নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মুহাম্মদ ইমাম উদ্দিন
  • অপ্রিয় কথা
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • আব্দুর রহিম রানা
  • ধর্ম মোহন চাকমা

নতুন যাত্রী

  • প্রলয় দস্তিদার
  • ফারিয়া রিশতা
  • চ্যাং
  • রাসেল আহমেদ
  • আবদুর রহমান শ্রাবণ
  • হিপোক্রেটস কিলার
  • পরিতোষ
  • শ্যামা
  • শিকারী
  • মারিও সুইটেন মুরমু

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

জাহেলিয়াতের যুগে নারীর অবস্থা নিয়ে অপপ্রচারের জবাব


বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলের সুবাদে ছোটবেলা থেকে শুনে আসতেছি ইসলাম আসার আগে আরবে নারীদের কোন অধিকার ছিল না।ইসলামই শুধু নারীকে মর্যাদা দিয়েছে।W. Robertson Smith একটা বই লিখেছিলেন আরবের নারীদের নিয়ে।বইটার নাম Kinship and Marriage in Early Arabia।বইটিতে তিনি জাহেলিয়াতের যুগে আরবে বিয়ের পদ্ধতিকে ৩টি শ্রেণীতে ভাগ করেছেন।সেগুলো হলঃ

অবতংস


অন্ধকারের বিদায় রাগিণী বাজছে গোলকের মা’র মোরগ আর দুখিরামের মায়ের কণ্ঠে; মোরগের কণ্ঠটা কর্কশ হলেও খুব একটা বিরক্তিকর নয়, মানিয়ে যায় ভোররাতের সাথে; আর দুখিরামের মায়ের কণ্ঠে সুর, সাথে করতালের সঙ্গত। কার্তিক মাসে ল‏ক্ষ্মীপূজা পেরোলেই টহল দিতে আসে দুখিরামের মা; কার্তিক থেকে ফাল্গুন টহলের মরশুম, এ সময় মাসে অন্তত একবার দেখা যায় তাকে। তারপর ফাল্গুনের পর সে-ই যে ডুব দেয়, এরপর আবার উদয় হয় লক্ষ্মীপূজার পরে; এ মরশুমে আজই প্রথম।

"মা সমাচার"


আমার কবিতাঃ

"মা সমাচার"

মিঠুন রাজ

গিন্নিবিবি বসে আছে
মুখটি কালো করে
সকালবেলা সেই যে গেল-
সাঁঝ গড়িয়ে রাত্রী হলো
আহাম্মকটা আসছে নাতো ফিরে।

কলিংবেলের শব্দ পেয়ে
কাজের মেয়ে দৌড়ে গিয়ে
দরজা খুলে দিলো-
এতবেলা পরে বুঝি
আসার সময় হলো?

আমি ধার্মিক দেখিনি—দেখেছি কতকগুলো আদিম-হিংস্র শূয়র! দেখতে চাইলে আসুন।


আমাদের দেশে এখন শুধু পহেলা বৈশাখ নয়—সবকিছুতেই আজকাল হিন্দুয়ানি খুঁজে বেড়াচ্ছে একটি শয়তানচক্র। আর এই শয়তানচক্রটি বাঙালি-জাতির অতীব আনন্দের পহেলা বৈশাখ থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় সকলপ্রকার আচারপ্রথাসহ আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে লাগামহীন তথ্যসন্ত্রাস আর আগ্রাসন চালাচ্ছে। এই চিহ্নিত-পশুচক্রটি বাংলাদেশরাষ্ট্রের চিরশত্রু। এদের নিজস্ব কোনো ধর্ম নাই। আর এদের বাপ-দাদা-পরদাদা সবাই ছিল লোকদেখানো বা শুনে-শুনে মুসলমান! এদের বলা হয় নামকাওয়াস্তে মুসলমান। বাংলাদেশের বর্তমান স্বঘোষিত-মুসলমানরাও সেই পথেরই পথিক। বর্তমানে এরা স্বঘোষিত-আত্মস্বীকৃত-মুসলমান সেজে মানবতাবিরোধী-অপকর্মে নিয়োজিত। এরা আজ রাষ্ট্রবিরোধী ও মানবতাবিরোধী শয়তানে পরিণত হয়েছে।

নানিয়াচরে পিসিপি নেতা রমেল চাকমার লাশ ছিনতাই করেছে সেনাবাহিনী


নান্যাচর: সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে
চট্টগ্রাম মেডিকেলে পুলিশ প্রহরায় চিকিৎসাধীন
অবস্থায় মারা যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও পিসিপি
নেতা রমেল চাকমার লাশটিকে বাড়িতে নিতে দেয়নি
সেনা সদস্যরা। তারা লাশটি ‍নিজেদের হেফাজতে
নিয়ে রেখেছে বলে জানা গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) বিকালে রমেল চাকমার
লাশটি চট্টগ্রাম মেডিকেল থেকে নিয়ে আসা হয়।
রাত ৮টার দিকে লাশটি বুড়িঘাট বাজারে পৌঁছানোর পর
তার আত্মীয়রা লাশটি গ্রহণ করে বাড়িতে নিয়ে
যেতে ট্রলারে (ইঞ্জিনচালিত নৌকা) উঠলে একদল
সেনা সদস্য লাশ বহনকারী ট্রলারটি আটকায় এবং

গণবালা


অপ্সরী নও তুমি, মানবী ;
তবুও তোমায় পেয়ে, মনে হয়
স্বর্গের তান খুঁজে পেলো পৃথিবী!
সে পৃথিবী আমার? নাকি
আরো অনেকের; সে প্রশ্নের
চাই না মীমাংসা।
জানি, তোমায় মাপে সবাই
তোমার বৃত্তির মাপে--
গণবালা, তোমায় ভালোবাসলে
দোষ দেয়, সবাই---
তাকায় ঘৃণার চোখে।
কিন্তু, ওরাও তোমায় ভালোবাসিতে চায়।
নইলে কিসের ঈর্ষায় পুড়ে ভস্মভরা মনে
ছড়ায় ঘৃণা। পাবার আকাঙ্ক্ষায় তো
প্রবল উষ্মতায় ঘৃণার বাষ্পও ছড়ায়।
আবার, ওরাই মানবপ্রেমের গলিত শব
বয়ে যায় কাঁধে মানবতার ফসিল হয়ে।।

আঘাত


তুমি এ পাথরে লালিত্য মাখাও প্রিয়---
দেখবো তাতে কী হয়!

তবে, আমি চললাম
আঘাতেই ভাঙবো স্থবিরতা।
পাথর চূর্ণ না হলে
সময়ের চঞ্চল বায়ুও
পারে না গড়াতে তারে।

এ সমাজ পাথর যখন
তখন আমাতে লাবণ্য খুঁজো না।
আর আমি
নেই সে কোমল প্রেমিক
আজ আমি উদ্ধত অকপট
বাণীর আঘাতেই ভালোবেসে যাবো।

কোমল স্পর্শে পাথর হয় না সুন্দর
ওখানে ছেনির আঘাত চাই।

এমপিও ভুক্তির জন্য শিক্ষকদের আন্দোলন ও জাতির লজ্জা


বারট্রাণ্ড রাসেল বলেছিলেন, "মানুষের সুখী হওয়ার জন্যে সবচেয়ে বেশি দরকার বুদ্ধির – এবং শিক্ষার মাধ্যমে এর বৃদ্ধি ঘটানো সম্ভব।"শিক্ষা হলো সভ্যতার রূপায়ন, জাতির মেরুদণ্ড। আর সেই জাতি গড়ার সুনিপুন কারিগর যেমন শিক্ষক তেমনি জাতির সুনাগরিক তৈরি করার মহান ব্যক্তিত্বও তাঁরাই। শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ও নিবেদিত এই ব্যক্তিবর্গের নিরলস পরিশ্রম ও কর্মকাণ্ডে এই শিক্ষক শব্দটা শ্রুতিমধুর ও মর্যাদার আসন পেয়েছে।

কিন্তু আজ জাতি গড়ার এই মহান স্থপতিরাই সবচেয়ে নিপীড়িত, অবহেলিত লাঞ্চিত।

প্রসঙ্গ: পাহাড়-প্রকৃতি কাঁদছে রমেল চাকমার মৃত্যুর শোকে।


রমেল চাকমা(২০) নিতান্তই এক সহজ সরল আদিবাসী যুবকের নাম। রমেল প্রকৃতির সন্তান বটে। তার চোখে-মুখে ছিল সবুজ পাহাড় গড়ার স্বপ্ন। সে চলতি শিক্ষাবর্ষের এইচ,এস,সি পরীক্ষার্থী। তার পরীক্ষার রোল নং-৩২৬১৭৯। সে নানিয়াচর কলেজ থেকে এবার পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছে। কোন কারনবিহীন অহেতুক বিনাবিচারে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করেছে, যার কারনে তার মৃত্যু হয়। তাই নিঃসন্দেহে এটি একটি হত্যাকান্ড। এই ধরনের হত্যাকান্ড আজকের নয় যুগ যুগ ধরে গতানুগতিক চলছে পাহাড়ের আনাচে-কানাচে তাও রাষ্ট্রীয় সোনার বাহিনী দ্বারা। এই হত্যাকান্ড চরম এবং সুষ্পষ্ট মানবাধিকার লংঘন। তাই বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাছে

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর