নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বুলবুল
  • জাকারিয়া হুসাইন
  • সৌরভ দাস
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত

নতুন যাত্রী

  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান
  • নিলয় নীল অভি

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

কদম ফুল এবং কিছু নিরস সংলাপ


১) বৃষ্টি নেই, ভ্যাপসা গরম সাথে মাথার ওপর কড়া রোদ! তবু আজ নাকি বর্ষা ঋতুর প্রথম দিন! আবহাওয়া দেখে বোঝার উপায় নেই। মনেও নেই!
-এনেছো?
-কি?
-কদম ফুল?
-কদম দিয়ে কি হবে? পাল্টা প্রশ্ন করি আমি।
কুমারি কড়া চোখে তাকালেন।
-তোমার প্রথম অপরাধ, তুমি কদম ফুল নিয়ে আসোনি। দ্বিতীয় অপরাধ, তুমি পাল্টা প্রশ্ন করার সাহস দেখাছো। তোমার শাস্তি কি দিব?

Flowers of War- নর্দমায় জন্ম নেয়া স্বর্গীয় সৌরভ ছড়ানো কিছু ফুলের গল্প...


১৯৩৭ সালের আগস্ট মাসের শেষদিকে আধিপত্য বিস্তারে উন্মাদ রক্তপিপাসু জাপানী অভিজাত রাজবংশের নির্দেশে চীনে হঠাৎ আক্রমন চালানো হয়। আক্রমনের প্রথমকে চীনাবাহিনী প্রচণ্ড প্রতিরোধ গড়ে তুললেও তৎকালীন পৃথিবীর অন্যতম সেরা জাপানিজ বাহিনীর সাথে তারা খুব বেশিদিন সমানে সমান লড়াই করতে পারেনি।

নভেম্বরের মাঝামাঝি জাপানিজ বাহিনী চীনের তৎকালীন রাজধানী নানকিংয়ে ঢুকে পড়ে। এরই মধ্যে তিন মাসে বহুসংখ্যক হত্যা ও ধর্ষণ করে আসা জাপানীজ বাহিনী নানকিংয়ে ঢুকে স্রেফ উন্মাদ পশুতে পরিনত হয়...

বাংলার আইনস্টাইন : অমল কুমার রায় চৌধুরী


অমল কুমার রায়চৌধুরী বিখ্যাত বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী; তাঁর ক্ষেত্র ছিল সাধারণ আপেক্ষিকতত্ত্বমহাকাশ বিজ্ঞান। আপেক্ষিকতার বিশ্বতত্ত্বে অবদান বিশেষ করে রায়চৌধুরী সমীকরণের জন্যে তিনি বিখ্যাত। সাধারণ আপেক্ষিকতায় পেনরোজ-হকিং সিংগুলারিটি তত্ত্বগুলো প্রতিপাদনের জন্য তার রায়চৌধুরী সমীকরণ খুবই উপযোগী। তার কেবল এই একটি অবদানই পদার্থবিজ্ঞানে এতো গুরুত্বের দাবীদার যে অনেকে তাকে ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা পদার্থ বিজ্ঞানীর কাতারে রাখেন।

অমল কুমার রায়চৌধুরী (জন্ম:১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ - মৃত্যু: ১৮ জুন, ২০০৫)

আজব এক জাতি, আজব তার চলন!


নির্বাচন যেহেতু ক্রিকেট খেলা না তাই ১০টার সময় (এই পোস্ট লেখার সময়কাল) বলে দেয়া যাচ্ছে চার সিটি তে কারা জয়লাভ করবে। আমি জানি এই নির্বাচনে কোন কারচুপি হয় নাই আর যেহেতু আঠেরো দলের সমর্থিত লোকজন জিততে যাচ্ছে তাই কারচুপির কোন অভিযোগ ও উঠবেনা। ফলাফল নিয়ে মন্তব্য হবে “নির্ভেজাল, জনগনের রায়, সরকার কে দাত ভাঙ্গা জবাব” এর মত আরও কিছু দাত ভাঙ্গা শব্দ। কিন্তু গভিরে ভাবতে গেলে তো ব্যাপার টা উল্টা হয়ে ধরা দেয়। আমি সিলেটের ছেলে, বরিশালের তৃনমূল কিছু নেতার সঙ্গে দন্ধুত্তের খাতিরে আর নিজের চোখে দেখে আমার উপলব্ধি টা অন্নরকম। আমি বাকি দুই সিটি নিয়ে ওতটা ভাবি নাই বা জানতে আগ্রহি হই নাই বলে শুধু সিলেট আর বরিশা

কবি


প্রায়শই লোকমুখে আমরা একটা কথা শুনি- “বাংলাদেশে কাকের চেয়ে কবির সংখ্যা বেশি।”
কবিদের সম্পর্কে এরূপ সংকীর্ণ মনভাব সম্পন্ন একটি মন্তব্যের স্বপক্ষে বিজ্ঞজনদের যুক্তি হল- “বাঙালীরা সবাই কবি। জীবনে অন্তত দুইটা কবিতা তারা লিখবেই। একটা, প্রথম প্রেমে পড়ার পর। আরেকটা, প্রেমে ছ্যাঁকা খাওয়ার পর।”
উল্লেখ্য, উক্ত যুক্তিতে বাঙালী বলতে বিশেষতঃ বাঙালী পুরুষদেরকেই বুঝানো হয়। সুতরাং একটা দেশের সব পুরুষই যদি কবি হয়ে যায় তাহলে (মহিলা কবিদের কথা বাদ দিলেও) সে দেশে কাকের চেয়ে কবির সংখ্যা বেশি হওয়াটা অসম্ভব নয়। অন্ততঃ কথার কথা বলার জন্য তো নয়ই।

নির্বাচন এবং মালাউন


মনে করেন এক এলাকায় হিন্দু প্রার্থী দাড়াইসে, আর একজন মুসলিম প্রার্থী। যদি হিন্দু প্রার্থী জিতে যায় তাহলে মুসলিম প্রার্থীর মন্তব্য-" মালাউনের বাচ্চারা বেঈমানি করসে, তাই হারলাম"
আর যদি মুসলিম প্রার্থী জিতে যায়, তাইলে সকল মালাউনের দিকে সন্দেহজনক দৃষ্টিতে তাকায়-"এইটা কি আমারে ভোট দিসে না দেয়নাই? "

পড়ে ঠেকায় মালাউনরা ভোট দিলেও খারাপ, না দিলে তো বেশি খারাপ।

আওয়ামীলীগ বিএনপি নিয়ে সেম কেস হয়...বিএনপি হারলে একই কথা বলে-"মালাউনেরা বেঈমানি করলো", আওয়ামীলীগ হারলেও বলে মালাউনেরা বেঈমানি করলো...আমি কই-"

সুখ


আরেক বার বেল টিপলেন মঈনুল ইসলাম সাহেব। রীতিমত হাপাচ্ছেন তিনি। ঘামে ভিজে শাদা টি শার্টটা চপচপ করছে। বা’হাত দিয়ে কপালের ঘাম মুছে আবারও বেল টিপলেন। ব্যাপার কী! কেউ ঘুম থেকে ওঠেনি নাকি? বেলা তো কম হলো না। হাত ঘড়ি দেখলেন- ছয়টা প্রায় বাজে। এবাড়ির কেউই ছুটির দিন ছাড়া এসময় ঘুমিয়ে থাকে না। আজ কি ছুটির দিন? নাহ্, ছুটিতো গতকালই চলে গেছে। গতকাল দুপুরে জুম্মার নামাজ পড়েছিলেন, বেশ মনে আছে।
আরও একবার কলিংবেলের সুইচ টেপার জন্য হাত বাড়াতেই কারুকাজ করা ভারি কাঠের দরজাটা খুলে গেল। দরজার ওপাশে ঘুম ঘুম চোখে শাহানা দাঁড়িয়ে আছে।

মাদ্রাসা শিক্ষা সমাচার। পর্ব-২


অষ্টম শতাব্দী থেকেই ভারত, আফগান, ইরান, আরব, মধ্য এশিয় অঞ্চল থেকে মুসলিম বনিক, ধর্ম প্রচারক, আক্রমণকারী সেনাপতি-শাসকদের মাধ্যমে ধর্মশিক্ষার সূত্রপাত ঘটে। এই শিক্ষা ছিলো মূলতঃ ইসলাম ধর্মমূলক আচার-অনুষ্ঠান ও ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করার মূলনীতি মধ্যে সীমিত । ধীরে ধীরে মক্তব ও মাদ্রাসা গড়ে উঠতে থাকে। এগুলি ছিলো মূলতঃ মসজিদ কিংবা মসজদসংলগ্ন। বাস্তবে স্থায়ী মুসলিম রাজত্বের সূচনা হয় ১১৭৪ সালে মুহাম্মদ ঘোরীর রাজত্বকাল থেকে এবং সর্বশেষ মুঘলদের মাধ্যমে এই রাজত্ব টিকে ছিলো ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত। এ সময়কালে পার্শী ও আরবি ভাসায় ধর্ম শিক্ষা দেওয়া হতো। ধর্ম শিক্ষার সাথে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মাত্রায় গণিত, ব্যাকারন,

মামানি!


আমার ৫ টা মামা। বড় হওয়ার পর থেকেই দুইটা মামিকে দেখে আসছি । নানার বাড়ির সাথে আমার বাসার অল্প একটু ব্যবধান মাত্র । তবু নানা বাড়িতে গেলে মামির খুশির শেষ থাকত না ।

আমি যখন ক্লাস ৫/৬ এর ছাত্র তখন বাড়িতে ৩ নাম্বার মামানি আসল । তখন নানা বাড়িতে কেউ নায় । অন্য সবাই ইতালি , আরেক জোড় দেশে থেকেও নেয়।নতুন মামি বাড়িতে আসল । সাড়াদিন একা একা থাকে । মামা দেশে নাই বিয়ে হয়েছে ফোনের মাধ্যমে। বাড়িতে টিভি নাই , নানা হাজী মানুষ(!) নানী আছে পরিবারের কাজ কর্মে ব্যাস্ত। আমি সাপ্তাহে ২ দিনই নানু বাড়ি যেতাম , মামির সাথে গল্প করতাম ।

যে কারণে জিতলো বিএনপি, কেন হারলে আওয়ামী লীগ?


কী হবে চার সিটি নির্বাচনের ফলাফল, তাই নিয়ে চিন্তার অন্ত ছিল না দেশের আপামর মানুষের। প্রার্থীদের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের কারণে সুষ্ঠভাবে নির্বাচন হওয়া নিয়েও চিল আশঙ্কা। কিন্তু সব আশঙ্কাকে দুরে ঠেলে, নির্বাচন হয়েছে এবং সব কয়টি সিটিতেই জিতেছে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা।
কিন্তু সিটি নির্বাচনে কেন আওয়ামী লীগের এভাবে ভরাডুবি হলো এবং কেনই বা জিতে গেল বিএনপি। এই নির্বাচনের ফলাফল দেখে যে কোন ব্যক্তিই বলতে পারেন, বিএনপির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিই এই জয়ের একমাত্র কারণ।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর