নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বুলবুল
  • জাকারিয়া হুসাইন
  • সৌরভ দাস
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত

নতুন যাত্রী

  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান
  • নিলয় নীল অভি

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

ইরফান পাঠান, মহঃসামির স্ত্রী ও মেয়ের ছবি বিতর্ক, বোরখা-হিজাব, ইসলাম ও নারী প্রসঙ্গ


ভারতের দুই স্বনাম ধন্য ক্রিকেটার একজন ইরফান পাঠান ও অন্য জন মহঃসামি নিজেদের পরিবারের সঙ্গে ছবি পোস্ট করায় ইসলামী মৌলবাদীদের রোষানলে পড়েছেন।এবার দেখা যাক বিষয়টি কি এবং এর পিছনে মনস্তত্ব কি? সামি উঁনি নিজের মেয়ে আইরার জন্মদিনের কেক কেটে সেই ছবি পোস্ট করেন,এর উত্তরে মুমিনরা বলেছেন-আপনার স্ত্রীকে হিজাব ছাড়া দেখে দুঃখ পাচ্ছি,কেউ কেউ বলেছেন আমি মুসলমান তাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা দেওয়া যাবে না,কারণ ইসলামে জন্মদিন পালন করা যাবে না।

অনুৎপাদনশীল মাদ্রাসা শিক্ষা


বর্তমান বাংলাদেশে স্কুল-কলেজ এবং বিভিন্ন প্রকার কারিগরি বিদ্যালয়ের চেয়ে মাদ্রাসার সংখ্যা বেশী। এসব মাদ্রাসায় গঠনমূলক এবং যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। এসব মাদ্রাসায় শিক্ষিত জনগোষ্ঠী শিক্ষা অর্জন করা স্বত্বেও তাদের শিক্ষাকে দেশের ও সমাজের আর্থসামাজিক উন্নয়নে প্রয়োগ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ।

ফেসবুকের শক্তি


ফেসবুকের শক্তি সম্পর্কে নিশ্চয়ই কারো কোনো সন্দেহ নেই। সামাজিক যোগাযোগের শক্তিশালীতম মাধ্যম জুকারবার্গের এই ফেসবুক। সত্যাসত্য যাচাই না করে ফেসবুকের নানা জায়গায় আমরা লাইক দিয়ে, শেয়ার করে নানা ধরণের বিপদ ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করছি প্রতিদিন। আপনার দেওয়া ভুয়া খবরের একটি শেয়ার গোটা একটা সম্প্রদায়কে বিপন্ন করতে পারে, অস্থিতিশীল করে ফেলতে পারে পুরো একটি রাষ্ট্রকে। কে কই লাইক দিলেন, কে কী শেয়ার করলেন; এর উপর নির্ভর করে একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব এবং ক্ষেত্র বিশেষে একটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতাও। ফেসবুক ব্যবহারের সময় কমন সেন্স খাটিয়ে নিচের এই গোল্ডেন রুলগুলো মেনে চললে সেইসব বিপদ অনে

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আল্লার ওয়াস্তে ক্ষ্যামাদেন আপনার উন্নয়ন।


মান্যবরেষু, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
আপনার পিতার, মানে আমাদের অবিসংবাদিত নেতার দানের “সোনার বাংলা”র অতি সামান্য একজন ছাপোষা মানুষ আমি। অবশ্য আমাকে মানুষের কাতারে ফেলতে আপনার অনুকম্পা এই চিঠিখানা পড়ার পরে হবে নাকি তা বিবেচনার বিষয়।

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (৭)


একাডেমিক ও প্রত্নতত্ববিদরা মিশর এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনে প্রাচীন ধ্বংশাবশেষ বা কোন পুরানিদর্শন (relics) খুজে না পেয়ে বাইবেলে বর্ণীত বণী ইস্রাইলের ইতিহাসকে মিথ - কল্পকথা বলে উল্লেখ করেছেন। তাদের যুক্তির দুর্বলতা হলো , বণী ইস্রাইল দাবীদার নামে এক জাতি বর্তমানেও বিদ্যমান। তারা তো আর মিথ নয়। একাডেমিকরা কেন ভাবছেন না , এমন ও তো হতে পারে তারা ভুল জায়গায় খুজছেন।

নতুন বছরে অনলাইন সমমনা লেখকদের কাছে প্রত্যাশা।


বাংলাদেশে প্রগতিশীল লেখালেখির প্রয়োজন সবসময়ই ছিল, কিন্তু চাহিদার তুলনায় যোগান সবসময়ই সামান্য ছিল। এর কারণ হিসেবে অনুকূল পরিবেশের অভাবকে দায়ী করা হলে তা হবে একটি একতরফা অজুহাত। কারণ কোন দেশে, কোন যুগেই অনুকূল পরিবেশে প্রগতিশীল লেখালেখির প্রয়োজন হয় না। প্রতিকূল পরিবেশে লিখেই আপনার সমাজ বা দেশকে প্রগতিশীল বানাতে হয়। তবে এই অজুহাতকে একতরফা বলার কারণ হলো একেক রাষ্ট্রে প্রতিকূলতার ধরন একেকরকম। কোন রাষ্ট্রে হয়তো প্রতিকূলতাটি বুদ্ধিবৃত্তিক উপায়ে হয়, আবার কোন রাষ্ট্রে এই প্রতিকূলতা শারীরিক আক্রমণের পর্যায়ে চলে যায়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দ্বিতীয়টি ঘটায় এদেশের লেখকদেরও তাই পুরোপুরি দোষ দেওয়া যায় না।

বসন্ত ডাকে আয়


বক্ষ বন্ধনী হীনতায় ঠিকরে পড়া যৌবনের জোয়ার বার বার ফুলে ফেঁপে উঁকি দিচ্ছিলো মেয়েটার জামার গলার উপর দিয়ে।রোজ যে ওসব দেখে, সে রোজই একবার নেশাগ্রস্থতায় তা দেখে নেয়।তাকিয়ে থেকে হেঁটে চলে যায় আপন গন্তব্যে।দেখার চোখগুলোর মধ্যেও থাকে ভিন্নতা।কোনটা কুঞ্চিত আবার কোনটা টাঁটানো।

তোমার সৌন্দর্য


তুমি ইদানীং শীতকালগুলোর মতই নির্লিপ্ত, শান্ত, সাদা চাদর পড়া
কখনও কখনও তাই থুড়থুড়ে বুড়ি বলে বিভ্রম হয়।
গ্রাম্য কিশোরীর বাল্যবিবাহে ঝরে পড়া কান্নার মত
নিষ্পৃহ, নিঃস্পন্দ, অনেকটাই নিহত যেন
বুকের ভেতর কোন হৃদপিন্ড নেই।
কখনও ছিল না। একেবারে কিছুই ছিল না।
নো, নেভার, নাথিং!
তোমার ফাটা ঠোঁটে জোড়াতালি দেবার জন্যে পৃথিবীতে কোন সাম্যবাদী আর্দ্রতা রাজি নয় আর!
সরকারি ডাকপিয়ন কুয়াশার ভেতর পথ ভুলে যায় আবার!
যে চিঠি তোমাকে পাঠানো হয়েছিল
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রারম্ভে যে শান্তিচুক্তি গুলির বদলে ওড়াত কবুতর

পাব্লিক স্থানে নারীর সিগারেটের ধোঁয়ায়, পুরুষের ফুসফুস কালো৷


একটা ভিডিওতে দেখা গেলো পুরুষের পাব্লিক জায়গায় সিগারেট খাওয়াটা স্বাভাবিক কিন্তু নারীর হলে নষ্টামি৷
বেশ লাগলো ভিডিওটা, হ্যাঁ তুমিতো নারী তুমি সিগারেট খাবা কেন? ভিডিওটাতে তুলে ধরেছে আমি পাব্লিক প্যালেজে গেঞ্জি শার্ট খুলে হাঁটতে পারবো, তুমি পারবা? তারপর গাড়ির সিট, কোটা এবং শক্তিতে পুরুষ এগিয়ে এরকম আরো যুক্তি ছিলো৷ বাহ বাহ, বেশ বেশ, খুব ভালো৷ এই না হলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র/ছাত্রী বা শিক্ষিত সমাজ? আমরা তেমন লেখাপড়া করিনি, তাই শিক্ষিত ছেলে মেয়েরা যা বলেছে তা বুঝেই বলছে, আমরা এর কি বুঝি? খারাপতো বলেনি৷৷

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর