নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রিক্ত রিপন
  • জংশন
  • বেহুলার ভেলা
  • রুদ্র মাহমুদ
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন
  • বিপু পাল
  • মৌন
  • ইকবাল কবির
  • সানসাইন ১৯৭১
  • রসরাজ
  • বসন্ত পলাশ
  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

"স্বাধীনতা....."


ছবিঃ প্রতীকী(সংগৃহীত)

সম্ভাবনার হাতছানি


একসময়ের অচেনা বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বিস্ময়। দেশে একে একে উন্মোচিত হচ্ছে সম্ভাবনার দ্বার। চার লেন মহাসড়ক, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, এলএনজি টার্মিনাল, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ, পরিকল্পিত বহুমুখী বৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলাসহ উন্নয়নের বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে দেশজুড়ে। পদ্মা সেতুর মতো বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরুর পর থেকেই একের পর এক মেগা প্রকল্প নিয়ে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে দেশ। এবার বাম্পার ফলন হয়েছে বোরোতে। মাথাপিছু জাতীয় আয় বাড়ছে। চাষাবাদের জমি দিন দিন কমলেও ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানির মতো বাড়তি ফসল উৎপাদন করছে এ দেশের কৃষক। সামাজিক উন্নয়

মুক্তিযুদ্ধের শেষদিকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আমেরিকা, চীন, পাকিস্তান আর সৌদিআরবের কী এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র!


১৯৭১ সালের জুলাই-মাসের দিকে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধপরিচালনা শুরু করে বাংলাদেশমুক্তিবাহিনী। এতে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে পাকিস্তানীহায়েনাদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু হয় বাঙালির মরণপণ লড়াইসংগ্রাম। আর তখন থেকেই পরাজয়ের স্বাদ নিতে শুরু করে পাকিস্তানীনরখাদকরা। বাংলার মুক্তিযোদ্ধারা সম্পূর্ণ গেরিলা-কায়দায় মুক্তিযুদ্ধপরিচালনা করে পাকিস্তানীহায়েনাদের মনে ভীতিসঞ্চার করতে থাকে। একপর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে পাকিস্তানীরা যুদ্ধ করার মনোবল হারিয়ে ফেলে। আর ৬ই ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় বাহিনী সরাসরি আমাদের মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে মিলেমিশে মিত্রবাহিনী গঠন করে পাকিস্তানীহানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করলে পাকিস্তানীরা পালাতে থাকে। আর এরই আগে পরে শুরু হয় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীঅপশক্তির নতুন ষড়যন্ত্র। এখন সেই কাহিনীই বলছি:

পোশাক না মানসিক বিকৃতি- ধর্ষণের জন্য দায়ী কোনটি?



বর্তমানে নতুন এক অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছে; তা হলো ধর্ষণাভূতি। এই অনুভূতিটা শুধুমাত্র পুরুষদের মাঝেই বিদ্যমান। একটা মেয়ের ব্যতিক্রমী কার্যকলাপ দেখলেই অনেক পুরুষের এই অনুভূতিতে সুড়সুড়ি লাগে।তাদের মধ্যে কেউ কেউ শীঘ্রই এই অনুভূতি দূর করতে ব্যাস্ত হয়ে পড়ে; যার ফলাফল খবরের কাগজে শিরোনাম হয় নতুন আরেকটি ধর্ষণ।

বেশ্যাগমন


আমার তো আত্মাখাঁচাছাড়া। পকেটে আরো তিনহাজার টাকা আছে। সবটাকা রেখে দেবে নিশ্চিত। পরানডা নিয়ে পালাতে পারলে হয়। বাথরুমে ঢুকে দরজা আটকে দিলাম। খুচরো তিনশো টাকা মানিব্যাগে রেখে বাকি টাকা জাঙ্গের রবারে ঢুকিয়ে রাখলাম। একটু চিন্তামুক্ত হতে চেষ্টা করলাম। ওদের জীবনধারা বোঝার চেষ্টা করছি।

একটা রুমে আমাকে ঢুকিয়ে দেওয়া হল। বলল, সবই তো বুঝতে পারছিস; এবার শো, কাম করে দিচ্ছি। হাতজোড় করে বললাম, লাগব না কিছু, বিদায় করো।

দরজা ঠেলে আরেকজন ঢুকেই মানিব্যাগ হাতাতে শুরু করল। স্মাগলার বলে পুলিশের কাছে দিতে চাইল। ও ঠেকাল। ও মানে … বুঝতেই পারছেন পাঠক সকল, নাকি? দু’একটা ভালবাসার কথা বলেছিলাম কিনা! মানিব্যাগের টাকাটা নিতে দিল না। আমাকে বিদায় করল। করুণ কণ্ঠে বলে দিল, “এই তো আমাদের জীবন।”

বাংলাদেশ কি তবে একটি জঙ্গী রাষ্ট্রে পরিনত হচ্ছে?


প্রত্যেকটা হামলার পরেই অনেক মডারেট মুসলমান কিবোর্ড যোদ্ধা হিসেবে হাজির হয়ে যান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলিতে। ”ইসলাম শান্তির ধর্ম”, ” ইসলাম এইসব সাপোর্ট করেনা”, ”জঙ্গীরা মুসলিম নয়”, ” এগুলি ইহুদী নাসারাদের ষড়যন্ত্র” ইত্যাদি ইত্যাদি লিখে মাখিয়ে ফেলেন। কেউ কেউ মনে করেন কোন ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্যেই এগুলি কোন সাজানো নাটক। এগুলি লিখে মনের শান্তিতে ইসলামকে রক্ষা করে ফেলেছেন ভেবে শান্তিতে ঘুমাতে যান। তবুও কোনভাবেই ধর্মের দোষ দেয়া যাবে না।

ফাগুনের আগমন


আজো স্কুলে ভর্তি হয়নি। মাস তিন-চারেক হলো বাবা সাগরে মাছ মারতে গিয়েছেন। সাগর থেকে ফিরেই আমাকে স্কুলে ভর্তি করানোর কথা।বাবার ফিরে আসার দিন পেরিয়ে গেল। বাবার সমসাময়িক রওনা দেওয়া অন্যান্য ট্রলারগুলো হাসিমুখে ফিরে এসেছে।কিন্তু বাবার কোনো আলামতই পেলাম না। মায়ের কপালে ভাঁজ পড়েছে। ইদানীং জলদাশ পাড়ার চায়ের দোকানে এটিই আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে।

মা,বাবা আসবেনা?কখন আসবে?বড় বড় মাছ আনবে তো?-এসব নিত্যনৈমিত্তিক প্রশ্ন শুনলে ঝরে পড়া শুষ্ক ফুলের মতো মায়ের চেহারা শুকিয়ে আসে।এসব প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে গিয়ে মা রীতিমত হিমশিম খান।

স্বাধীনতার ছেচল্লিশ বছরে বাঙালি শুধুই তার শাসকের পরিবর্তন করেছে,স্বাধীনতা পেয়েছে কোথায়???


স্বাধীনতা বলতে যদি শাসকের পরিবর্তন বুঝায়,তাহলে বলবো ঠিক আছে। কিন্তু স্বাধীনতা বলতে যদি শাসনের পরিবর্তন বুঝায়,যদি নীতি-আদর্শের পরিবর্তন বুঝায়,যদি জুলুম-নির্যাতন,বৈষম্যহীন সকল শ্রেণী-বর্ণের মানুষের সমঅধিকারের অসাম্প্রদায়িক জনগণতন্ত্রীক রাষ্ট্রের উত্তরণ বুঝায় .....তাহলে বলবো কোথায় স্বাধীনতা?কিসের স্বাধীনতা?কার স্বাধীনতা?

স্বাধীনতার ছেচল্লিশ বছর পূর্বেও বাঙালি'কে যেভাবে মেধা-মননে অবদমিত করে রাজনৈতিক দাস বানিয়ে রাখার প্রচেষ্টা ছিলো,বর্তমানে তার ব্যতিক্রম কোথায়?

আত্মহত্যা


আজকাল আত্মহত্যা সমাজে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্কের অবক্ষয়, বন্ধু-বান্ধবের সম্পর্কের অবনতি, পরিবারিক কলহ সহ অসংখ্য কারণে আত্মহত্যা হয়ে উঠেছে একটি ফ্যাশন।
অথচ আত্মহত্যার পরিণতি সম্পর্কে তাদের প্রাথমিক জ্ঞানটুকুও নেই।
একদিকে,
নিজের সুন্দর জীবন বিলিয়ে দেওয়ার মাঝে কোনো সুখ নিহিত নেই। পরিবারকে পড়তে হয় প্রশ্নবিদ্ধের দুষ্টুচক্রে। এতে সমাজের মাঝে পরিবারের যে শিকড়ওয়ালা ভাবমূর্তি থাকে তা নড়েবড়ে বসে। একটি সামান্য কারণে নিজের জীবন বিসর্জন এবং অন্যদিকে পরিবারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে পৃথিবীত্যাগ করার কোনো প্রশ্নই উঠে না।

স্বাধীনতার ঘোষণা ও জিয়া


২৫ মার্চ। মুজিব-ইয়াহিয়ার বৈঠক সম্পর্কে তখনও অনেকে আশাবাদী। তারপরও বিপদের গন্ধ বাতাসে প্রকট। ইয়াহিয়া হঠাৎ ঢাকা ত্যাগ করলেন। সকলেই অবাক। রাত সাড়ে দশটায় ক্রাকডাউন শুরু। বেঈমানি করল পশ্চিম পাকিস্তানিরা। বঙ্গবন্ধু নেতৃবৃন্দকে সীমান্ত অতিক্রমের নির্দেশ দিলেন। কিন্তু কোন এক রহস্যময় ফোন পেয়ে তিনি থেকে গেলেন তাঁর ধানমণ্ডির বাসভবনেই। গ্রেফতারের সামান্য আগেই গভীর রাতে চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নানের কাছে টেলিগ্রাম করলেন স্বাধীনতার ঘোষণা। রাত বারটায় হামলা হল ধানমণ্ডির বাড়িতে। মুজিবকে দেশদ্রোহিতার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর