসলামিকরণ:পর্ব:১


বিদ্রোহী কবি নজরুলকে তার জীবিত থাকার সময় এককালে মুসলিম সমাজ কাফের ও ইসলামের শত্রু মুসলমান সমাজের কুলাঙ্গার বলে গালাগাল দিয়ে দূরে সরিয়ে দিয়েছিল । আজ সেই নজরুলকে একজন মুসলিম কবি ও মুসলিম সমাজের গর্ব ও সম্পদ বলে দিনরাত প্রচারণা চালায়!নজরুলকে নিয়ে তাদের এখন বিশাল অহংকার! ঐ একই মিথ্যা প্রচারণার সড়ক ধরেই তাঁরা নিরন্তর ‘রোকেয়ার ইসলামিকরণ’ করে চলেছে।

আরবীয় সংস্কৃতির ভয়ংকর ‘ধর্ষণ-খেলা’ তাহারুশ!!!


একটি নিরীহ প্রাণীকে বহু সংখ্যক হায়েন ঘিরে ধরে জ্যান্ত অবস্হায় কুট কুট করে কামড়িয়ে ক্ষত বিক্ষত, রক্তাক্ত এবং খেয়ে দেয়ে শেষ করে দেয় - এধরনের দৃশ্য ডিসকভারী কিংবা ন্যাশনাল জিওগ্রাফির কল্যানে অহরহ দেখা যায়। হায়েনা কিংবা হিংস্র সিংহ বা বাঘ দলবদ্ধভাবে শিকার করে এবং খাবার খায়। তবে শিকার জ্যান্ত খায় না। ওরা প্রথমে শিকার ধরে মেরে ফেলে এবং পরে খায়।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর