নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

শুনে নাও মহাকাল


এই দেহ কখনো সীমানা চেনে না
এই আত্না কখনো বাধন মানে না
এই চোখ আর অশ্রু খোঁজে না
এই নিঃশ্বাস কভু ভারি হয় না।

শত আঘাতে কাবু হয় না চাহনি
দূর হতে আমি তারই তোপধ্বনি শুনি
নিষ্পলক চোখে প্রতিশোধের স্বপ্ন বুনি
হুশিয়ার যত রক্তপিপাসু হায়েনা আর খুনি।

আজ শুধু শত্রু হননের দৃঢ় প্রত্যয়
মিশে গেছে আধারে যত আছে ভয়
শপথে শপথে করেছি হায়েনাদের ক্ষয়
হবেই হবে আমাদের নিশ্চিত বিজয়।

ওমা , জানো না ?


২৫ শে মার্চ কালো রাত্রি কি হয়েছিল
জানো সোনা বাবু ?
ও মা কাঁদছ কেন
চোখ কচলে লেবু

জানো না ? কেউ বুঝি লুকেয়েছিল !
তাতে হয়েছে কি
জানবে এবার মায়ের কথা
সোনা বাবু লক্ষ্মী

৪ এপ্রিল সকাল ১১ টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও দাবী


গনজাগরণ মঞ্চ ২১ ফেব্রুয়ারীর জামাত নিষিদ্ধের আলটিমেটামের পর ২৬ মার্চ যে কর্মসুচী ঘোষণা করেছেন তার সঙ্গে আমরা সম্পুর্ণ একমত। তবে সরকার ৩৫ দিনের দীর্ঘ সময় পাওয়ার পরেও কোন অর্থবহ ও সুস্পষ্ট পদক্ষেপ ঘোষণা না করায় শাহবাগে ২৬ মার্চের সমাবেশের স্বতঃস্ফুর্ত জমায়েত ৪ এপ্রিল সকাল ১১ টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও কর্মসুচী দাবী করে স্লোগান দেয়। তারই জের ধরে শাহবাগে ৫ ফেব্রুয়ারী থেকে আন্দোলন চালিয়ে আসা তারুণ্যের প্রতিনিধিরা মিছিল করে আলটিমেটাম পরবর্তী কঠোর কর্মসুচী দাবী করেছে।

বর্তমানের গান


করে যাব যুদ্ধ মনের সাথে মোরা, কে কে যাবি আয় তোরা দল বেঁধে আয়,
চলার পথে দেখে ভিখারি মায়ের কোলে, নগ্ন কোনও শিশু কাঁদছে ক্ষুধায়,
মন যদি বলে ওঠে হায় কী যে কষ্ট, অনাহারি মানুষের এই দুনিয়ায়,
তাকাবনা, দেখবনা, কোনও কিছু বলবনা, মনের সাথে কেহ নাহি দেব সায়!
কুকুরের মত যারা লাথি খেয়ে বেঁচে চলে, কুকুর-ই তো ঠিক শুধু তাদের উপমায়!

যদি দেখো রাস্তার পাশে কোনও ছিনতাই, সুখস্মৃতি ভেবে নেবে বেঁচেছ যে তুমি তাই!
সুন্দরি মেয়ে কোনও হারাচ্ছে ইজ্জৎ, মেয়েটা খারাপ ভেবে কেটে যাবে আলবৎ!
সরকারি কাজে গেলে পিয়ন হতে অফিসার, মোটা টাকা সেলামি করে বসে আবদার,

উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে


  "উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে " - চরম জনপ্রিয় একটা বাংলা  প্রবাদ,  ঐতিহ্যগত ভাবেই এই প্রবাদটার সফল বাস্তবায়নে "সিরম" পটু এদেশের  আপামর রাজনীতিবিদগণ... কিন্তু ইদানীং আপামর পাবলিক ও এই প্রাচীন প্রবাদের সফল  বাস্তবায়নে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ  করছে.... এর কারণ হচ্ছে জাতি আজ দুই পার্টিতে  বিভক্ত - নাহ, বিএনপি আর আওয়ামিলীগ না ; "আস্তিক পার্টি" আর "নাস্তিক পার্টি" তে বিভক্ত পুরা  দেশ....... !! যার সূত্রপাত ব্লগার রাজীব হায়দারের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে , তাকে নিয়ে এমন কিছু নোংরা  পলিটিক্স খেলছে জামাতি জারজ্রা , যা বাংলাদেশের ইতিহাসেই বিরল !!! শুধু জামাতিদের দোষ বললে অবশ্য বিম্পির প্রতি অবিচার করা হবে .....

দেশব্যাপী সুস্থ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সংস্কৃতি সংকট- মুক্তির পথ


দেশ ও জাতি এক ভয়াবহ সংকট কাল অতিক্রম করছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরনে গোটা দেশ ও জাতিকে সুস্থ, সঠিক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সংস্কৃতি চর্চার পথ খুঁজতে হবে। সে পথ আঁকা-বাঁকা, কাঁটার আবৃত্ব, কন্টকাকীর্ণ, অবশ্যই মসৃণ নয়।

জিয়ার স্বাধিনতা ঘোষনা - আর অর্বাচিন বালখিল্যতা


এই নিয়ে কত বিতর্ক। জিয়াউর রহমান ঘোষনা দিয়েছিলেন ঘটনাচক্রে দৈবাত সেই মুহুর্তে চট্টগ্রামে উপস্থিত ছিলেন বলে - অন্য কোনো অফিসারও হতে পারতো। ওই ঘোষনার গুরুত্ব তখন পর্যন্ত অচেনা অজানা মেজর জিয়াউর রহমানের বিদ্রোহ নয়, বরং একমাত্র বাঙালি সামরিক ইউনিট ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টগুলির, ইউনিট হিসাবে বিদ্রোহ। যা পাকিস্তানি আক্রান্ত নিরস্ত্র বাঙ্গালিকে প্রচন্ড সাহস আর আশা যুগিয়েছিল।

রাষ্ট্রদ্রোহিতা!যে কারনে সহজলভ্য।


হেফাজতে ইসলাম,বেরাদরানে ইসলাম,খেদমাতুল পরিষদ,মাহমুদুরের মামলা প্রতিরোধ কমিটি,সংখ্যালগু রক্ষা পরিষদ ইত্যাদি ইত্যাদি আরবী নাম সংবলিত ভূঈফোঁড় কিছু সংগঠনের নেতাদের বক্তব্য শুনলে যে কথাটি মনে পড়ে যায় ।। বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরীকে একবার এক সাংবাদিক(সম্ভবত শফিক রেহমান)তিরস্কার বা আক্রমন করে কিছু লিখালিখি করেছিলেন।ঐ বিষয়টা প্রচার হবার পর গাফফার সাহেবের কিছু শোভাকাঙ্খি উনাকে বলেছিলেন,একটা লোক আপনাকে এত অপমান বা সমালোচনা করলো আর আপনি জবাবে কিছুই লিখলেন না?প্রতিউত্তরে গাফফার সাব বললেন,ঐ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে যদি আমি কলম ধরি তবে প্রচার পাবে যে, গাফফার যে লোকটির সমালোচনা করেছে নিশ্

নালন্দা ও বখতিয়ারের প্রথম অভিশাপ


নালন্দা ভারতের বিহার রাজ্যে অবস্থিত একটি প্রাচীন উচ্চশিক্ষা কেন্দ্র। প্রাচীন নালন্দা মহাবিহার বিহারের রাজধানী পাটনা শহর থেকে ৫৫ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত ছিল। খ্রিষ্টীয় ৪২৭ অব্দ থেকে ১১৯৭ অব্দের মধ্যবর্তী সময়ে নালন্দা ছিল একটি প্রসিদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র। এই মহাবিহারকে "ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অন্যতম" বলে মনে করা হয়। এখানকার কয়েকটি সৌধ মৌর্য সম্রাট অশোক নির্মাণ করেছিলেন। গুপ্ত সম্রাটরাও এখানকার কয়েকটি মঠের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। ঐতিহাসিকদের মতে, গুপ্ত সম্রাট শক্রাদিত্যের (অপর নাম কুমারগুপ্ত, রাজত্বকাল ৪১৫-৫৫) রাজত্বকালে নালন্দা মহাবিহারের বিকাশলাভ ঘটে। পরবর্তীকালে বৌদ্ধ সম্র

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর