নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মারুফুর রহমান খান
  • নরসুন্দর মানুষ
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ
  • শহিদুল নাঈম

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

পুলিশ,র‍্যাব ভাইদের প্রতি আবেদন , ধর্ষক'দের পরিণতি হোক ক্রস-ফায়ার ।


বাংলাদেশ পুলিশ এবং র‍্যাব বাহিনীর কাছে একটি আবেদন । প্রায়ই পত্রপত্রিকায় ক্রস-ফায়ারের খবর পেতাম । এদের মাঝে খুনি , ডাকাত , সন্ত্রাসী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেও অনেকে ক্রস-ফায়ারের স্বীকার হয়েছে । কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন ধর্ষকের ক্রস-ফায়ারের খবর পেলাম না !!!

ফটোগ্রাফির দুনিয়ায় আপনাদের স্বাগতম


ফটোগ্রাফি প্রথমে ছিল কেবলই শখ। বুঝতেও পারি নি কখন সেটা নেশায় পরিনত হয়েছে। চাকরির সুবাদে সারা দেশে ঘুরে বেড়াই। বেশিরভাগ সময়েই সাথে ক্যামেরা থাকে। এভাবেই একদিন খেয়াল করলাম যে ছবি তোলাটা একটা নেশা হয়ে গেছে। কি আর করা? শখের ফটোগ্রাফার বনে গেলাম।

ইষ্টিশনের নয়া যাত্রী হিসেবে টিকেট কাটলাম ! চা বিড়ি কে খাওয়াবে ?


নতুন সব কিছুই খুব ভাল। তাছাড়া ইষ্টিশন এর গঠন প্রক্রিয়া যেহেতু নির্মাণাধীন সেহেতু আশাকরি, এই নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পড়ে এই ইষ্টিশন মুখরিত হবে ব্যাপক ভাবে। ঠিক সেই মুহূর্তের প্রস্তুতি নিতে আগে থেকেই টিকেট কাটলাম। শুরু হওয়ার পড়ে যদি আবার টিকেট ব্লাক মার্কেটে চলে যায়। তখন হয়তো বা আফসুস করতে হবে প্রথম প্রথম চা বিড়ির লাইনে দাড়াতে পারিনি বলে। আমি সেই সুযোগ হাতছাড়া করার পাবলিক না।

যাইহোক, বলছি সংক্ষিপ্ত কথা...

কোন ভাবেই দশ(১০) নয়,নয়(৯) (সূক্ষ্ম রস বোদ্ধাদের জন্য,উইড)


১। সাইন বোর্ডে লেখা আছে " সরকারী অফিসের সামনে ময়লা আবর্জনা ফেলবেন না" এটা দেখে আমার এক বন্ধু জানতে চাইল বলত এর মানে কি? আমি কিছু বলতে যাওয়ার আগেই সে বলল। সরকারী অফিসে ময়লা তো ভিতরে থাকে বাইরে না।এই জন্যই নোটিশ দিয়ে দেয়া হয়েছে।

২। একটা জন্মদিনের নিমন্ত্রণে গিয়েছি। এটা ছিল তার ৫৬তম জন্মদিন। প্রতিবছরই তার জন্মদিন আয়োজন করে পালিত হয়। এবারও কেক কাটার সময় তার স্ত্রী এসে পাশে দাঁড়াল। তো আমাদের মাঝ থেকে এক রসিক জানতে চাইল গত বছর আপনার সাথে দাঁড়িয়ে কি তিনিই কেক কেটেছিল!! নাকি আরেক জন?

গু, যেদিকেই উল্টান সমান দুর্গন্ধ !!!


রুশো পাগলা বডড বিপদে আছে নিজেকে নিয়ে ,মাস দুই চাকরি বাকরি ছেড়ে বসে আছে ।দুঃসময়টা আর কাটছেনা ,ঠিক যেন আমার দেশটার মত ।পেপার পড়তে মন চায় না,সরাদিন একটা লাগসই চকরির ধান্দা করি, ব্যাটে বলে হচ্ছে না কোনো মতেই।চারদিক থেকে সমস্যা গুলো এমন করে চেপে ধরেছে যে পাগলামি ছুটে যাবার যোগাড় । বেশ কয়দিনের জমানো খবরের কাগজ নিয়ে একবেলা কটিয়ে দিলাম । দফ্য় দফায় আমার ২ বছর বয়সী ভাইগ্নার অসহযোগ স্বত্তেও যেটুকু পড়লাম তাতে ইস্টিশনের পাতা ছাড়া দুইন্যায় আর কুনু জায়গা পাইলামনা - একটাই বিকল্প থাকে ইস্টিশনের পথ ঘাটে পাগলামি কইরা মাথা ঠান্ডা নাহইলে মহাম্ম্মাদপুর নুরজাহান রোডে যায়া হায়দার বাবার পিছে দিন দুই চাইর হাইটা তা

শুভেচ্ছা


নতুন ধারায় ইস্টিশন কু...........................ঝিক.ঝিক.ঝিক.ঝিক.ঝিক করে এগিয়ে চলবে। সবাইকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমরা সবাই ট্রেনে করে অনেক দূরে যাব। এই ট্রেনের বগি কি ১০০টা করা যাবে যেটা দেশের তথা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ট্রেন হবে, সবচেয়ে বড় ইস্টিশন হবে খুব মজা হবে। পার্টি হবে। হুহুহুহুহুহুহুহুহুহুহুহুহুহু সবাই কি বলেন ? :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি:

পরীক্ষামূলক সংস্করনে পরীক্ষামূলক লেখা


হ্যালো ইস্টিশন কেমন আছো? আমি তোমার এই প্ল্যাটফর্মে নতুন এক যাত্রী,শুনেছি তুমিও নাকি নতুন।তাহলে বেশ ভালোই হলো নতুনে নতুনে বেশভালো সখ্য হবে বটে।

তবে কিছু অতীতের কথা তোমাকে আজ জানাতে চাই।বলতে চাই মনের গভীরের কিছু কথা,শুনবে কি? সময় হবে কি তোমার এই যাত্রীর জন্য?
শুরু থেকেই বলি তোমায় না বলা কিছু কথা তবে সেখানে মেশাবো বলে ফেলা অনেক কথা।

স্মৃতিতে সজীব ভাই...


ছেলেটার নাম প্রথম আলাদা করে শুনেছিলাম তারেক মাসুদ আর মিশুক মুনীর মারা যাওয়ার পরে শহীদ মিনারে ঈদ উদযাপন এর যে কর্মসুচী দেয়া হয়েছিলো সেখানে। সেখানে সকালে গিয়েই যখন চোখে ব্যানারটা পড়লো তখন বুঝেছিলাম এটা সাধারণ কোন ব্যানার লেখার দোকান থেকে করা নয়। জিজ্ঞেস করতেই তার নাম শুনলাম। “ছাত্র ইউনিয়ন এর সজীব”। এর আগেও বেশ কয়েকটা জায়গায় পরিচয় হয়েছিলো। কেমন যেন চুপচাপ একটা ছেলে। রাজনীতি করা যেসব ছেলে আমাদের চোখে ভাসে তার থেকে সম্পুর্ণই আলাদা যেন সে। কেমন একটা নিজেকে লুকিয়ে রাখতেই ভালোবাসে এমন একটা ভাব। তার গাম্ভীর্য যেন অন্য জায়গায়। সবার সাথেই মিশে যাবে, কিন্তু নিজের সাথে মিশতে দেয়না কাউকে।

মাদকের মরণ ছোবল গ্রাস করছে কোমলমতি শিশুদের


সারাদিন খিদের জ্বালায় ছটফটাই। খাতি পাইনে। ড্যান্ডি খালি পরে খিদে লাগে না। ক্ষুদার জ্বালায় মাদকের ফাদে পা দেওয়া এক শিশুর সরল আর করুন স্বীকারোক্তি।

হিমযাত্রা।


তুষারে ঢাকা হিম রাতগুলো গলে গলে যায়। অনিয়মের ফাঁক ফোকরে ঢুকে পড়ে অবাধ্য জীবন। নির্বোধ ইচ্ছেগুলো ডিঙ্গিয়ে আমিও ঢুকে পড়ি প্রতিদিনের নিরব অন্দরে। সেখানে হিম হয়ে বসে থাক রাত্রি, বয়ে নিয়ে যায় দূরের উপত্যকায়, ঘুমের গভীরে। মনের মধ্যে এক ইতস্তত খেলা, সে কি এলো?

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর