নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • পৃথু স্যন্যাল
  • রুদ্র মাহমুদ
  • সুষুপ্ত পাঠক
  • বেহুলার ভেলা
  • নিটোল আরন্যক
  • মো.ইমানুর রহমান
  • সুজন আরাফাত

নতুন যাত্রী

  • রমাকান্ত রায়
  • আবুল খায়ের
  • একজন সত্যিকার হিমু
  • চক্রবাক অভ্র
  • মিস্টার ইনকমপ্লেইট
  • নওসাদ
  • ফুয়াদ হাসান
  • নাসিম হোসেন
  • নেকো
  • সোহম কর

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

অর্ঘ্য নিবেদন


"অর্ঘ্য নিবেদন"
বেরসিক ফ্রয়েড,মার্ক্স,ভলতেয়ার থেকে স্বেচ্ছা অবসর
নিয়েছি,
এখন শুধু কল্পনার রাজ্যে থাকি,টিনেজারের মত বর্ণীল
স্বপ্ন দেখি।
আমার কথায় এপিক কিছু ভাববেন না প্লিজ!আমি রবার্ট
ফ্রস্ট নই।

লেকচার থিয়েটার ভবনের সামনে দুপুর থেকে সন্ধ্যা
পর্যন্ত
একটানা দাঁড়িয়ে থাকতে আমার একদমই বিরক্তি
আসেনা।
কয়েক সেকেন্ডের জন্য দূর থেকে প্রাণোচ্ছল হাসিটা
একবার,
শুধু একবার দেখলেই ঘন্টা চারেক দাঁড়িয়ে থাকার কথা
ভুলে যাই।

পুনঃপাঠঃ আবুল মনসুর আহমদের 'হুজুর কেবলা'


এক
এমদাদ তার সবগুলি বিলাতি ফিনফিনে ধুতি,সিল্কের জামা পোড়াইয়া ফেলিল; ফ্লেক্সের ব্রাউন রঙের পাম্প সুগুলি বাবুর্চিখানার বঁটি দিয়া কোপাইয়া ইলশা-কাটা করিল। চশমা ও রিস্টওয়াচ মাটিতে আছড়াইয়া ভাঙ্গিয়া ফেলিল; ক্ষুর স্ট্রপ,শেভিংস্টিক ও ব্রাশ অনেকখানি রাস্তা হাঁটিয়া নদীতে ফেলিয়া দিয়া আসিল;বিলাসিতার মস্তকে কঠোর পদাঘাত করিয়া পাথর-বসানো সোনার আংটিটা এক অন্ধ ভিক্ষুককে দান করিয়া এবং টুথক্রিম ও টুথব্রাস পায়খানার টবের মধ্যে ফেলিয়া দিয়া দাঁত ঘষিতে লাগিল। অর্থাৎ এমদাদ অসহযোগ আন্দোলনে যোগদান করিল! সে কলেজ ছাড়িয়া দিল।

পাকিস্তানে ছিল এক জিন্না। আর এখন স্বাধীনবাংলাদেশে অসংখ্য জিন্না!


এখন বাংলাভাষার অনেক শত্রুও লোকদেখানো ও স্বার্থসিদ্ধির-আনুষ্ঠানিক ভাষাপ্রেম দেখানোর জন্য শহীদমিনারে গিয়ে বেদীতে ফুল দেয়। তারপর ছবি তুলে কিংবা বিশাল একটা ভিডিও করে বাসায় ফিরে আসে। তারপর এগুলো দিয়ে ব্যবসা করে খায়। অনেক ভণ্ড এখন শহীদমিনারে গিয়ে ফুল দিচ্ছে। অথচ, এদের মনের মধ্যে বাংলাভাষার প্রতি সামান্যতম শ্রদ্ধাবোধ নাই। এদের মনে যদি বাংলাভাষার প্রতি সামান্যতম শ্রদ্ধাবোধ থাকতো—তাহলে, বাংলাভাষা কি এতোদিনেও বাংলাদেশে উপেক্ষিত থাকতো?

ডিপ্রেশন


চারদিকের অসংখ্য মানুষের মধ্য থেকে যে
কটা মানুষের সম্পর্কে জানছেন, তাদের
প্রায় সবার মধ্যে একটা ব্যাপার কমন,,,
খেয়াল করলেই দেখবেন, পাশের মানুষটি
বলতে চাইছে সে ভালো নেই,,,,
.
আপনার সামনের মানুষটি তিনবেলা করে
খাচ্ছে, টিভি দেখছে, পত্রিকার পাতা
উল্টাচ্ছে,,,,
কিন্তু সে ভালো নেই,,
আপনাদের সম্পর্কটা যদি 'মন ভালো নেই'
কথাটা শেয়ার করার মতো হয়, তাহলে
সামনের মানুষটি বারবার বলতে চাইবে 'মন
ভালো নেই'।
.
যদিও আপাতদৃষ্টিতে সে ভালোই আছে,
কিন্তু সবার মতোই তারও কিছু ছোট ছোট না

শিবলিঙ্গ এবং শিবরাত্রি কথন ।


সনাতন হিন্দু ধর্মালম্বী দের বিশেষ একটি রাত্রির নাম শিব রাত্রি । এদিন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন শিবের মাথায় ফুল বেল পাতা সমেত দুধ গঁঙ্গা জল ঢেলে ও ভোগ হিসেবে বেল চড়িয়ে দিনটি পালন করবে। শিবের প্রনাম মন্ত্র-

ওঁ নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয়হেতবে।
নিবেদয়ামি চাত্মানং ত্বং গতিঃ পরমেশ্বর।।

যাকাত নিয়ে গর্ব কেন করবেন


নবী মুহাম্মদ অসাধারন একটি বিধানকে ইসলামি জীবনব্যবস্থার সাথে দৃঢ়ভাবে যুক্ত করেছেন। তা হচ্ছে যাকাত বা সম্পদের উপরে কর। আমরা সবাই জানি যে, এটি ইসলামের পাঁচটি প্রধান স্তম্ভের মধ্যে একটি। যাকাত বাধ্যতামূলক করার ব্যপারটি ছিল একটি সাহসী সিদ্ধান্ত। এর প্রশংসা না করে উপায় নেই।

নাবালকের ভোটাধিকার অর্জন এবং তার আইডেনটিট


১৮৭৫ সালে সাবালকত্ব আইন বা মেজরিটি অ্যাক্ট 1875 পাশ হবার পর বিয়ে, যৌতুক, বিয়ে বিচ্ছেদ এবং দত্তক গ্রহণের ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য সকল ক্ষেত্রে বৃটিশ ভারতে অর্থাৎ ভারত, পাকিস্তান ও বাঙলাদেশে বসবাসকারী সকল নারী ও পুরুষের সাবালকত্ব এই সাবালকত্ব আইন দ্বারা নিরুপিত হয়। সাবালকত্ব আইন অনুসারে যে সকল নাবালকের বয়স ১৮ বৎসর পূর্ণ হয়েছে তারা সাবালক। বাঙলাদেশে সাবালকত্ব আইনকে সংশোধন করে ছেলেদের ক্ষেত্রে ২১ বৎসর ও মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮ বৎসরকে সাবালকত্বের বয়সরুপে নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য বাঙলাদেশে ছেলেরা ১৮ বছর হলে ভোটাধিকার অর্জন করে।

প্রতিফল


হারুন মিয়ার মাথাটা হঠাৎ তীব্র ব্যাথায় ছেয়ে গেল। মুখ থুবড়ে পড়ে গেলেন কাদা মাটিতে। নাকে মুখে কাদা ঢুকে যাচ্ছে। তবে মাটির একটা গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে, মাটির গন্ধে আচ্ছন্ন হয়ে ব্যাথাটা আর অনুভব হচ্ছে না। মাটির মাঝে এই মাদকতার ব্যাপারটা হারুনের আগে জানা ছিল না।
আলতো করে চোখ মেলার পর শেষবারের মতো খরগোশটাকে দেখলেন গর্ত থেকে উকি দিতে। কৌতুহলী দৃষ্টিতে খরগোশটা চেয়ে আছে। ধীরে ধীরে আবছা হয়ে গেল খরগোশ আর মানুষের পৃথিবীর ছবিগুলো। সুর্যটা একবার খুব তেজে জ্বলে উঠে, সব অন্ধকার হয়ে গেল।

জনপ্রিয় হচ্ছে সবুজ অর্থনীতি ও প্রবৃদ্ধি


বর্তমান সরকার সব সময় পরিবেশবান্ধব ও জ্বালানি সাশ্রয়ী শিল্পায়নে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছে। শিল্প মন্ত্রণালয় শতভাগ দূষণ ও দুর্ঘটনামুক্ত শিল্প স্থাপনে সর্বোচ্চে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তাই জ্ঞানভিত্তিক ও শিল্পসমৃদ্ধ সমাজ বিনির্মাণে দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং শিল্প-কারখানার মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপন করা হচ্ছে সারা বাংলাদেশে। সরকার সবুজ শিল্পায়নের লক্ষ্যে পরিবেশ সুরক্ষায় কঠোর আইন প্রণয়ন করেছে। পাশাপাশি সবুজ অর্থনীতি ও সবুজ প্রবৃদ্ধির ধারণা জনপ্রিয় করতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের শিল্প উদ্যোক্তারা যাতে সবুজ শিল্পায়নের প্রকৃত সুবিধা কাজে লাগাতে পারে, সে লক্ষ্যে সর

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর