নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • সরকার আশেক মাহমুদ
  • সজল-আহমেদ
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

মুহাম্মদের পুত্রবধু বিয়ের কথা নামাজে ৫ বার বললে আমার কি লাভ ?


নামাজ পড়ার সময় কোরানের আয়াত পড়তে হয় বাধ্যতামূলকভাবে। কেউ সেই আয়াতগুলোকে নিজ মাতৃভাষায় বলে না , বলে আরবীতে যার অর্থ ৯৯% লোকই জানে না। ধরা যাক , কোন লোক আরবী আয়াতের অর্থকে নিজ মাতৃভাষায় বলল, সেই মত অবস্থায় সে যেটা বুঝবে বা জানবে , তাহলে তার কি প্রতিক্রিয়া হবে ? আর তাতে তার লাভটাই কি ? ধরা যাক সুরা আহযাব ৩৩:৩৭ আয়াতটা নামাজে পড়া হলো-

মাদক অভিযানের সঠিক পদক্ষেপ


চুনোপুঁটি মাদক ব্যবসায়ীরা অস্ত্র পায় কোথায় থেকে যে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হচ্ছে! তবে বলা যায়, এই অস্ত্রের জোরেই তারা মাদক সামগ্রী কারবার করতো।
এই অস্ত্রগুলো আসলো কোথায় থেকে? নিশ্চয়ই বাংলাদেশে অস্ত্র ব্যবসায়ী রয়েছে! তাহলেতো আগে অস্ত্র ব্যবসায়ীও নিধন করা জরুরী।

বই: আনিসুল হকের 'মা'


— ‘মা, কী করব? এরা তো খুব মারে। স্বীকার করতে বলে। সবার নাম বলতে বলে।’
— ‘বাবা, তুমি কারো নাম বলোনি তো!’
—‘না মা, বলি নাই। কিন্তু ভয় লাগে, যদি আরো মারে, যদি বলে ফেলি।’
— ‘বাবা রে, যখন মারবে, তুমি শক্ত হয়ে থেকো। সহ্য কোরো। কারো নাম যেন বলে দিও না।’

প্রসঙ্গ – বাংলা ট্রিবিউনের দুঃখ প্রকাশ।


বাংলা ট্রিবিউন লেখক তসলিমা নাসরিনের “কাঠুয়ার আর উন্নাওয়ের ধর্ষণ” শিরোনামের লেখাটি প্রকাশ করে ১৫ই এপ্রিল, ২০১৮ তারিখে। লেখাটিতে লেখক তসলিমা নাসরিন জোর দিয়ে এটাই বোঝাতে চেয়েছিলেন, যখন কোনো নারীকে ধর্ষণ করা হয়, তার জাত দেখে, বর্ণ দেখে, পরিচয় দেখে ধর্ষকেরা ধর্ষণ করে না। হিন্দু ধর্ষকেরা মুসলিম নারী বলেই মুসলিম নারীকে, বা মুসলিম ধর্ষকেরা হিন্দু নারী বলেই হিন্দু নারীকে ধর্ষণ করে না। ওরা ধর্ষণ করার সুযোগ পেলেই ধর্ষণ করে। হিন্দু ধর্ষকেরা হিন্দু নারীকে হাতের কাছে বেশি পায় বলে, হিন্দু নারীকেই বেশি ধর্ষণ করে। তেমনই মুসলিম ধর্ষকেরা হাতের কাছে মুসলিম নারীকেই বেশি পায়, তাই মুসলিম নারীকেই বেশি ধর্ষণ করে। জ

তিনি ড. জাফর ইকবাল, কখনো স্যার আর কখনো ষাড়!!


তিনি ড. জাফর ইকবাল৷ কখনো স্যার আর কখনো ষাড়৷ স্যার যারাই ডাকছে, তারাই ষাড় ডাকছে৷ ২০১৭ সালে একবার বেশ সমালোচিত হন এবং ছবি ব্যঙ্গ করে নানা ধরণের আখ্যা দিয়েছিলেন যারা, তারাই আবার স্যার স্যার করে প্রাণ দিয়েছেন যখন তিনি রক্তাক্ত হয়ে হাসপাতালের বেডে৷ ওটিতে ঢুকার আগে তিনি যখন জিজ্ঞেস করলেন নিজের মৃত্যুর সম্ভাবনাময় ক্ষনে ওনার হামলাকারী কেমন আছেন!? এবং বললেন ওর যেন কোন ক্ষতি না হয়!! তখন যারা এই কথা নিয়ে মানুষ মানবতার প্রতিক করলেন তাদের স্যারকে, সেই তাদের মধ্যেই আবার কোটা আন্দোলন নিয়ে চেতনাধারী, সুবিধাবাদী, চেতনা ব্যবসায়ী বলে ট্যাগ খাইয়ে হাস্যকর, নিন্দা, ছিঃ ছিঃ কত কি বললেন৷

নেফারপ্রীতি পর্ব-৬ : আমার দ্বীপগাঁয়ের দিকে যাত্রা



ঢাকার আকাশে গ্লাইডারের মত উড়ন্ত নেফারপ্রীতিকে বেশ ক্লান্ত লাগছিল। তা অনুভব করে বললাম, নেফারপ্রীতি চলো আমরা ফ্ল্যাটে ফিরে যাই। মিসরে আরেকদিন যাবো মানসিক আর শারিরীক প্রস্তুতি নিয়ে!

একজন সংশয়বাদীর প্রশ্নঃ এসব নির্দিষ্ট নিয়মে এবং নির্দিষ্ট গতিতে কি করে চলে? নাকি কেউ নিয়ন্ত্রণ করে?


শুরুতেই সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ স্পর্শকাতর ও অত্যাধিক অনুভূতি সম্পন্ন মানুষের এই লেখাটি এড়িয়ে যাওয়ায় ভালো। কারণ কারো ঈমান বা আমল নষ্ট করা আমার উদ্দেশ্য নয়।

১১টি কবিতা : সজল আহমেদ



\\স্প্রিচুয়্যাল ড্যাজল//
অপমান/
প্রতিদিন কয়েকটা জুতো গিলে ফেলার পর হজম হওয়ার আগেই গিলে ফেলার জন্য আরো একটি জুতো তেড়ে আসে!
.
বেতন/
একবার তাকিয়ে দেখি আমি আমার দশ বছরের পুত্রের খানার প্লেটে সুস্বাদু খানা হিসাবে আছি, পুত্র আমাকে কচকচ করে চিবিয়ে খাচ্ছে। আবার দেখি আমার বৌয়ের ডায়ামন্ড রিংয়ে ডায়মন্ড হিসাবে আছি।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর