নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রুদ্র মাহমুদ
  • রাজিব আহমেদ
  • তায়্যিব
  • রুবেল হোসাইন
  • দিন মজুর

নতুন যাত্রী

  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ
  • দীপ্ত অধিকারী
  • সৈকত সমুদ্র
  • বেলাল ভুট্টো
  • তানভীর আহমেদ মিরাজ

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

ফোর জি সেবা যেন নামেমাত্র না হয়



আমি ফোরজি নেটওয়ার্কে ডাটা ইউজ করতে থ্রিজির থেকে দশগুণ স্পিড চাই না। লাইসেন্স দেরীতে হলেও দিচ্ছে, বা এইদেশে সব ভাল দেরিতে হয় সেটাও মানা গেল। কিন্তু ভাল হবে নাম দিয়ে আসবার পর মোবাইলে ইউটিউব ভিডিও চালাইলে আমার মোবাইল স্কিনে যেন গোল্লা চাক্কা ঘুরতে না থাকে অনির্দিষ্ট সময়ব্যাপী।

বিবেকের চৌকাঠে ধর্মের তালা ঝুলছে!!


ঈশ্বরের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা ভাঙ্গা মূর্তি গুলোর নির্বাক দাঁড়িয়ে থাকা দেখে কিছুটা হলেও অনুমান করা যায়। সত্যি বলতে দেবদেবী গুলো কোনো নির্দিষ্ট শক্তির অধিকারী নয়, তা ধার্মিকরা একটু চিন্তা করলে বুঝতে পারে। তবে সেটা তারা মানতে রাজি না, মানবে বা কেন? ধর্ম মানে তো অন্ধবিশ্বাস,মনে হাজারটা প্রশ্ন জাগলেও প্রশ্ন করা যাবে না!

জঘন্য মানুষের মূর্খতার বলি


বর্তমানকালের একটি কুত্তার ছাও-ও যে সত্য জানে-- সেই সত্য বলার জন্য বিজ্ঞানী ব্রুণোকে একদিন পুড়িয়ে মারা হয়েছিল----------
১৫৪৮ থেকে ১৬০০ সাল। মানুষ তখনও বিজ্ঞানের আলোয় আলোকিত ছিলনা। ধর্মযাজকরা তখনও মানুষকে অন্ধকারে রাখার ষড়যন্ত্র করত।
বিজ্ঞানী জিওর্দানো ব্রুনো সেসময় বিশ্বজগত সম্পর্কে বেশকিছু সত্য আবিষ্কার করেন এবং বই প্রকাশ করেন। তিনি বলেছিলেন- "পৃথিবী গোল এবং পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে।" তখনকার শয়তান সমাজশাসকরা এবং জনগণ বলত- পৃথিবী চ্যাপ্টা এবং সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে।

যুক্তিতর্ক, মতের স্বাধীনতা, বাক স্বাধীনতা জরুরী


যুক্তি তর্ক, মতের স্বাধীনতা, বাক স্বাধীনতা জরুরী--
যারা সতীদাহ প্রথা চালু করেছিল এবং এই অমানবিক প্রথা সমাজে চালু রেখেছিল তাদের ফাঁসি দেওয়ার জন্য পরে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। প্রতিটি অমানবিক কুসংস্কার এভাবেই রাজত্ব করে যায় একসময়। অনেক মানুষ সেসব কুসংস্কারের বলি হয়। যখন কুসংস্কার দূর হয় তখন যেসব জানোয়ারগুলো কুসংস্কার বজায় রাখতে সমাজে লড়াই করেছিল তারা তাদের ভোগ, অন্যায় অত্যাচার শেষ করে মরা শেষ।
এইজন্য শিক্ষিত মানুষদের যুক্তি, মতের স্বাধীনতার বিষয়টিকে সমর্থন করা জরুরী। যুক্তি তর্কের মধ্য দিয়ে মানবিক আইন প্রতিষ্ঠিত হয়। তা না হলে অগণিত মানুষ কোটি কোটি যুগ ধরে অমানবিকতার বলি হয়।

অবিশ্বাসীর মনস্তত্ত্বঃ প্রথম পরিচ্ছেদ


Your Sensual happiness: A judgement of error, that may push you to atheism.

স্রষ্টায় বিশ্বাস সুখের পথে বাঁধা?

একটি অবিখ্যাত ছবির গল্প


একটা হিন্দী মুভি নিয়ে বলবো কিছু। এখন আপনার প্রথম মন্তব্য কি সেটা বা সেগুলো আমার জানা আছে। কিন্তু তাতে আমার কিছু যায় বা আসে না। যেই ভালো কিছু করবে তা যদি আমার ভালো লাগে প্রশংসা আমি করবই। আর যেটাই নিন্দনীয় আমি সেখানে চুপ থাকি। মন্তব্য করা আপনার ব্যাপার এইটা নিয়ে।এইটা আমার স্বভাব। যাক আসল কথাই আসি।

সমকামী অধিকার কি মানবধিকার না?


সমকামীরা যেহেতু মানুষ, তাই তাদের অধিকারও মানবধিকারের একটি অংশ।আর তাদের অধিকারের জন্য সমর্থন করা অন্য আট দশটি মানবধিকারের সমর্থনের মতো।এখানে তাদের সমর্থন করতে হলে সবাইকে তাদের মতো হতে হবে তা ভাবা খুবই অযুক্তিক।
আর আমি দেখেছি সমকামীদের সমর্থনে সব সময় এগিয়ে আসেন যারা, তাদের বেশির ভাগ বিপরীত লিঙ্গের সাথে সম্পর্কে জড়িত।
কিন্তু শুধু মানবতাবোধ থেকে তারা সমকামীদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে আসছেন।

দৃষ্টিভঙ্গি এবং অন্যান্য


আমি আপনি না বদলালে সমাজ আমাদের বদলে দিতে পারবে না।কতদিন নিজেদের পক্ষে সাফাই গাইবেন?একচোখা বিশ্বাস নিয়ে বেঁচে থাকতে চাইবেন? আপনার ভেতরকার পশু স্বত্বা কখনো বদলাবে না,যদি না আপনি নিজের মানসিকতা বদলাতে পারেন।আপনি হয়তো বা একজন সুশীল শ্রেণীর মানুষ।সমাজে আপনি ভালোমানুষ বলেই পরিচিত। কিন্তু আপনি কথা বলার সময় মুখ সামলাতে পারেন না।

আপনি পোশাক নিয়ে ব্যাপক চিন্তাশীল। ধর্ম বর্ণ এক করে আপনি শালীনতা নিয়ে ভাবেন।ভাবেন,এই পোশাক কিবা চলা ফেরাই বদলে দিবে আমাদের সমাজ।

মাতৃগর্ভের নির্বাণ : শেষ পর্ব


আমাদের সভ্যতার প্রাচীন মিথ গুলোতেও মাতৃগর্ভে প্রত্যাবর্তনের আকুলতা নানান ব্যঞ্জনায় রঞ্জিত হয়ে আছে। এই ব্যঞ্জনাই পরবর্তীতে আমাদের বিচিত্র আধ্যাত্মিক জ্ঞানের নানান ভাষ্যে অনুরনন তুলে এসেছে যুগের পর যুগ। আনুমানিক ২০০০০০-৭৫০০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দের প্রাগৈতিহাসিক নিয়াণ্ডারথাল মানুষদের ক্ষেত্রেও দেখছি তারা যখন কোন মৃতদেহ কবরস্থ করতো তখন কবরে সেই দেহ শুইয়ে দিত হাঁটু ভাঁজ করে প্রায় বুকে ঠেকিয়ে অবিকল ভ্রূনের ভঙ্গীতে। সেই কবরে বলির পশুর হাড়ের সাথে শুকনো ফুলের মালার অস্তিত্ব জানায় মৃত্যুপরবর্তী একটা পারলৌকিক জীবনের বোধ সেই আদিম যুগের মানুষের মধ্যেও ছিল। জন্ম অভিজ্ঞতার স্মৃতির তাড়নাতেই কি তারা ভেবেছিল মাত

বাংলাদেশের সামরিক শক্তি ৷


জিএফপি র্যাংকিং - ৫৭ (১৩৩)

বাংলাদেশকে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশসমূহ:

স্টকহোমভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপরির

হিসাব অনুযায়ী- ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল

পর্যন্ত বাংলাদেশ সাতটি দেশ থেকে অস্ত্র

সংগ্রহ করেছে। এগুলো হচ্ছে- চীন, ইতালি,

পাকিস্তান, রোমানিয়া, রাশিয়া, তুরস্ক ও

যুক্তরাজ্য। আবার ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের

হিসাব পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ১১টি

দেশ থেকে অস্ত্র কিনেছে বাংলাদেশ। এগুলো

হলো- চীন, ইতালি, রাশিয়া, তুরস্ক,

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর