নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • কিন্তু

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

তবুও ভালোবাসি


আমি জানি না যে আমি কি শুধুই অণু পরমাণুর সমষ্টি?

আমি কি শুধুই প্রকৃতির নিয়মে বাধা একটি যন্ত্র মাত্র?

রোমান্টিক অাল্লাহ চাই, ভালোবাসার বিকল্প নাই!


শ্রদ্ধেয় অাপনি!
ঋতুরাজ বসন্তের দ্বিতীয় দিন অাজ। ঋতুরাজ এলে অামি অামার ভাড়া বাসার ছাদের ফুলগাছগুলির পাশে বসে সময় কাটাতাম মাঝেমধ্যে। কিছুক্ষণ পরই অাবার উঠে যেতে হত।
মুসলিমদের মহান ধর্মে সারাদিনে পাঁচবার নামাজ পড়া ফরজ, অর্থাৎ কোন সৃজনশীল চিন্তা বেশি সময় ধরে করার সুযোগ নেই।
অাজান হলেই নামাজ পড়ানোর জন্য ছুটতে হতো মসজিদে।
অবোধ্য, অপ্রয়োজনীয় কিছু উঠবোস করে মুসুল্লিরা চলে যেত যার যার বাড়ি কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে।
মুসুল্লিরা জানেনা, তাদের ইমাম সাহেব নামাজে কি পাঠ করলেন। ইমাম সাহেব জানলেও সঠিক কথা না বলে বরং ঘুরিয়ে বলেন।

“আল্লাহর দ্বি- চারিতা”


-কি ব্যাপার কেমন আছো?
-আলহামদুরিল্লাহ!
-জিজ্ঞেস করলাম কেমন আছো, আর তুমি জবাব দিলে ‘সকল প্রশংসা কেবলি আল্লাহর’- মানে আলহামদুরিল্লাহ? এটা কেমন ভদ্রতা!
-আমাদের মুসলমানদের শিক্ষা হচ্ছে আমাদের সমস্ত মঙ্গল ঘটে আল্লাহ’র ইচ্ছাতে…।
-খারাপ বা মন্দ কাজ আল্লাহ ঘটায় না?
-কখনই নয়। মানুষের সব মন্দ আর খারাপ কাজের দায় মানুষের নিজের।
-তাহলে যে বলা হয় আল্লাহ’র হুকুম ছাড়া একটা গাছের পাতাও নড়ে না!
-অবশ্যই এটা সত্য। তবে মানুষকে একটা স্বাধীন ইচ্ছা শক্তি দিয়ে আল্লাহ পাঠিয়েছেন, মানুষ নিজের বিবেক খাটিয়ে ভাল মন্দকে বেছে নিতে পারে।

দেবী


মেয়েটির বস্তুত কোন সমস্যা ছিল না।
আর পাঁচটা বাঙালি মেয়ের মতই লাল শাড়ীতে তাকে বেশ মানাত।
সিঁথি করত ডানদিকে বেশিরভাগ সময়।
নির্লিপ্ত ঠোঁটে যেন মধু লেগে থাকত
উপরে-নীচে দিবায়-প্রত্যুষে প্রত্যহ।

মেয়েটির আহামরি কোন সমস্যা ছিল না।
তার কণ্ঠ সংবাদ উপস্থাপিকার মত বলিষ্ঠ না হলেও
আমার হৃদয় কাঁপিয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল।
তার গালে ছিল সাদা মেঘের প্রলেপ আর হাতে ছিল
ঘন মাখনের মতন পিচ্ছিল আস্তরণ।
বিভিন্ন উৎসবে প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে ছাল-ছুতোয়
হাত ধরলেই কেমন নরম নরম লাগত!

গডমাদার শেখ হাসিনা


পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যর্থ, অসৎ, নির্লজ্জ, কাণ্ডজ্ঞানহীন, মেরুদণ্ডহীন পুলিশ বাহিনীর তালিকা করলে বাঙলাদেশের পুলিশ বাহিনীর নাম আসতে বাধ্য। এই বাহিনীর কাজ হচ্ছে জনগণের ট্যাক্সের টাকায় চলে চোর, বাটপার, ডাকাত, খুনি, সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, ধর্ষক, জঙ্গিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। একটি প্রশাসন কতোটা ব্যর্থ ও দুর্বল এবং মেধাহীন হলে সমস্যার সমাধানের পরিবর্তে উলটো আরও সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে!

অালহাজ্ব মোকলেছ


অালহাজ্ব মোকলেছ
চুরি করে নেকলেছ
খোদাপাকের পেয়েছে অাশীষ,
সবকিছু খোদা পারে
মান দেয় বান্দারে
বুঝিস কি নাই-বা বুঝিস।

ইসলাম হলো মিথ্যাবাদীতা বা প্রতারনার ধর্ম


সব ধর্মেই কোন না কোন সময় মিথ্যা কথা বলাটাকে অনুমোদন করে, কিন্তু সেটার সাথে ইসলাম অনুমোদিত মিথ্যা কথা বলার আকাশ পাতাল পার্থক্য বিদ্যমান। অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে ধর্ম প্রচারের জন্যে মিথ্যা কথা বলা অনুমোদিত নয় , বরং জীবন রক্ষা , স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক রক্ষা ইত্যাদি ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে মিথ্যা বলার অনুমতি বিদ্যমান। কিন্তু ইসলামই একমাত্র ধর্ম যাতে বলা আছে , ইসলাম প্রচারের জন্যেই মিথ্যা কথা বলা যাবে। খোদ ইসলামের ঈশ্বর আল্লাহ নিজেকেই কোরানে বলেছে প্রতারক বা মিথ্যাবাদী। তার অর্থ হলো ইসলামের মূল ভিত্তিটাই হলো মিথ্যা ও মিথ্যাচার।

আরবি শব্দ দিয়ে আমাদের কথা বলা শুরু করতে হয়, বাংলা শব্দ দিয়ে শুরু করলে বেমানান দেখায়।


মোবইলে রিং হচ্ছে রিসিভ করে কানে দেওয়ামাত্রই শুনতে পাবেন আসসালামু আলাইকুম।প্রতিউত্তরে আলাইকুম আসসালাম না বলা পর্যন্ত কয়েকবার এই আরবি শব্দটি আপনাকে শুনতে হবে এবং উত্তর পাওয়ার পর বলা হবে মুল কথা।অথাৎ আরবি শব্দ আদান-প্রদানের পর জানতে পারবেন কি কারনে এই কল করা।

আর মুরব্বিরা বা গুরুজনরা ঘরেবাইরে-রাস্তাঘাটে দেখা হলেই সালামের জন্য অধীর আগ্রহে তাকিয়ে থাকে।সালাম আদান প্রদানের পর কুশলাদী জানতে চাইবে।সালাম না দিলে তারা রাগই হয়,বেয়াদব ভাবে।অনেকেই আবার মুখফুটে বলেই দেবে আদবকায়দা দেখি কিছুই নেই।এরজন্য বাপমাকেও দোষারোপ করা হবে।

ধর্মীয় কুযুক্তি


মাঝে মাঝে ধর্মীয় চ্যানেল গুলো দেখি। না আমি ধার্মিক না যে ধর্ম জানার জন্য দেখি। আমি দেখি যে ধর্ম প্রচারকরা কত টুকু অযুক্তিক যুক্তি দিতে পারেন আর মানুষ কিভাবে কুযুক্তি গুলো গ্রহণ করে। ধর্ম প্রচারকরা আজকাল ধর্মকে বিজ্ঞান সম্মত প্রমান করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। কে কতটুকু বিজ্ঞান সম্মত প্রমান করতে পারেন তা নিয়া তাদের মাঝে প্রতিযোগিতা চলছে। আর এ কাতারে তাদের প্রধান হাতিয়ার হলো বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা। আমরা জানি যে আজ বিজ্ঞান সব রহস্যের সমাধান করতে পারে নাই। বিজ্ঞান আজ অনেক অনেক কিছু জানে না। আর এটাকেই ধর্ম প্রচারক রা তাদের কাজে লাগান। আজ বিবর্তনবাদ যদিও পরিক্ষিত ভাবে প্রমানিত যে প্রকৃতির সবকিছ

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর