নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • কৌশিক মজুমদার শুভ
  • শ্মশান বাসী

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

দুষ্ট তোমরা, কিচ্ছু বুঝোনা। ট্রাইবুনাল তো বা... মানে ভালো!


ট্রাইবুনাল যে আসলে আপনাদের পক্ষে কাজ করতেসে বুঝতে পারেন কি?
দাঁড়ান ক্ষেইপেন না। পড়েন বাকিটুকু.....
ট্রাইবুনালে যারা আছে, তারা জানে রায়ে যদি ফাঁসি দেয়া হয়, তাহলে জামায়াত সারা দেশে ধ্বংসজজ্ঞ শুরু করবে। এটা শুধু তারা না, আমরা সবাইই জানি। এবং তখন আমজনতা চাচা আপন প্রান বাঁচা বলে দৌঁড়ে পালাবে। চিন্তা করেন, বাঙ্গালী কিন্তু তাইই করে সব সময়। তারপরেও এই বাঙ্গালীই কিন্তু '৭১ এ প্রানবাজী রেখে যুদ্ধ করেছিল, স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল। একবারো কি মনে হয়না, কিভাবে সম্ভব সেটা?

শাহবাগে প্রতিবাদ [ফটোব্লগ]


রেলমন্ত্রীর পোস্টে শেষ আপডেট পেলাম আমি ফিরে আসার পর। সমাবেশে এখনো অসংখ্য মানুষের ভীঁড়। মানুষ কমেনি। অনেকে চলে যাচ্ছেন, যোগ দিচ্ছেন আরও অনেকে এসে। সমাবেশে যোগ দিয়েছেন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, বিশিষ্ট সংস্কৃতিকর্মী নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, শিল্পী সব্যসাচী হাজরা প্রমূখ। এই কর্মসূচীর খবর সংগ্রহ করতে ছুটে এসেছেন বিভিন্ন মিডিয়ার সিনিয়র সাংবাদিকেরা। উপস্থিত সবার একটাই বক্তব্য, এই রায় আমাদের মনোভাব প্রকাশ করেনি। আমরা ফাঁসি চাই। এবং সব রাজাকারের ফাঁসি। উপস্থিত আন্দোলনকারীরা গান গেয়ে, গিটার তবলা বাজিয়ে একে অপরকে অনুপ্রাণীত করছেন। সভাস্থলের

কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি


আজ দুপুরে রায় শোনার পর
মনে হইছে এই দেশের মাটি আমাদের
পায়ের নিচ থেকে সরে যাচ্ছে!এই দেশ
আর আমাদের নেই।কাদের কসাইয়ের মত
ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধী যখন ট্রাইবুন্যালের
কাছে যাবজ্জীবন কারাদন্ড পুরস্কার
পায় তখন
বাঙালি হিসেবে নিজেকে অপরাধী হয়।
৩০লক্ষ শহীদের রক্তের
কাছে নিজেকে অপরাধী মনে হয়,আমার
২লক্ষ নির্যাতিতা মা-বোনের
আর্তনাদের কাছে অপরাধী করে দেয়।
যখন কাদের কসাই আদালত থেকে বের
হয়ে বিজয়সূচক চিহ্ন প্রদর্শন
করে তখন অপমানে মাটির
সাথে মিশে যেতে ইচ্ছে করে।যখন
দেখি রায়ের পর প্রতিটি মুক্তিযুদ্ধের
চেতনায় বিশ্বাসী মানুষ
ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করছে এই কলঙ্কিত
রায়কে তখন কিছু আওয়ামী পেইড

সাবধান আওয়ামীলীগ এবং সাবধান রাজাকারের বাচ্চা।


গতকাল হবিগঞ্জে ছিলাম। দুপুরে লাঠির মাথায় সাদা এক টুকরো কাপড় বেঁধে এবং কাপড়টা লাঠিতে পেঁচিয়ে মিছিলে দল বেঁধে লোক জন যাচ্ছে। পৌর সভার মাঠে। দুই ঘন্টা সেখানে যুদ্ধপরাধীদের মুক্তির জন্য সভা করে। পুলিশ সার্কিট হাউসের সামনে দাঁড়িয়েছিল। কোন সংঘর্ষ হবার সম্ভাবনাও দেখি নাই। এবং হয় নাই। জামাতের সভার ব্যানারে লেখা ছিল শান্তিপূর্ণ সমাবেশ। কোন ব্যানারে নিজেরাই লিখেছে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ। তার মানে আগে যে সব সমাবেশ তারা করেছে তা শান্তিপূর্ণ ছিল না? এটা তাদের নতুন ফর্মুলা। কিন্তু পুলিশ হঠাৎ নীরব কেন? সাপে নেউলে সম্পর্ক হঠাৎ গলায় গলায় ভাব কি ভাবে হলো?

বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়াঃ এ রায় আমি চাইনি, এ রায় আমরা চাইনি (আপডেট)


আমি ভীষণ কষ্ট পেয়েছি। এই রায় আমি চাইনি। এ কথা বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন শহীদ কবি মেহেরুননিসার বন্ধু কবি কাজী রোজী।
রায ঘোষণার পর কেবল কাজী রোজী নন, রাজনীতিক-লেখক-সংস্কৃতিকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষের কণ্ঠে হতাশা ও ক্ষোভ লক্ষ করা গেছে। তাঁদের কথা হলো, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে গণহত্যা ও ধর্ষণসহ অনেকগুলো গুরুতর অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে, তাঁকে এমন লঘু শাস্তি দেওয়ার কী কারণ থাকতে পারে?
আদালত থেকে গাড়িতে ওঠার মুহূর্তে যুদ্ধাপরাধী আবদুল কাদের মোল্লা হাতে ভি চিহ্ন দেখিয়েছেন। জামাত আগামীকাল আরেকটি হরতাল ডেকেছে। তাহলে কি জামাত রায়ে খুশি হয়েই দেশবাসীর ওপর আরেকটি হরতাল চাপিয়ে দিল?

মাননীয় বিচারক, আমি চোদনা হয়ে গেলাম


রাজাকার কসাই কাদেরের রায় হইসে। তার যাবজ্জীবন কারাদন্ড হইসে। না, সারাজীবন না। বছর নয়েক কারার ভিত্রে দন্ড বাগায়া বইসা থাইকা কাদের সাব আবার ফিরবেন। সরকারি গাড়িতে চড়বেন। পতপত উড়বে জীর্ণ শীর্ণ জাতীয় পতাকা তার গাড়িতে। পচপচ শব্দে তিনি আবার পাছা মারবেন বাঙ্গালীর। তাগো জোট ক্ষমতায় আসলে অবশ্যি দিনটা আরও আগায়া আসবে।

এক্ষাণ খুন করলে শাস্তি মৃত্যুদন্ড। কিন্তু শয়ে শয়ে হাজারে হাজারে করলে তারেতো আর ছিচকে খুনির পাল্লায় ফেলা যায়না। তাই মহামান্য হরিদাস পাল বিচারক তার রায় দিসেন বাংলালিংক দামে। শত হইলেও গ্রামীনফোন হোলসেলে কোন মনখারাপ হওনের আশংকাতো নাই, কি কন?

ইস্টিশন-১


ভর দুপুরে হটাৎ ঘুম ভেঙে গেল। কাল সারারাত একফোঁটাও ঘুম হয়নি। এই প্রথমবার ট্রেন জার্নির রোমাঞ্চ সারা রাত চোখের পাতা এক করতে দেয় নি। হেঁটে হেঁটে এক বগি থেকে অন্য বগি আর দু-বগির মাঝখানে সিগারেট ফুঁকতে ফুঁকতেই রাত পার। অবশ্য পাশের কম্পার্টমেন্টে সুন্দরী রমণীদের ঝাঁকটি রাতে ঘুম না হবার অন্যতম প্রভাবক সেটা তো বলাই বাহুল্য। একটু চোখাচোখি, মুচকি হাসি তারপর আলাপ, রাতে কি আর ঘুম চোখ স্পর্ষ করতে পারে?

কসাই কাদেরের জন্য দেওয়া এই রায় মানিনা।


কিভাবে শুরু করব মাথাতেই আসছে না ইচ্ছে করছে সব ভেঙ্গে চুরমার করে ফেলি।নিজের মাঝে এই মুহুর্তে নিজেই নাই হয়ে বসে আছি।কি যে হচ্ছে নিজের মাঝে তা কাউকেই বোঝাতে পারছি না।কি প্রতিক্রিয়া চলছে নিজের ভিতর তা কাউকে কিভাবে বোঝাবো সেটি বুঝতে পারছি না।মাথায় শুধু ঘুরছে গত একটি বছরের আমার অনলাইন কর্মকান্ডগুলো,শুধু আমার একার না সাথে ঘুরছে যাদের আমি অনুসরন করে চলেছি তাদের সকলের কর্মকান্ড।হতবাক কিনবা বাকরুদ্ধ এর কোনটাই হতে পারছি না,নিজের সাথে আবোল তাবোল বলা শুরু করে দিয়েছি।মনে হচ্ছে কেউ প্রলোভন দেখিয়ে আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে সেটিকে এখন দূর্বলতায় ফুটিয়ে তুলেছে।গত এক বছর ধরে অনলাইনে একটি বিষয়কেই মূখ্য করে কাজ করে

কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও দুইটি আইনী প্রশ্ন / আকরামুল হক শামীম


৫ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে। ১৩২ পৃষ্ঠার রায়টিতে ৪২৯টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। অবশ্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ সংক্ষিপ্ত রায় পাঠ করেছে। রায়ে ২টি অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৩টি অভিযোগে ১৫ বছর ধরে কারাদণ্ড এবং ১টি অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অব্যহতি প্রদান করা হয়েছে।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর