নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সৈকত সমুদ্র
  • কাঠমোল্লা
  • মৃত কালপুরুষ
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

ঘোলা পানিতে মাছ শিকার বন্ধ করেন


সরকার বলছে জামাতের নিবন্ধন বাদ করতে পারে ইসি। ইসি জামাত বিষয় নিয়ে বৈঠক করেছে। প্রচলিত আইনের সাংঘর্ষিক এমন বিধান জামাতের গঠন তন্ত্রে আছে। অতএব তাদের নিবন্ধন বাতিলের চেষ্টা চলছে। নিবন্ধন বাতিল করলে আসলে কী হবে? তারা দল হিসেবে তো থাকবে?থাকবে তাদের চেইন অব কমান্ড, থাকবে তাদের প্রচারণা ,প্রকাশনা,মিছিল মিটিং করার সুযোগ। থাকবে আন্দোলনের নামে , মাঠে রাজনীতির নামে , অরাজকতা করবে,ভাঙচুর করবে,মানুষ মারবে,জনমনে ত্রাস সৃষ্টি করবে। অথব ভোটে দাঁড়াতে পারবে না। তো ভোটে দাঁড়াতে না পারলে কি হবে?

প্রজন্ম চত্ত্বরের নতুন প্রজন্ম কে ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা !!1


যেকোনো আন্দোলন এর মূল প্রাপ্য হচ্ছে তার সফল পরিসমাপ্তি । প্রজন্ম চত্ত্বর নিয়ে আমার অভিমত তেমনটাই, বিশেষ করে আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি এই ছোট্ট জীবনে আন্দোলনে রাজপথে থেকেছি বহুবার, জেল খেটেছি, কিন্তু যা কোনদিন করতে পারিনি তা হচ্ছে মেইনস্টিমে নিজেকে লাইম লাইটে নিয়ে আসা। এর মূল কারণ হচ্ছে সহযোদ্ধাদের যেন অনুপ্রেরণায় কোনও ঘাটতি না হয়, তাদের উত্সাহ যুগিয়েছি, সাথে থেকেছি,। আর সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি নিয়ে তাদের কে উজ্জীবিত করেছি, তা হচ্ছে সমর পরিকল্পনা মুখ্য ভূমিকা পালন করে। যা আন্দোলনের সফল পরিসমাপ্তির জন্য বিশেষ প্রয়োজনীয় একটা প্রথা।

আন্দোলনের নেতা কে?- জনতা


আমি শাহবাগের আন্দোলনটা শুরু করেছিলাম, আমি খুলনার আন্দোলন শুরু করেছিলাম, আমি, সিলেটের-চট্টগ্রামের-সারা দেশের আন্দোলনটা শুরু করেছিলাম, আমিই এর নেতা, আমিই এর কর্মী - কারন আমি জনতার একজন, আর জনতাই এই আন্দোলনের আহ্বানকারী-নেতা-কর্মী। জনতাই শুরু করেছে, জনতাই শেষ করবে এই নতুন মুক্তির সংগ্রাম। আপনিও কি জনতার একজন? তবে অভিনন্দন! আপনি কি জনতার কেউ নন? সেক্ষেত্রে দুরে গিয়ে মরুন সে আপনি যত বড় নেতা-রাজনীতিবিদ-সুশীল অথবা বুদ্ধিজীবিই হন না কেনো। কারন এখানে পক্ষ একটাই - জনতা। আর জনতার সংগ্রাম চলছে, চলবেই।

দাওয়াত- দ্বীন- দুনিয়া ও তাবলীগ ।


মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন দুনিয়া সৃষ্টির পর থেকে যুগে যুগে লক্ষাধিক নবী রাসুল দুনিয়ায় প্রেরন করিয়াছেন । আর সকল নবী রাসূল পয়গাম্বর{আঃ}গন দুনিয়ায় এসে,এক আল্লাহর একত্ববাদের দাওয়াত,অর্থাৎ-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহর –দাওয়াত দিয়েছেন । যে,আল্লাহ এক তার কোন শরীক নেই । এরই ধারাবাহিকতায় আল্লাহ পাক তার প্রিয় হাবীব হযরত মুহাম্মদ {সাঃ}কে দুনিয়ায় প্রেরনের মাধ্যমে,দুনিয়াতে নবী প্রেরনের ইতি টানলেন । এবং আল্লাহ পাক হুজুর পাক {সাঃ}কে দিয়ে মানব জাতির নিকট দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছালেন । আর যেহেতু দুনিয়াতে কোন নবী রাসূল {আঃ} গন এর আবির্ভাব ঘটবে না । এ জন্যই দাওয়াতের মত গুরু দায়িত্ব রাসুলে কারীম {সাঃ} তার নিজ উম্মতের

ওৎ পাতা শত্রু


প্রিয় সহ যোদ্ধারা আমার,
আমরা জানি আমাদের নিজ নিজ স্ব-অবস্থান থেকে আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি।আমরা এই নিয়ে অনেক হুমকির মধ্যে আছি।আমি জানি এই হুমকি আপনাদের মনে নিজের জন্য একটুও কাঁপন ধরায় নাহ।আমি আরও বুঝতে পারি আমাদের মধ্যে অনেকের অনেক রকমের রাজনৈতিক ভাবাদর্শও আছে।কিন্তু,আমাদের দেশের সত্ত্বা আমাদের কাছে বড় বিধায় আমি,আপনি আজ রাজপথে।আমার মনে সদা প্রশ্ন জাগে আমি কিংবা আপনি রাজপথে হওয়ার কারণে কি তারা ঘরে বসে???????

ভালোবাসার ঘ্রাণ # ১ম পর্ব


হাতঘড়ির দিকে তাকাল সৈকত। বিকেল তিনটা বাজতে ১০ মিনিট। তাঁর কপালে চিন্তার ভাজ পড়ল। সে নিশ্চিত ফয়সাল ভাই এর কপালের চিন্তার ভাঁজটার দৈর্ঘ্য তাঁর কপালের ভাঁজের থেকেও বড়। হবেই না কেন? তিনটা বাজতে চলল এখনও দুপুরের লাঞ্চ এসে পৌঁছায় নি। তাঁর নিজের পেটের ভিতরেই যেহেতু তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে তাহলে অডিটোরিয়ামের মেয়েগুলোর অবস্থা যে খুব একটা ভাল নয় সেটা বোঝার জন্য স্পেশালিষ্ট হওয়ার প্রয়োজন নেই। সবারই যে ক্ষুধা পেয়েছে সেটা মুখ দেখেই বলে দেওয়া যায়। ভাগ্যিস প্রোগ্রামটা মেয়েদের নিয়ে হচ্ছে। ছেলেরা থাকলে পুরা হৈচৈ হাঙ্গামা হয়ে যেত এতক্ষণে।

ছাগু ম্যাৎকার...


ছাগু ১।
বিএনপি তার আসল রূপ দেখিয়ে দিল গতকাল । আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানাল বিএনপি । শুধু ভোটের লোভে বাকশালীদের পাতা ফাদে পা দিল বিএনপি । তারা আরো বলল ক্ষমতায় আসলে নাকি যুদ্ধোপরাধীদের বিচার করবে ।
রাস্তায় নেমে পুলিশ আর চাপাতি লীগের মাইর খাব আমার ভাইয়েরা ,পুলিশের জিরো পয়েন্টের গুলি খাব আমরা আর গদিতে বসবি তোরা তারপর আবার বিচার করবি নাকি যুদ্ধোপরাধীদের । সামান্য একটা বিক্ষোভ সমাবেশ করতে পারস না চাপাতি লীগের ভয়ে ।

তোরা একটা মীরজাফরের দল ।
বিএনপি তুই মীরজাফর ,তুই বেঈমান ।

ছাগু ২।

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অস্বীকার করা রাষ্ট্রদ্রোহিতা


যাতে দেশদ্রোহিতার অপরাধে বিচার ও শাস্তি দেয়া যায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। এটি করা হলে উদ্দশ্যপ্রণোদিত অনেক বির্তক, ইতিহাসবিকৃতি এবং জঙ্গী মৌলবাদীদের সন্ত্রাস ও দৌরাত্ন্য থেকে দেশ ও জাতি মুক্তি পাবে। ১৯৭১ সালে নয় মাসব্যাপী এক অনন্যসাধারন মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটেছে স্বাধীন সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের। এই প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশের তিরিশ লক্ষ মানুষ শহীদ হয়েছেন, সোয়া চার লক্ষ নারী চরম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, এক কোটি মানুষ দেশত্যাগ করে প্রতিবেশী ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন, দেশের অভ্যন্তরে কয়েক কোটি মানুষ স্থানচ্যুত হয়ে সন্ত্রস্ত জীবন যাপন করেছ

ঘাতকের পরিচয় - ১ : মাওলানা রিয়াছাত আলি বিশ্বাস - সাতক্ষীরা আশাশুনির কুখ্যাত রাজাকার।


ঘাতক-১

মুক্তিযুদ্ধকালে রিয়াছাত আলি বিশ্বাস ছিলেন সাতক্ষীরা আশাশুনি উপজেলার শান্তি কমিটির সেক্রেটারি। রাজাকার রিয়াছাত আলি নির্বিচারে হত্যা করতে থাকেন মুক্তিযোদ্ধাদের। এছাড়া লুটপাট, অগ্নিসংযোগেরও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। কালীগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা ইউনুস, প্রতাপনগরের খগেন্দ্রানাথ সরকার, সোহরাব ও আলী হত্যামিশনের হোতা ছিলেন রিয়াছাত।

একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ এবং অসামান্য একটা কিছু


হাতে ক্যামেরা একটা আছে, কি করব? নিয়ে চললাম প্রেস ক্লাব চট্টগ্রাম এর সামনে। ভাবিনি, অসামান্য এরকম কিছুর সাক্ষী হব। এ অসামান্য কিছুর ব্যাপারে কিছুই বলার নেই, তা সকলেরই জানা, আমি বলব অন্য কিছুর কথা।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর