নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • নাসিম হোসেন
  • মিঠুন সি দাস
  • সংবাদ পর্যবেক্ষক

নতুন যাত্রী

  • নওসাদ
  • ফুয়াদ হাসান
  • নাসিম হোসেন
  • নেকো
  • সোহম কর
  • অজিতেশ মণ্ডল
  • আতিকুর রহমান স্বপ্ন
  • অ্যালেক্স
  • মিশু মিলন
  • আগন্তুক মিত্র

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

একদিন বেশি বাঁচা মানে


একদিন বেশি বাচা মানে
আরেকটু টুথপেস্ট, শ্যাম্পু - সাবান
একদিন বেশি বাচা মানে
বাজারে বাজার দরে উঠানামা ভাসমান।
একদিন বেশি বাঁচা মানে
ডাক্তার বাবুর সহকারীর
হাতে পায়ে ধরা-
সিরিয়ালটা একটু আগায়ে দেন,
একদিন বেশি বাচা মানে
এই একমুঠো শাক, পচা বাসি
তুমুল দরকষাকষি,
দুটো টাকা কম নেন।
একদিন বেশি বাচা মানে
সাতসকালে জুতোয় তেল
কর্তাবাবুর সুমুখে মিনতি হাতজোড়,
একদিন বেশি বাচা মানে
সারাদিন সুখ সুখ
সুখ সমুদ্দুর বহুদূর বহুদূর।
একদিন বেশি বাচা মানে
ঘরে আসাও কাজ
তড়িঘড়ি আসেন

হিন্দু ধর্মের ইতি বৃত্ত, পর্ব ০৭


যদিও বলা হয় হিন্দুদের প্রধান ধর্ম গ্রন্থ বেদ কিন্তু জীবন ধারনের সকল পদ্ধতি যেমন প্রতিমাপূজা , উপসনা, ব্রতাচারণ,বিবাহের নিয়মাবলী,শ্রাদ্ধবিধি,খাদ্য বিধি,বর্ণাশ্রম বিধি,সম্পত্তি বন্টন যাবতীয় সব কিছুই ‘মনুসংহিতা’ বা ‘মনুস্মৃতি’র নিয়ম মেনে করা হয়। একজন হিন্দু জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত কী করলে ইহলোকে ও পরলোকে পুরুষ্কৃত হবেন এবং কী না করলে দুনিয়া আখেরাতে শাস্তি ভোগ করবেন তার বিষদ বর্ণনা আছে ভগবান মনুর এই মনুসংহিতায়। এটাই হিন্দুদের জীবন বিধান তথা কোড অফ লাইফ। বেদে কী আছে আর কী নাই তাতে কিছুই যায় আসেনা বাস্তবে কী আইন মানা হয় সেটাই আসল কথা। আমরা নারীদের প্রতি মনুর দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে আগেই আলোচনা করেছি এবার কিছুটা ফিডব্যাক করা যাক।

২০১৭সালের জানুয়ারি মাসে ধর্মীয় সংখ্যালঘু হামলার রিপোর্ট


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সরকার দলের মন্ত্রী নেতা একেরপর এক আস্থার বস্তা দিয়ে যাচ্ছে সংখ্যালঘু কে। দেশ আমাদের সবার, দেশ অসাম্প্রদায়িক, দেশ ভ্যানগাড়ির উপরে হাসছে। অথচ ফলাফল শূন্য।
আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এবং মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন- "আপনারা কেউ নিজেদের সংখ্যালঘু ভাববেন না, আঘাত এলে পাল্টা আঘাত দেওয়ার মানসিকতা রাখবেন। সরকার এবং সংবিধান আপনাদের পাশে থাকবে।" তো আঘাত আসলে পাল্টা আঘাত যদি সংখ্যালঘু নিজেদের করতে হয় সরকার আর কলা পাতার মত সংবিধান পাছায়[বানান ভুল] থেকে কী লাভ!

সুদীর্ঘ ৪৮ বছর ধরে প্রতিদিন একটি করে গাছ লাগিয়ে যাচ্ছেন জনাব আব্দুস সামাদ


→২০১০ সালে রাস্তার পাশে একটা গাছ লাগালাম, দুদিন পর গাছটি উধাও।
→২০১১ সালে রাস্তার পাশে দুটো গাছ লাগাম, একটিকে খেয়েছে গরু আর আরেকটিকে ছাগল।


→২০১২ সালে রাস্তার পাশে তিনটি গাছ লাগালাম,অতিবৃষ্টির কারণে গাছত্রয় মরে গেছে।
→২০১৩ সালে আবার কয়েকটি গাছ লাগালাম, পানির অভাবে মরে গেছে।

ফিরে দেখা বাংলাদেশে ব্লগারদের রক্তাক্ত লাশ আর সারা পৃথিবী জুড়ে ইসলামিস্টদের গনহত্যার সাল, ২০১৫ সাল!


১৫ সাল আমাদের যা দেয়নি, তারচেয়ে কেড়ে নিয়েছে অনেকগুন বেশি। ২৬ই ফেব্রুআরি আমরা হারিয়েছি একজন বিজ্ঞাণমনষ্ক ও অত্যন্ত প্রগতিশীল লেখক, ধর্মান্ধদের "বিশ্বাসের ভাইরাস"-এর প্রতিরোধক, ড: অভিজিৎ রায়কে। বন্যাদি হারিয়েছে তাঁর একটি আঙ্গুল। হারিয়েছি ওয়াশিকুর বাবু, অনন্ত বিজয় দাশ ও নীল নীলয়ের মতো ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কারের তুখোড় সমালোচক একেকজন মুক্তচিন্তক আলোর দিশারীকে। হারিয়েছি আমরা একজন মুক্তচিন্তার সাহসী প্রকাশক (জাগৃতি প্রকাশন) দীপনকে। এঁরা ঘোর অমানিশায় নিজ দায়িত্বে আলোর মশালটা সবসময় ঠিকভাবে জ্বালিয়ে রাখতো, যাতে ধর্মান্ধ মানুষগুলো মধ্য যুগীয় বর্বর অন্ধকারের দিকে ধাবিত না হয়। তারা ধর্মের রুঢ়তা, সহিংসতা

বাঙালি বুদ্ধিজীবীর দাসত্বের সন্ধানে :ইতিহাসের পাতায় এক ঝলক


ইতিহাস রচনা শুধুই দিন তারিখ আর রাজা বাদশার বংশানুক্রমিক শাসনের ধারাবাহিক কাহিনী লিখে যাওয়ার ব্যাপার না। ইতিহাস গভীর অর্ন্তদৃষ্টি দিয়ে বিশ্লেষণের ব্যাপার। ইতিহাসের বিশ্লেষণ সবসময়ই অবজেক্টিভ হয়না। তবুও অবজেক্টিভিটির কাছে পৌছানোটাই একজন ইতিহাসকারের আরাধ্য। বিশ্লেষনের ক্ষেত্রে প্রধান বিষয়টা হচ্ছে বিশ্লেষনকারীর দৃষ্টিভঙ্গি, তার আইডিওলোজি। একই ঘটনা বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির বিশ্লেষকের বিশ্লেষণে ভিন্ন ভিন্ন তাৎপর্য নিয়ে হাজির হতে দেখা যায়। যেমন আমাদের মুক্তিযুদ্ধ একজন বাংলাদেশী বিশ্লেষকের দৃষ্টিতে যেমন, একজন পাকিস্তানির কাছে একেবারেই বিপরীত। আমাদের মধ্যযুগের ইতিহাসকে আমাদের বাঙালি ইতিহাসকারেরা কী চোখে দেখেছেন এবং পাঠ্য বইয়ে কীরূপে উপস্থাপন করেছেন তার সামান্য কিছু আলোকপাত করতে চাই। এই আলোচনা থেকে কোন সিদ্ধান্তে আসা যায় কিনা সেটাও বিবেচনা করবো।

"মাস্টার্স" পাশের বোঝা!


"মাস্টার্স" পাশের বোঝা

মুহাম্মদরা কি চিরকাল ধর্ষণই করে যাবে ?


উপরের ছবিটির দিকে তাকান।কি সুন্দর তাইনা? যদি প্রশ্ন করি এদের সম্পর্ক কি হওয়া উচিত? নিশ্চই বলবেন কি আবার হবে? অবশ্যই পিতা- কন্যা অথবা দাদা- নাতনি হবে ?একদমই ঠিক।আমার তাই মনে হয়েছিল।শুধু আমার কেন? যদি একশো জন ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করা হয় তাহলে একশো জন ই এই উত্তরটাই দিবে।আসলে আমরা যে সৃষ্টির সেরা মানুষ আমাদের এই নৈতিক চিন্তা শক্তিই তার প্রমান দিয়েছে।কিন্তু প্রকৃত সত্যটা মোটেও সুখকর নয়।

ধর্মের প্রভাব


আমরা এবার ধর্মের অত্যধিক প্রভাবযুক্ত দেশগুলোর দিকে একটু তাকাই। তাকিয়ে আমরা কী দেখছি? হয়তো দেখছি যে, এরকম বেশীরভাগ দেশে রয়েছে প্রচণ্ড দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা, কুসংস্কার, বৈষম্য এবং সর্বোপরি বিশৃঙ্খলা বা গৃহযুদ্ধ।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর