নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বুলবুল
  • জাকারিয়া হুসাইন
  • সৌরভ দাস
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত

নতুন যাত্রী

  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান
  • নিলয় নীল অভি

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

'বৈষম্য' নারীকে যেভাবে আটকে রাখতে চায়!


সমাজ যে জায়গায় দাঁড়িয়ে সেখান থেকে ‘বৈষম্য’ নামের যে শর্ট ফিল্ম বানানো হইছে তা সমাজের অন্ধকার দিক কে উপস্থাপন করে। প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমাজ অনেক অধুনিক হইছে ঠিকই কিন্তু চিন্তার ক্ষেত্রে? আমরা স্মার্টফোন ইন্টারনেট ফেসবুক টুইটার এসব ব্যবহারে দুনিয়ার কোন দেশ থেকে কোনভাবেই পিছিয়ে নেই, পিছিয়ে আছি কোন ক্ষেত্রে? সামগ্রিক চিন্তা জগতের বিকাশের ক্ষেত্রে। নারীর প্রতি দুনিয়ার অন্যান্য দেশের দৃষ্টিভঙ্গি বদলালেও আজকের বাংলাদেশের দৃশ্য কী? আজকের তরুণ পুরুষ ছেলেরা তার বোন আত্মীয়া বা প্রেমিকাকে কোন জায়গায় দেখতে চায়?

শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গ্রামসির ধারণা


শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড, এ নিয়ে কারো কোনো সন্দেহ থাকার কথা নয়। কিন্তু এ শিক্ষা কোন ধরণের শিক্ষা এ নিয়ে একটা প্রশ্ন সবসময় রয়ে যায়। কেন এমনটা বলছি তা নিচের উক্তিটির ব্যাখ্যাতেই পরিষ্কার করে দিচ্ছি।

“France was saved by her idlers!”

আমাদের দেশের বিশাল একটা জনগোষ্ঠি ডিপ্রেশনে ভুগছে।


আজ অব্দি এতবড় লিখা লিখেছি বলে আমার জানা নেই তবে আজ লিখলাম। হয়তো এটা কারও ভালোও লাগতে পারে আবার কারও বা নাও লাগতে পারে তবুও বলবো একটু পড়ার জন্য। আমি তাদের অনেকের সাথে কথা বলেছি। নিজেকে ডিপ্রেশন বিশারদ টাইপ কিছু মনে করি না, কিন্তু আমার মনে হয়েছে, তারা যদি কারো কাছে নিজেদের কথাগুলো বলে হালকা হতে পারে, এতোটুকু তো আমি করতেই পারি। সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটা নিয়ে মানুষ ডিপ্রেশনে ভুগছে – সেটা বেকারত্ব। বিডি জবসে লক্ষ লক্ষ সিভি, চোখের সামনে লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত বেকার।

যশোর রোডের প্রাচীন বৃক্ষঃ কিছু কি করা যায়?



আমার যুক্তিতে যতদূর বুঝি, রোড চারলেন হইতেই হবে আর তা হইতে হবে অতিদ্রুত। এখন কথা হইতেছে গাছগুলা কি বাঁচানো বা রক্ষা করবার কোনো উপায় আছে নাকি নাই। গাছগুলাকে বাঁচানোর প্রক্রিয়াও অনেক ব্যয়বহুল হবে। তবে প্রতিটা জাতি নিজেদের ভাল জিনিসগুলো ধরে রাখে, ঐতিহ্য ধরে রাখতে চায়, তার জন্য ব্যয় করে। আমরাও হয়ত করতে পারি। যশোর রোডের অন্যরকম সৌন্দর্য এখনো আমার চোখে ভাসতেছে।

আমি অল্পবুদ্ধিতে যা বুঝি, এই গাছ কিংবা আদি যশোর রোড অবিকৃত রাখবার একটাই উপায়, তা হচ্ছে যশোর রোডের পাশাপাশি প্যারালাল দুইলেনের আরেকটা ওয়ান ওয়ে রোড করা। চারলেনই তো প্রয়োজন, একমুখী দুইলেন হোক আদি যশোর রোডের আর অপর অংশ হোক অপরমুখী লুইলেনের। চারলেনের মহাসড়কে নরমালি ডিভাইডার থাকে, দুইলেন থাকে একমুখী আর অপর দুইলেন থাকে বিপরীতমুখী। যশোর রোডের একপাশের গাছগুলা হোক একসাইডের সীমানাপ্রাচীরের মতন আর অপরপাশের গাছগুলো হইতে পারে পাশাপাশি নির্মাল করা প্যারালাল রোডের ডিভাইডার, একটু বেশি প্রশস্ত ডিভাইডার হবে, এই যা। অতিরিক্ত কিছু জমি অধিগ্রহণ লাগবে, প্রকল্পখরচ আর মাস্টার[প্ল্যান বদলাইতে হবে, কিন্তু এইভাবেও তো সম্ভব। আর পুরা চারলেনের মহাসড়কেই যে গাছ বাঁচাইতে হবে এমনও হবে না। কেবল যেই যেই অংশে গাছগুলা বাঁচানোর দরকার, সেই অংশেই এমন করে মহাসড়কের নতুন পরিকল্পনা করলে কি হয় না?

কোন আওয়াজ নাই


কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন পদ্ধতি যেখানে সারা বিশ্ব পরিত্যাগ করছে, রাষ্ট্র তখন গো ধরে বসে আছে। থাকার কারণটাও একেবারে অমূলক নয়। রাষ্ট্র পক্ষ NTPC'র পাল্লায় পড়ে যে বসে আছে। সেই খপ্পরে পড়েই বাংলাদেশ এখন ভারতের কয়লা কন্সিউমার হতে যাচ্ছে। তারা দেখাবে বন্ধুত্ব এবং দৃশ্যমান উন্নয়ন।

কেন্দ্রের নয়া গবাদি বিধি ও লেডি জাস্টিশিয়ার মূর্তি অপসারণ প্রসঙ্গ


*পাঠকরা আপনাদের কাছে বিশেষ অনুরোধ লেখাটি বেশ বড় হয়েছে কিন্তু এতে রাজনীতি,অর্থনীতি,ধর্ম আর ও অনেক বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে ,আশা করি আপনারা লেখাটি ধৈর্য ও মনযোগ সহকারে পড়বেন।ধন্যবাদ ।
-----------------------------------
ভারত ও বাংলাদেশ এই দুই দেশেই ধর্মান্ধ রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ ঘটছে যার চরম নিদর্শন ভারতে কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া গবাদি বিধি ও অন্যদিকে বাংলাদেশে ন্যায়ের মূর্তি জস্টিশিয়াকে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গন থেকে অপসারণ ।

নারী; সম্মান ও প্রাপ্তি।


তো, সেদিন বাসা থেকে বের হইছি, বাসা আমার উপজেলা শহরে। ঢাকা যাবো। আম্মু আছে সাথে, আম্মু যাবে মতিঝিল, ছোটভাইয়ের ওখানে, আমি যাবো মোহাম্মদপুর।
বের হতেই সামান্য দেরী হয়ে গেছে, বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া শেষ বাস ও চলে গেছে।
জেলা শহর থেকে একদম মতিঝিল পর্যন্ত নাস আছে, তো সেই উদ্দেশ্যে টুকায়েচটুকায়ে জেলা শহর আসলাম।
সেই বাস ও চলে গেছে।
এখন গাবতলী পর্যন্ত যায়ে তারপর আলাদা বাসে যাওয়া যায়।
কিন্তু আম্মু একা যাওয়ার পক্ষপাতী না। গাবতলী নাইমে সেখান থেকে সিএনজি/বাস/উবার কোনটাতেই সে একা যাওয়ার সাহস পায় না।

অযৌক্তিকভাবে নারীকে হেয় করে শর্ট ফিল্ম ভাইরাল ফেসবুকে


'I Want 2 Love U' একটা facebook পেইজে নারীদের অসম্মান করে এবং নারীদের হেয় করে একটা ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। যেখানে পজেটিভ নেগেটিভ দুই ধরনের কমেন্টই আসছে।তবে বেশীর ভাগই ভিডিওকে সমর্থন করে এবং অনেক মেয়েও সমর্থন শেয়ার করেছে।ভিডিওটির লিংক দেওয়া হলো। লিঙ্ক

যাই হোক, প্রথমেই বলবো ভিডিও কনসেপ্ট পুরুটাই ভুল।যেটায় আমি কোন কথারই যৌক্তিক কারণ খুজে পেলাম না।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর