নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

আমার বাগানের তাজা মুলা..!! ঝুলিয়ে দিলাম..!!!


দুমিনিট সময় হবে..?? কিছু বলার ছিল...
অনেক দিন ধরেই বলতে চাচ্ছিলাম। কিন্তু ঠিক গুছিয়ে উঠতে পারিনি। বড্ড দেড়ি হয়ে যাচ্ছে। তাই ভাবলাম এলোপাথারীই বলে ফেলি। ইচ্ছে থাকলে গুছিয়ে নেবে হয়ত।

দেখ, আমি মানুষটা নেহায়াত খারাপ না।
অবাক হচ্ছ..?? ভাবছ এমন বিনয়ের সাথে সময় চেয়ে এখন আবোল-তাবল বলা শুরু করলাম কেন.!!
যাখুশি ভাবতে থাক, তবু বলতে হবে আমার।

সকল ব্লগারগণ নাস্তিক নয়, যেমন সকল আলেমরা মওদুদী, গোলাম আযম, নিজামী, সাঈদীর মত ভন্ড নয়


গত ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৩ জামায়াতের নায়েবে আমীর দেলোয়ার হোসেন সাঈদী ওরফে দেউল্লা রাজাকার ওরফে দেলু শিকদারকে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতা বিরোধী বিভিন্ন অপরাধের (খুন, ধর্ষন, অগ্নিসংযোগ, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি) সাথে যুক্ত থাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ তাকে ফাঁসির আদেশ দেন। এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ গত ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৩ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে (মোট ১০৫ বছর জেল, সাজা খাটতে হবে ২৩ বছর)। এরও আগে গত ২১ জানুয়ারী ২০১৩ জামায়াতের সাবেক রুকন বাচ্চু রাজাকার হিসেবে পরিচিত আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগের মধ্যে সাতটিতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঐতিহাসিক আদেশ দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। পর পর তিনটি মামলার রায় এখানে এসেছে।

গুড নাইট এন্ড গুড লাক..!!


গতকাল রাতে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে বাসে উঠলাম। এক বন্ধুর ফোন আসল এসময়। কথা বলা শেষে যখন ফোনটা রখতে যাব খুব সুন্দর করে ও আমাকে উইশ করল...
"....গুড নাইট এন্ড গুড লাক..!!"

ঠিক যেমন করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হতভাগ্য মানুষেরা প্রিয়জনদের উইশ করে ঘুমাতে যেত। যখন কেউ জানত না তাদের মধ্যে ক'জন ভোরের আলো দেখতে পাবে। কিংবা আর একটা রাত উইশ করে ঘুমাতে যেতে পারবে..!

শুটকি


বুয়া সকালে আজকের রান্না করে দিয়ে গিয়েছিল। বিকেলে আসার কথা না থাকলেও তাকে ডেকে আনা হয়েছে। অনু বাড়ী থেকে ফিরেছে কিছুক্ষণ আগে। আসার সময় কয়েক জাতের মাছের শুটকি নিয়ে এসেছে। রাজিব মিনতি করে বলেছে যেভাবেই হোক আজ রাতে অন্তত রূপচাঁদা শুটকিটা খেতেই হবে। অনুর সাথে রাজিবেরও চট্টগ্রাম যাওয়ার কথা ছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে যেতে পারেনি। বড়লোক বাবা মা’র একমাত্র আদরের সন্তানদের নানান ঝামেলা। এখানে যেতে পারবে ওখানে যেতে পারবে না, এটা খেতে পারবে ওটা খেতে পারবে না- একশ একটা নিষেধের বেড়া। রাজিবের টিকেটে শেষ মুহুর্তে শান্তুনু গিয়েছিল।

মজা না? মজা তো।


সত্যি কথা হল যতক্ষণ না আমি নিজে আক্রান্ত হবততক্ষণ আমি সচেতন হব না।
যতক্ষণ আমার আপন ভাই মারা যাবে না ততক্ষণ আমিমেয়েদের ইনবক্সে লুল ফেলব। প্রেমিক কেন নাই তা নিয়ে আফসোস করব। জরিনা কেন আমার হল না সেই চিন্তা করব। রহিম কেন আরেকটু স্মার্ট না তা ভেবে দেখব। আমার মন উদাস থাকবে। আমি কবি হব। আবর্জনা স্বরুপ প্রেমের কবিতা লিখে আমার ওয়াল পুরুষ্ট করব। আমারই তো ওয়াল, যা ইচ্ছা তা লিখব।

The creativity of কাজের বুয়া of Dhaka city


ঢাকা শহরে যারা Bachelor, মেসবাড়িতে ভাড়া থাকেন কিংবা খাওয়া-দাওয়া করেন Family-র বাইরে তাদের সবারই কম-বেশি অভিজ্ঞতা আছে সেইসব খালাদের ব্যাপারে যারা মেসগুলোতে রান্না করেন। সময় বাঁচানোর স্বার্থে তারা এমন সব খাবারের Item তৈরি করে থাকেন যা সিদ্দিকা কবির কিংবা টমি মিয়া কোনদিন কল্পনাও করতে পারবেন না। সময় বাঁচানোর এই তাড়নার সাথে আর্থিক ব্যাপার জড়িত। কেননা এক সাথে একাধিক বাসায় তারা রান্না করে থাকেন। এই তাড়াহুড়া করার কারনে তারা রান্নার জগতে যেসব বিপ্লব সাধন করেছেন এবং সেই বিপ্লবের যেসব ফলাফল আমি নিজের উপর প্রয়োগ হতে দেখেছি তা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। আমি নিশ্চিত, আপনাদের অভিজ্ঞতাও এই ব্যাপারে কম নয়।

সাঈদির চন্দ্র বিজয়


ইহা একটি ১৮+ ছড়া
"সাঈদি হুজুর চান্দে গেছে সঙ্গে নিয়ে মেশিনখান
নাতনি পাড়ায় কান্নার রোল নানা তাদের খাবেনা পান।
লইট্টা ফিসও পড়ে আছে হলনা খাওয়া সেই দুঃখে
টেবিলখানা পড়ে আছে বিমর্ষমনে নিজ কক্ষে।
চাঁদের খুশি বাঁধ ভেঙ্গেছে চাঁদের বুড়ি মহাখুশি
খুশিতে সে পাগল হয়ে দিয়ে দিল নিজ পুশি।
সাড়ে সাত ইঞ্চি মেশিন বুড়ির করল কাহিল অবস্থা
হুজুর বলল চলবে মেশিন যথাতথা করছি তাহার ব্যবস্থা।"

মৃত্যুর অপেক্ষা


হো শুরুতে প্রচুর দর্শক শ্রোতা এসেছিলেন। এখন তেনারা নাই। তেনারা যেখান থেকে এসেছিলেন সেখানেই ফিরে গেছেন। যারা মাথায় "ফাসি চাই" ব্যাজ লাগিয়ে ঘুরাঘুরি করেছেন, ছবি তুলেছেন, সেই ছবি ফেসবুকে দিয়ে ব্যাপক লাইক কুড়িয়েছেন। তেনারা এখন আবার মুখরুচক প্রাপাগান্ডায় মনোনিবেশ করেছে। যারা চুপচাপ থেকে খেলা দেখার কায়দায় দেখছিলেন এখন তেনারা বেশ কুমন্ত্রনা দিচ্ছেন। যে চুশিলরা একসময় ধর্মের বাইরে মানবতার কচলাকচলি করে টিভি পর্দা ছিড়ে ফেলেছিলেন তেনারা এখন নাস্তিক আস্তিক নিয়ে বেশ মজা নিচ্ছেন।

প্রজন্মের মোমবাতি জ্বলে উঠুক দুপুরের তপ্ত সূর্য হয়ে


"আমরা সংঘাত চাই না।তবে তারা (বিএনপি-জামাত) মার দেবে,আমরা বসে বসে দেখব,এত দুর্বল হইনি।যারা তান্ডব চালাচ্ছে,তাদেরও ঘরবাড়ি,ব্যবসা আছে।মানুষ যদি খেপে গিয়ে হামলা করে,তাহলে তারা কোথায় যাবে?" ৭মার্চের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী।তাঁর এ বক্তব্যের ব্যাখ্যায় পরে যাচ্ছি।তার আগে শুরু থেকে এ পর্যন্ত ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো পরিস্থিতি বিশ্লেষণের সুবিধার্থে সংক্ষেপে উল্লেখ করছি।

বিএনপির স্ট্র্যাটেজী


বিএনপির স্ট্র্যাটেজী মনে হয় ধরতে পেরেছি।
তাদের স্ট্র্যাটেজী হল,

জ্বী জনাব। খালি। লক্ষ্য বিহীন। তারা ভেবেই রেখেছে শুধুমাত্র সরকারের ব্যর্থতার হাওয়ায়উড়ে সোজা গদিতে পৌঁছে যাবে।
পাঁচ বছর আগেও এটি ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু সমস্যা হল এটা ২০১৩। জনগণ আগের মত সাফেল খেলতে আগ্রহী নয়, বরং সুযোগ দিতে চাই।
অন্যদিকে বিএনপির রাজপুত্রদের হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির ইতিহাস এখনও দগদগে।
আপনি সুশীল যতই সুরঞ্জিতের ১০ কোটি টাকার কাহিনী বলে বেড়ান না কেনো, এই রুট লেভেলের মানুষ হাজার কোটি টাকার মহাকাব্য ভুলে যাই নি।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর