নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • সরকার আশেক মাহমুদ
  • সজল-আহমেদ
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

কাফেরের বচন


১) প্রেম অনেকটা ভূত ও ভগবানের মত। এই মাল সম্পর্কে সবাই শুধু শুনেছে, কেউ দেখেনি।

২) আই লাভ ইউ এর মানে হলো আমি তোমার জীবনটাকে কড়াইতে ভেজে চুলায় ছেড়ে দেবো।

৩) আই লাভ ইউ এর মানে হলো তোমার প্রতি আমার লোভ হয়েছে।

৪) সত্য সত্যিই সত্য নয়, বদলে যায় প্রয়োজনে ব্যাখায়।

৫) প্রতিটি প্রেমই কুমিল্লার মাতৃভাণ্ডার রসমালাইয়ের দোকানের মত। প্রতিটি প্রেমই আদি, আসল ও অকৃত্রিম এবং কোথাও কোন শাখা নেই।

৬) পরিপূর্ণ জীবনবিধান যতটা ধর্ম তারথেকে বেশি রাজনীতি তারথেকেও বেশি সাম্রাজ্যবাদ।

৭) আমি গৃহগামী সন্ন্যাসী।

৮) আমরা একটা ইতরের দেশে থাকি, এই আমাদের একমাত্র সুখ।

নবীজির রোগ নির্ধারনে সাফল্য


কখনো শুনি নাই যে চিকিৎসা করা হারাম। ইসলামে রোগ নির্ধারণ এবং চিকিৎসার অনুমতি আছে। একজন মানসিক রোগী অনেক সময় নিজে থেকে ডাক্তারের কাছে যান না বরং আত্মীয় স্বজন তাকে নিয়ে গিয়ে ডাক্তারের কাছে বলেন রোগীর আচার আচরণ ও বিবিধ ঘটনাদি। মনে করুন আমরা একজন রোগী সম্পর্কে জানতে পারি যিনি এখন আর জীবিত নন । আমাদের মনে হবে তাহলে তো তার রোগ নির্ধারণ সম্ভব না । কথা ঠিক, যদিনা উনি এমন কোনো লোক হন যার বিস্তারিত বর্ণনা, কথা বার্তা কার্যক্রম বিবিধ কারণ বসত লিখিত ভাবে সংরক্ষিত আছে ।

অপেক্ষা


রাতে যখন ঘুমাতে যাই,

এক বুক হতাশা থাকে গোটা মনজুড়ে,

সারাদিনে রোজ একটু একটু করে হতাশাগুলো জমা হয়,

ফাঁকে ফাঁকে মনে হয় তুমি নেই, - তবু তুমি আছো,

হয়ত দূরে আছো,

তবু আছো আমার সাথে!

ওই যে রাতে যে একরাশ হতাশা নিয়ে ঘুমাতে যাই,

সেই হতাশার সাথে একটা আশাও মনের এক কোণে রোজ জন্ম নেয়,

রোজ ভাবি, "এই তো কাল সে সকাল হবে,

কাল সূর্যের সাথে আমি তোমাকে আমার মতো করে একটুখানি দেখবো,

তোমার কথা শুনবো,

আর শুনবো - তোমার মুখে একটু ভালোলাগা ভালোবাসাখানি!"

না।

শুনি না।

শুনতে পাই না।

বাঙালী মডারেট ধার্মিক ও লোকদেখানো বাহ্যিক প্রগতিশীলতা


"খালি কলসি বাজে বেশী"-এই অলংকারটি হয়ত বাঙালী মডারেট ও তথাকথিত ধার্মিকদের পাশে নির্দ্বিধায় বসিয়ে দেয়া যেতে পারে এবং এই অলংকার তাদের বাহ্যিক রুপবৈচিত্রের সাথে একান্ত না গেলেও অন্তরের ভাবনাচিন্তার সাথে একান্তই বেমানন নয় এবং ক্ষেত্রবিশেষে সুশোভন অথবা ভালোভাবে বলতে গেলে "সোনায় সোহাগা" বলতে পারেন।এটা বাংলাদেশী ধার্মিকদের একটি বড় সমস্যা, কেউ হিন্দুদের সমালোচনা করলে বলে পাকি দালাল,কেউ মুসলিমদের সমালোচনা করলে তখন ভারতের উদাহরণ টানেন।আর ভারতের কথা যদি বলেনই প্রতিবেশী দেশ হিসেবে তবে আমি বলবো-তুমি অধম হইলে আমি উত্তম হইবো না কেন?তাঁরা যদি অন্যায় করেওবা আমাদের ও তাই করতে হবে!ব্যাপারটা আমার কাছে বালসুলভ ম

রমজান সংযম, সংগম, নাকি ধর্ষণ আর সংঘর্ষের মাস!?


নারীবাদ আর নাস্তিক্যবাদ চর্চাকারীদের প্রতি প্রতিটি ধর্মপ্রাণ প্রাণীর বিদ্বেষ আছে, আছে অহরহ অভিযোগ৷ মানুষ না বলে প্রাণী কেন বলছি? মানুষ বলতে ইচ্ছে করেনা কারণ আছে তার অনেক৷ যাই হোক, এত অভিযোগের পরও তারা দেখাতে পারেনা কোন এক নাস্তিক কিংবা নারীবাদী কাউকে ধর্ষণ করেছে, করার পর মেরে ফেলেছে৷ কোথাও দেখাতে পারেনা শিশুদের জোর পূর্বক ধর্ষণ করেছে৷ কিন্তু প্রতিদিনের পত্রিকা রমরমা ধর্ম প্রাণীদের অত্যাচারে৷ দেখা যায় মাদ্রাসার শিক্ষক ছাত্রকে বলাৎকার করছে, যৌন হয়রানি করছে, নয়তো শিশুর পেটে শিশু আসার পর প্রমাণ করে দিচ্ছে এ কাজ মাদ্রাসা শিক্ষকের৷ কি করবে শিশুরা!!

ইসলামই মুসলমানদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাত তৈরী করে তাদেরকে বর্বর বানায়


ইসলাম নিজেই মুসলমানদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাত সংঘর্ষ তৈরী করে , তাদেরকে অসভ্য বর্বর বানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্য, মুসলমানরা ইমানের আধিক্যে সেটা বুঝতে পারে না। যদি তারা কোরান হাদিস সিরাত তাফসির পড়ত , তাহলে বুঝতে পারত। কিন্তু তারা পণ করেছে , কখনই কোরান হাদিস সিরাত ইত্যাদি নিজের মাতৃভাষায় পড়বে না। কোরান হাদিসের কিছু মাত্র না জেনেই তারা ইসলাম পালনে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। যাইহোক , এবার দেখা যাক , কিভাবে ইসলাম নিজেই মুসলমানদেরকে অসভ্য ও বর্বর বানায়।

রমজান সংযমের মাস। কিন্তু এদের সংযম কোথায়?


দীর্ঘদিন যাবৎ মসজিদে যাতায়াত করছি। কিন্তু যোগ্য ও ধর্মভীরু ইমামের দেখা আজও পাইনি। সবখানে কেমন যেন একটা ফাঁক আর সম্পূর্ণ ফাঁকিবাজি। ১০০০টা ইমামের ওপর কেস স্ট্যাডি করলে দেখা যাবে সেখানে ৯৯৯টা ইমামই ভেজাল। আর তারা ধর্মসাধনা বাদ দিয়ে নিজেদের লোভের ও লাভের তথাকথিত ইসলামী-রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়(?)


গ্রাম বাংলায় একটা প্রবাদ আছে 'খাইবো পোলাহানে, চিড়ায় জল না দিয়ে হিসু দিলেই কী!' জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দিয়ে দেশের ২১ লক্ষাধিক ছেলে-মেয়েকে সরকার শিক্ষার নামে হিসু খাওয়াচ্ছেন বলেই আমার বিশ্বাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের মৌলিক সংজ্ঞা যদি হয় হাজার বছরের জ্ঞান সংরক্ষণ, জ্ঞান বিতরণ ও নতুন জ্ঞান সৃষ্টির কর্তব্য পালন করা তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংজ্ঞা অনুযায়ী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আদৌ কি বিশ্ববিদ্যালয়?

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর