নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ফারুক হায়দার চৌধুরী
  • নরসুন্দর মানুষ
  • শিকারী
  • ফারজানা সুমনা
  • নুর নবী দুলাল
  • আবদুর রহমান শ্রাবণ
  • মওদুদ তন্ময়
  • অজল দেওয়ান
  • আল আমিন হাসান মৃধা

নতুন যাত্রী

  • প্রলয় দস্তিদার
  • ফারিয়া রিশতা
  • চ্যাং
  • রাসেল আহমেদ
  • আবদুর রহমান শ্রাবণ
  • হিপোক্রেটস কিলার
  • পরিতোষ
  • শ্যামা
  • শিকারী
  • মারিও সুইটেন মুরমু

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

পাহাড় পুড়ুক; আমরা স্বাধীনতার তেল নাকে দিয়ে ঘুমাই


কোন এক দালাল সেনাপ্রধান রাষ্ট্রপ্রধান হয়ে এ দায়িত্ব দিয়েছিল সেনাবাহিনীকে। আমাদের মাথা মোটা সেনাবাহিনী সেই দায়িত্ব আজও পালন করে যাচ্ছে। দুঃখের বিষয় হল সরকার বদল হয়, শান্তি-চুক্তি হয় তবু পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের ভাগ্য বদল হয়না। মেজর জিয়া মেজর তানভীর হয়ে ফিরে আসে।

হেই বাংলাদেশ তোমাকেই বলছি


হেই বাংলাদেশ তোমাকেই বলছি
-----------------------

এখন আমার চোখের সামনে ভাসছে একটিই লাশ,
রোমেল চাকমার পোঁড়া লাশ!
পার্বত্য চট্টগ্রামের নিপীড়িত আদিবাসী মানুষের অব্যক্ত কষ্ট দেখছি
আমি জম্ম থেকেই
যেখানে আদিবাসী মানুষদের কুকুর-বেড়ালের মতো মারা হয়
যেখানে আদিবাসী মেয়েদের সেনাবাহিনী আর বাঙালী সেটেলাররা মিলেমিশে গনধর্ষন করে!
যেখানে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীরা পাহাড়ের আদিবাসীদের বুকে বন্দুকের নল ঠেকিয়ে শাসিয়ে রাখে!
যেখানে আদিবাসীদের পৈতৃক ভুমি মুসলমান সেটেলার আর বাংলাদেশী সেনাবাহিনীরা ভুমিদুস্যের মতো দখল করে নেয়।

লেনিন


জন্মদিনে উপহার দেবো বলে আমি কিছু খুঁজছিলাম
ফুল
পানি
কাস্তে
হাতুড়ি
লালপতাকা
জাগো জাগো সর্বহারা

শেষ পর্যন্ত আমি এই ছবিটাই পেলাম লেনিন

বিপ্লব দীর্ঘজীবী হয়েছে
রাশিয়ায়
দীর্ঘজীবী হতে হতে কয়েক টুকরো হয়ে গেছে
ফ্রিডম এন্ড ডেমোক্রেসি
অর্থাৎ
হ্যামবার্গার আর পর্নোগ্রাফি
পেয়েছে পূর্ব ইওরোপ ও নয়া রাশিয়ার নাগরিকগণ

রমেলকে


তোমার চোখের অসুখে যতোটুকু আলো ছিল রমেল
ততো আলো নেই
ওদের অই উচ্চাঙ্গ উৎসবে ভরে থাকা স্টেডিয়ামেও

পেট্রোলে পুড়ে যাওয়ার সময় তোমার মৃতদেহ কি
বাবা বা বোনের স্পর্শ চেয়েছিলো শেষবার, আমি
সে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে বিব্রত করবো না

আমি জানতে চাই না তোমার মায়ের নামও

পাহাড়ি জনগণের প্রতি একজন প্রাক্তন বাঙালির খোলা চিঠি


পাহাড়ে আমার ভাইয়েরা-বোনেরা,

আপনাদের উপর দুদিন পরপর নানা অত্যাচার হয় শুনি। দেখি বলতে পারলাম না, তা কেউ দেখায় না। কারণ কর্পোরেট মিডিয়া, সরকারের তাবেদার। সেখানে ঐ জলপাই বাহিনীর কি পরিণাম নজরদারি, তা কিছুটা হলেও দেখার সুযোগ হয়।

তল্পিতল্পা!


তল্পিতল্পা!
(বর্ণক্রমিক কবিতা)

তরঙ্গে তল্পিতল্পা তরুণ,
অনিরুদ্ধ অনির্বাণ অরুণ।

আরাধ্য আপন আজন্ম,
জনগণ জনস্রোত জন্ম।

কলরব কল্পিত কল্যাণ,
অভিশাপ অভিযাত্রা অন্যূন।

খবর খন্ডিত খন্ডাংশ,
বিশিষ্ট বলিষ্ট বংশ।

মনন মহীয়ান মহান,
স্বধর্ম সজ্জিত সন্দিহান।

সম্পর্ক সম্প্রসারণ সম্পূর্ণ,
পরিবার পরিধেয় পরিপূর্ণ।

ভ্রাতৃত্ব ভরা ভূবন,
সুদিন সুনিন্দ্রা সুজন।

হত্যা হরণ হরিজন,
পরিবার পরিহার পরিজন।

আমার আমি আজীবন,
কল্যাণে কায়িক কয়জন?

কল্পনা চাকমা থেকে রমেল চাকমা বনাম- বাংলাদেশ


পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবন। পাহাড় পর্বতে ঘেরা অপূর্ব প্রকৃতিক সৌন্দর্য্যে র লীলাভূমিরর এই অঞ্চলেরর সৌন্দর্য্য উপভোগের জন্য দেশ-বিদেশের পর্যটকেরা ভিড় করে নিয়মিত। কিন্তু কেউ খবর রাখে না এই অঞ্চলের উপজাতিদের খবর রাখে না সেনাবাহিনী-বাঙ্গালি সেটালার কর্তৃক নিপীড়িত নির্যাতিত আদিবাসীদের করুণ ইতিহাসের।

ধার্মিক বনাম মানুষ


কোন পুরুষ সুন্দর উদ্যানে একা একা ঘুরে ফিরছিল। এত আরাম-আয়েশ কিছুই ভালো লাগছিল না তার। তাই আমার জন্ম হল তার মনোরজ্ঞনের জন্য। আমি রমণী- শুধুই রমণের যোগ্য। যদি বলি আমার স্রষ্টা এত কঠোর হতে পারে না, তিনি নিরাকার হয়ে পুরুষের পক্ষপাত মোটেই করতে পারেন না। আমার জন্মকে এত ঠুনকো আর ছেলেখেলার যোগ্য হতে আমি দেবো না।

ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানেরা নির্যাতিত, নিপীড়িত, শোষিত।


আমি সেই ছোট্টবেলা থেকে এখন অবধি বাংলাদেশী মুসলমানদের কাছে থেকে শুনে আসছি ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানেরা নির্যাতিত, নিপীড়িত, শোষিত। মনে মনে ভাবতাম ভারতে হিন্দুরা বাংলাদেশ মুসলমানদের মতই খারাপ অমানুষ। বাংলাদেশের মুসলমানেরা যেমন হিন্দুদের নির্যাতন করে, মা বোনদের ধর্ষণ করে, জায়গা সম্পত্তি দখল করে, ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়, লুট করে, তেমনই বুঝি ভারতের হিন্দুরাও সংখ্যালঘু মুসলমানদের নির্যাতন করে। পরে পরে আমি বেশ কয়েক বার ভারতে বেড়াতে গিয়ে নিজে চোখে দেখে এসেছি ভারতের সংখ্যালঘু মুসলমানদের হাল অবস্থা। আমি প্রথম ভারতে যাই ২০০২ সালে। যাহোক শুনেন ভারতের নির্যাতিত নিপীড়িত মুসলমানদের কথা।

Whisper of the Heart –স্কুল, প্রেম আর নস্টালজিয়া ।


জীবনের একটি বিশেষ সময় অদ্ভুত রকমের কিছু স্বপ্ন আর রঙ দিয়ে মোড়া থাকে । চিন্তা-ভাবনা ছাড়া , সম্ভব-অসম্ভবকে থোড়াই কেয়ার করা , একচিলতে হাসি দেখে হাজার রাতের ঘুম হারাম হওয়া এই বিশেষ সময়টাকে আমরা স্কুল জীবন বলি । স্কুল!! আহ !! স্কুল !! মনে আছে এই সময় প্রেমে পড়াটা যেমন ছিল স্পর্ধার , অবাস্তব, অন্যদের হাসির খোরাক হওয়া অপরদিকে ছিল বিশুদ্ধ আর নিষ্পাপ । সেই সময়টা শেষ হয়ে গিয়েছে আজ অনেকদিন । তবে এই সিনেমাটা দেখলে হঠাৎ করেই বুকের বামপাশে কেমন যেন করে উঠে ।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর