নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন সংঘাত(শেষ পর্ব): মুক্তিসংগ্রাম নাকি সন্ত্রাসবাদ


একটি জাতি যখন তাদের দখলদার শাসকদের বৈষম্য আর অত্যাচারের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা বা স্বতন্ত্রতা রক্ষার জন্য লড়াই করে তখনই তাকে মুক্তিসংগ্রাম বলে। এই মুক্তিসংগ্রাম পরোক্ষভাবে হয়তো সেই পুরো প্রতিপক্ষ জাতিটির বিরুদ্ধে ঘটে কিন্তু প্রত্যক্ষভাবে এই লড়াইটা অবশ্যই সেই প্রতিপক্ষ জাতিটির সসস্ত্র সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধেই হতে হবে। যদি সেই লড়াইটা প্রতিপক্ষের নিরস্ত্র সিভিলিয়ান বা বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয় তাহলে তা আর মুক্তিসংগ্রাম থাকে না, সেটা হয়ে যায় সন্ত্রাসবাদ। আর তার সাথে যদি ধর্মীয় আদর্শগত দ্বন্দ্ব জড়িত থাকে তাহলে তো সেটা মুক্তিসংগ্রাম হওয়ার প্রশ্নই উঠে না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে প্যালেস্টাইন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম চালাচ্ছে গত প্রায় ৭০ বছর ধরে তা কি মুক্তিসংগ্রাম নাকি সন্ত্রাসবাদ। কিংবা বর্তমানে পুরো পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে মুসলিমরা যে তান্ডব চালাচ্ছে তা কি আসলেই কোন মুক্তিসংগ্রাম বা অত্যাচারীর ইটের বদলে পাটকেল? এই শেষ পর্বে এসে আমরা সেই প্রশ্নগুলোরই উত্তর খুঁজবো।

বিষাক্ত জোত্‍স্না


এলোমেলো পায়ে নিজ রুম থেকে বেরুলো শৈলেন রায়। উদ্দেশ্য-হল ক্যান্টিনে গিয়ে এক কাপ দুধ-চা খাওয়া। তাও আবার লেবু মেশানো। রাতের খাবার খেয়েছে সেই সন্ধ্যে সাতটায়। এখন প্রায় সাড়ে বারোটা। ক্ষুধাও প্রচন্ড লেগেছে। কিন্তু সে শুধুই চা খাবে। উদ্দেশ্য পেটে এসিডিটি ফর্ম করা। যখন খুব টেনশনে থাকে তখন প্রায়ই এই কাজ করে শৈলেন । আজ সে টেনশনে আছে। যাকে বলে অস্থির টেনশন। গত পরশু শর্মিলাকে তার ভালবাসার কথা জানিয়েছে শৈলেন । আজ বিকেলে শর্মিলা ফোন

আত্মহত্যা একটি শিল্প


তোমরা, বিসর্জনকে এখনো যারা পরাজয় ভাবছো,
বের করো পছন্দের কবিতা
এবং আবৃত করো,
জেনে নাও বেঁচে থাকার মধ্যে কোনো কৃতিত্ব নেই,
অথচ আত্মহত্যা একটি শিল্প যেমন হস্তমৈথুন,
এবং একটি স্বপ্ন যা শুধু সৌখিন মানুষরাই দ্যাখে।

বর্ণপ্রথা আক্রান্ত ভারতের আম্বেদকার: তার জীবন ও প্রভাব (পর্ব-১)



‘যদি আপনি মালালার কথা শুনে থাকেন কিন্তু সুরেখা ভোতমাঙ্গের কথা না জানেন তাহলে আপনার আম্বেদকার পড়া উচিত।’- অরুন্ধতী রয়।

জুম্মার নামাজের আগে মসজিদের ইমাম বললো, “মেয়েরা শয়তানের জাত!”


জুম্মার নামাজ ঘরে পড়া যায় না। তাই, একরকম বাধ্য হয়েই আমাদের মসজিদে যেতে হয়। কিন্তু মসজিদে গিয়েও শান্তি ও স্বস্তি নাই। সেখানে একশ্রেণীর কাটমোল্লা-মার্কা-ইমামদের অত্যাচারে দেশের নিরীহ ও সাধারণ মুসলমান আজ অতিষ্ঠ। সবখানে এইসব অল্পশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, অশিক্ষিত, বেএলেম আর জাহেল-ইমামদের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলেছে।

জাকির নায়েকের স্ববিরোধী ও হাস্যকর কুযুক্তি!


জাকির নায়েকের লেকচার দেখলাম পিস টিভিতে। ইসলাম ধর্মে পুরুষদের বহু বিবাহের অনুমোদন দেয়া আছে। সেটার পক্ষে তিনি তথ্য পরিসংখ্যান ও যুক্তি (!) দিয়ে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করলেন, পৃথিবীতে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি! তাই পুরুষের বহু বিবাহ একটি যোক্তিক ইসলামী বিধান। কিন্তু কথা হলো উনার এই যুক্তি মেনে নিলে ইসলামের বহু স্ববিরোধীতার মত আরেকটি স্ববিরোধীতার সম্মুখীন হতে হয়!

ক্রাচের কর্ণেল স্মরণে ......


২১ জুলাই ১৯৭৬ সাল। ভোর চারটা। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার। শ্রাবণের আর্দ্র রাত বিদায় নিচ্ছে। এই দেশ, এই জাতি, এই সময় আর সমাজের ইতিহাসে এক কলঙ্কময় ঘটনা ঘটে গেল কারাভ্যন্তরে। মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখসমরে পা হারানো একজন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিসংগ্রামের অন্যতম বীর সেনানায়ক কর্নেল আবু তাহের, বীর উত্তমকে তাঁরই মুক্ত করা স্বদেশভূমিতে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হলো। ক্ষুদিরাম বসু, সূর্যসেনের সঙ্গে, গত শতাব্দীর শেষ প্রান্তে আরেকটি নাম যুক্ত হলো—কর্নেল আবু তাহের।

নিঃশঙ্ক চিত্ত তাদেরই আছে, যাঁরা জীবনের বিনিময়ে নিজের বিশ্বাস সমুন্নত রাখতে পারেন, যাঁরা তাঁদের প্রতিজ্ঞার প্রতি আপস করেন না। নিঃশঙ্ক চিত্তের সেই মিছিলের একজন, আমাদের তাহের।

মাতৃত্ব নিয়ে গর্বের কিছু নেই!


অনেকে আবার মানুষের সমান অধিকারের পক্ষে কথা বলে--নারী-পুরুষ-তৃতীয় লিঙ্গ-সমপ্রেমী--সবার। তৃতীয় লিঙ্গের কোনোদিন বাচ্চাকাচ্চা হবে না। সমপ্রেমীদের অনেকেও নিজে বাচ্চা নিতে পারে না। তো কেউ যখন বাবা হওয়া, মা হওয়া, সন্তান জন্ম দেয়া--এধরনের বিষয়গুলোকে জীবনের 'সফলতা' বা 'বিফলতা'র চাবিকাঠি হিসাবে তুলে ধরেন, জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন বা বর্জন হিসেবে চিহ্নিত করেন, তখন বিষয়টা (হয়তো মনের অজান্তেই) অত্যন্ত ক্রূর হিসাবে প্রকাশিত হয়ে পড়ে--এটা হয়তো খেয়াল করে বা ভেবে দেখেন না।

ধর্মস্থানগুলোর সদব্যবহার


বাংলাদেশে মসজিদ মন্দিরগুলোর সমাজকল্যাণমূলক ব্যবহার শুধু ও শুধুমাত্র গণ-শৌচাগার হিসেবেই সীমাবদ্ধ ।

গীর্জাগুলোতে তবু কনফেশন বক্স থাকায় মানসিক প্রশান্তি ও পাপবোধ মুক্ত করতে করে কিছু সাইকোলজিক্যাল পজিটিভ ভূমিকা নিতে পারত ; কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা খাতিরে গণস্বেচ্ছাপ্রবেশাধিকার রোধ করে সেগুলো ইউজলেস, মিনিংলেস একটা উদ্ভট স্থানে রুপ নিয়েছ ;যেখানে সপ্তাহে দুদিন ক্ষেত্রবিশেষে একদিন একই ধর্মীয় ঘ্যানঘ্যানানি শুনিয়ে একবিংশ শতকে মানুষের সর্বাপেক্ষা মূল্যবান সময় মাঠে মারা যায়।

আল্লামা শফী, এক ইসলামিক মহান যৌদ্ধা। অতঃপর শেষ জীবনে মালাউনদের কাছে পরাজয়!


আল্লামা শফী, এক ইসলামিক মহান যৌদ্ধা। অতঃপর শেষ জীবনে মালাউনদের কাছে পরাজয়!
--------------------------------------------------------

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর