নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • আকাশ লীনা
  • সীমান্ত মল্লিক

নতুন যাত্রী

  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম
  • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
  • এলিজা আকবর
  • বাপ্পার কাব্য

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

ধর্ম এবং মানুষের মগজ


প্রথমে ভেবেছিলাম এই পোস্টের সাথে শিয়াদের মাতম করার দৃশ্যের একটা ছবি দিব, পরে ইচ্ছা করল না। ছবিতে সম্ভবত একজন পিতা নিজে তার অবুঝ শিশুকে রক্তাক্ত করছে - মাতম করবার উদ্দেশ্যে। এই ধরনের বর্বরতা শিশুদের প্রতি অন্যায় দেখলে সবার রাগ হয়। কেউ কেউ বলবেন

- "শিয়ারা কত খারাপ। এইটা কি মানুষের কাজ?

- এই ভাবে নিষ্পাপ শিশুদের ধর্মের নামে রক্তাক্ত করে কেন ? মানুষ এত নির্দয় এবং নির্বোধ হয় কিভাবে?

- ওরা কেন বোঝে না ?"

এখন একটু ভেবে দেখুন- এই ছবির শিশুটি যখন একই সমাজে বড় হবে, ত্রিশ বছর পরে খুব সম্ভবত সে অনায়েসে তার নিজ সন্তানকে নিয়ে শুরু করে দেবে একই রকম বর্বরতা । এইটাই মানব সমাজের স্বাভাবিক বাস্তবতা। মানুষ যে ভৌগোলিক অবস্থানে জন্ম নেয়া এবং যা দেখে দেখে সে বড় হয় তা তার কাছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা স্বাভাবিক বলে মনে হয় - এবং তা ই সে অনুসরণ করে।

শিয়ার ঘরে বা সমাজে জন্মালে শিয়া হবেন। সুন্নির ঘরে জন্মালে হবেন সুন্নি। যেন ঈশ্বর নির্ধারিত একজনের জন্মস্থান এবং সমাজ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিশ্চিত বিশ্বাসের কারন হয়ে দাড়াচ্ছে। একটু পেছন থেকে ইতিহাস ঘেঁটে দেখি বিষয়টা আসলে কি হচ্ছে। ইসলামের ইতিহাস না - মানুষের ইতিহাস।

তারপরও বলতে হবে শিক্ষার উন্নয়ন..?


কোন দলান্ধ ব্যক্তি ছাড়া, বাংলাদেশে কেউ বলবে না যে সবকিছু ঠিকঠাক মত চলছে। আর মাত্র ৩ বছর পর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তি উদযাপিত হবে। এই ৫০ বছরে শিক্ষার মত একটি অতি মৌলিক বিষয়কে আমরা একটি কাঠামোর মধ্যে দাড় করাতে পারিনি। ঠিক করতে পারিনি, শিক্ষার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য। এবং তার সাথে সঙ্গতি রেখে একটি শিক্ষাব্যবস্থা। অথবা যে শিক্ষাব্যবস্থা আছে সেখানেও কোন সৃংখলা আনা যায়নি, যা আছে সেখানেও তৈরী হচ্ছে নিয়ত বিশৃংখলা ও নৈরাজ্য!

শাস্ত্রকানা : সৈয়দ তৌফিক উল্লাহ



শাস্ত্রকানা :
সৈয়দ তৌফিক উল্লাহ

এক.
চিলের ঠোটে চকচক করে রোদে মাছটা
নখের আঁচড়ে ক্ষতময় কানকো ওচোখ
তবু শোনার নেই কেউ মাছটা হত্যার শোক!
আর হতবাক হয়ে মানুষেরে দেখে আঁশবটি হাতে মাছটা!

তবুও টিটু রায়কে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে?


বাংলাদেশে ইতঃপূর্বে অনেকবার সাম্প্রদায়িক-দাঙ্গা হয়েছে। তবে ইদানীং বিভিন্ন তুচ্ছবিষয়কে কেন্দ্র করে দাঙ্গার পরিমাণ আরও বেড়ে গেছে। ২০১২ সালে, পার্বত্যচট্টগ্রামের রামুতে মুসলমান-নামধারী সাম্প্রদায়িকপশুগুলো রাতের আঁধারে, দিনদুপুরে যে যেভাবে পেরেছে রামুর বৌদ্ধবিহারে নৃশংসভাবে হামলা চালিয়েছিলো। তাদের তাণ্ডবলীলা দেখলে যেকোনো মানুষ মনে করবে এখানে হয়তো পৃথিবীর সর্বকালের-সর্বকুখ্যাত ও হিংস্র কোনো শূয়র ভয়ংকর আগ্রাসন চালিয়েছে। আসলে, এগুলো আমাদের বাংলাদেশের আত্মস্বীকৃত-ধার্মিক তথা একশ্রেণীর নামধারী-মুসলমানই ইসলামের নামে এসব করেছে।

৫৪ ধারায় গ্রেফতার ও বাংলাদেশ – সৈয়দ তৌফিক উল্লাহ


বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে মুক্ত স্বাধীন জীবন যাপনের অধিকার প্রত্যেক নাগরিকেরই আছে। এটি একটি মৌলিক অধিকারও বটে্।রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। কিন্তু এখনো এটি চলছে। আইনের শাসন ও মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় এ জাতি বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিল। কিন্তু আমরা আজও আইনের মাধ্যমে নির্যাতন বন্ধ করতে পারিনি। এটি খুবই হতাশ ও দুঃখজনক বটে।

বৃক্ষ


আমি বেশ্যা, আমি জারজ, আমি হিজড়া,
ভালোবাসতে জানি, ভালোবাসা বুক ভরা,

এ নাম, আমায় দিয়েছে কারা?
সভ্যতার মুখোশ পরা অসভ্যরা।

আমি পথশিশু, আমি ধর্ষিতা,
আমি দেখেছি নোংরা সভ্যতা।

আজকাল আর কোনকিছুতেই,
কিছু যায়-আসেনা,
শিখে গেছি, হুমড়ি খেয়ে পরে গেলে,
কিভাবে উঠে দাড়াতে হয়,
এ পৃথিবী দুর্বলদের জন্য নয়।
কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে,
জীবন যুদ্ধে যে হার মানে না,
বিজয়ী বলি আমি তাঁকেই।

ইসলাম অবমাননার নামে টিটু রায়কে গ্রেপ্তারঃ এটা সরকার-প্রশাসনের নির্লজ্জতাই ফুটে উঠে!


আওয়ামিলীগ সরকার (ও তার প্রশাসন) মুসলমানের সমর্থনের জন্য এতোটা নগ্ন ও নির্লজ্জ হয়েছে যে, তাদের এই নির্লজ্জতা ঠিক কোন ভাষায়, কোন শব্দ দিয়ে ব্যাখ্যা করবো, সেইটুকু ভাষা ও শব্দ আমার জ্ঞাণ ভাণ্ডারে নেই। রংপুরের ঠাকুর পাড়ার টিটু রায়কে ঠিক কোন অপরাধে গ্রেপ্তার করলো আওয়ামিলীগ সরকারের প্রশাসন? আমি বুঝে উঠতে পারছি না টিটু রায়ের অপরাধটা কি? যে ছেলেটা ফেইসবুকের 'ফ' ও বুঝেনা, সেই ছেলে কি করে ইসলাম ও নবী অবমাননা করবে?

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর