নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 13 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মূর্খ চাষা
  • নরসুন্দর মানুষ
  • রাজিব আহমেদ
  • কাঠমোল্লা
  • পৃথু স্যন্যাল
  • আল আমিন হোসেন মৃধা
  • নিরব
  • সাগর স্পর্শ
  • দ্বিতীয়নাম
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • মাসুদ রুমেল
  • জুবায়ের-আল-মাহমুদ
  • আনফরম লরেন্স
  • একটা মানুষ
  • সবুজ শেখ
  • রাজদীপ চক্রবর্তী
  • নাজমুল-শ্রাবণ
  • চিন্ময় ভট্টাচার্য
  • নেইমানুষ
  • পরাজিত শুভ

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

প্ল্যান বি


জরুরী তলব কেন?
ভেতরে যা। বুঝতে পারবি।
তোকেও ডেকেছিল?
হ্যাঁ। একটা মিশন দিল। এক রড ব্যাবসায়ীকে ফেলতে হবে।
গুড। আজকাল বস তোকে সব দামী কাজ দিচ্ছে।
তোর জন্যও একটা কাজ দেখলাম।
তুই কি এখনই বেরোবি?
হ্যাঁ রে। কাজ আছে। পরে কথা হবে। কি কাজ পেলি জানাস।
ওকে। কতদূর কি হল জানাস।
ফোন দিস।

Roman Holiday (1953) {One Of the best Classic Movie Ever}


অনেকসময়ে অনেক গল্প বা উপন্যাসে অত্যাচারী রাজা অথবা রাণীর কথা সবাই পড়েছেন আশা করি। আমাদের গল্পও গুলোর রাজা অথবা রাণীদের অত্যাচারে সাধারণত দেখাযেত সাধারণ জনগণ রাজ্য ছেড়ে পালাতো। কিন্তু রাজা বা রাণী কখনো অন্যদের অত্যাচারে রাজ্য ত্যাগের ঘটনা বা গল্প বিরল। তেমনই এক বিরল ঘটনার জন্ম দিয়েছিলেন “রোমান হলিডে” সিনামার গল্পকার। রাজ্যের কাজের চাপে ত্যাক্ত বিরক্ত হয়ে রাণীর পলায়ন।

ভালবাসা নেই - দুই


এরপর থেকে আম্মুকে ফোন করলে আম্মুই ধরত।নিরার কথা জানতে চাইলে মা বলে বেড়াতে গেছে হয়ত।আনন্দ ফুর্তি করে দিন কেটে যাচ্ছিল।এর মধ্যে একদিন সাফিয়া কে নিয়ে ঘুরতে গেছি পতেঙ্গা ওখানে সিমার সাথে দেখা।আমরা একি কোচিংয়ে পড়তাম একি সাথে বসতাম সবকিছু একসাথেই করতাম।একদিন আমি ঘুমাই পড়ছিলাম একেবারে ওর কোলে পুরো দেড়ঘন্টা ও ওইভাবে ছিল যতক্ষন না আমার ঘুম ভেঙ্গেছিল।আমরা যাচ্ছিলাম বান্দরবান।এজন্য অবশ্যই কম খোটা দেয় নাই।ও আমাকে দেখে দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরে।আর ওদিকে সাফিয়া দেয় উল্টো দিকে হাঁটা।ওকে অনেক বুঝালাম বাট ও আর আমার সাথে থাকতে চায়না।ও সিমাকে জড়িয়ে আমাকে অনেক বাজে কথা বলে এন্ড ফাইনালি উই আর নাও সিঙ্গেল।এরমধ্যে রেজ

স্ট্যাটাস মুইছে দেওয়ার চাইতে একাউন্ট মুইছে দিলে কিরাম হয়?


ভাইপো, হন্তদন্ত হয়া; ছুটে আসিল, কলোঃ- কাহা! এ কাহা! এ তুমি কনে? এদিক আইসো।

টয়লেট থাকিই; দৌড় দিলামঃ- এ; কি হয়েছেরে? এবা করি; চেচাচ্ছিস ক্যানে?

ভাইপোঃ- কাহা, লিটেস্ট খবর শুনিছাও?

আমিঃ- তা, কি লেটেস্ট খবর; তুই শুনিছিস সিডা ক।

ভাইপোঃ- আরে; ফেসবুকের ইস্ট্যাটাস দেওয়ার সাথে সাথেই হাপিস হয়া যাচ্ছে। হেফাজত, জামায়াত, বিএনপি এই চুদির ভাইগের বিরুদ্ধে কিছু কলিই; স্ট্যাটাস মুইছে দেয়া হচ্ছে।

প্রয়াত প্রেমিকা এবং বাসে সংরক্ষিত নারী সীট...


আজকে সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে আমার প্রয়াত প্রেমিকার কথা খুব বেশি মনে পড়ে যাচ্ছে । ... ... ... ওর অনেক ভালো অভ্যাসের মধ্যে একটি ছিল , রাস্তায় যেখানে সেখানে আবর্জনা না ফেলা। চকোলেট বা আইসক্রিম খেয়ে আমি হয়তো খোসাটি রাস্তার উপর ফেলেছি কোনও কিছু চিন্তা না করেই । ও অমনি কটমট করে তাকিয়ে বলতো, “ অ্যাই, এটা কী করলে ? এতো সুন্দর রাস্তাটাকে তোমার ডাস্টবিন মনে হয় ? ’ ওর সিরিয়াসলি রেগে যাওয়া দেখে আমার মাথায় দুষ্টুমির ভূত চাপতো । আমি বলতাম, “ আরেব্বা, কী এমন ক্ষতি হলো ? সবাইত ফেলছে, আর আমি ফেললে দোষ, তাই না ?

ভালবাসা নেই - এক


আমি তখন ক্লাস ওয়ানে পড়ি।স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে খাওয়া সেরে উঠলাম।স্যার চলে আসছে পরতে বসলাম।আম্মু এসে বলল আজকে স্যার যেন তাড়াতাড়ি ছুটি দেয়।আমাদের বাড়ির এক আঙ্কেলের মেয়ের নাম রাখবে তাই।আমার খুশি দেখে কে।যথারীতি অনুষ্ঠানে গেলাম নাম রাখা হল নিরা।আমি প্রাইমারীর গন্ডি পেরিয়ে হাইতে।নিরা আমাদের বাসায় আসত আমি অবসরে ওর সাথে খেলতাম।প্রায় প্রতিদিনই ও আসত আম্মুকে পুরো বাড়ির সবার অবস্থা বর্ননা করত।ও স্কুলে এডমিট হল প্রথম প্রথম আমিই ওকে নিয়ে যেতাম।পরে ও একাই যেত।পড়ালেখা নিয়ে দুজনই ব্যাস্ত।তারপরেও ছুটির দিনটাই আমরা জমিয়ে আড্ডা দিতাম।বাড়িতে জায়গা জমি নিয়ে ঝামেলা হল ওদের ফ্যামিলির সাথে।ব্যাস ও আর এ দিকটাই আসতনা

একুশে ফেব্রুয়ারী ও একটি নামহীন কবিতা।


ওরা এল কেড়ে নিতে মুখের ভাষা।
সালাম,বরকত,রফিক,জব্বারেরা দিয়ে গেল রক্ত খাসা।
রাজা-প্রজা কিংবা চাষা সবার মুখেই সমান মিষ্টি এ ভাষা।
নানা গল্প,কবিতা,কথা,উপকথায় ঠাসা।
লক্ষ কোটি প্রানের জাগরনে এ ভাষা।
তাইতো শ্বাপদ-সংকুল হায়েনারা ষড়যন্ত্র করল।
ওরা জানে ভাষা জাতির প্রান,মান ও সম্মান।
বলেছিল তারা উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা।
হয়েছে কি তা,হবে না তা বাঙ্গালী বীর সন্তান।
ভাষার জন্যে অকাতরে প্রান করে গেল দান।
একুশ ফেব্রুয়ারী দুরন্ত দুর্বার ভাঙ্গল চুচল্লিশ ধারা।
হ্রদয় উৎসরিত রক্ত স্রোত ঘাতক বুলেটের আঘাতে বইয়ে দিল তারা।
ঝরল অশ্রু,সপ্নীল জীবন,অঝোর রক্ত ধারা।

সাহায্য চাই- আমি নতুন।


আমি এখানে নতুন আশা করি আপনারা সবাই আমাকে ভাল ভাবেই আপনাদের পরিবারের সদস্য হিসেবেই নিবেন।আমার লেখায় কোন ভুল পেলে বড় হিসেবে শুধরে দিবেন।আমার সম্পর্কে বলার তেমন কিছু নেই।আমি এবার HSC পরীক্ষা দিচ্ছি।আমার মনে হয় ইস্টিশনের সবার ছোট আমি।আমাকে কোন প্রকার রাজনৈতিক ও ধর্মীয় প্রশ্ন করবেন না।আমার মনে হয় আপনাদের সহযোগীতা পেলে আমার সুবিধে হবে।

"কে???"


একবিংশ শতাব্দীতে কিছু মানুষের শোকের আয়ু বড়োজোর একবছর নয়, তারচেয়েও বেশি । ফারহানা মারা গেছে এক বছর হয়ে গেলো, আদিত্য এখনো ফারহানার মৃত্যুকে স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারে নি । কখনো মেনে নেওয়া সম্ভবও ছিল না তারপক্ষে । অবর্ণনীয় সুখের সময় ছিল তাদের । আদিত্যের সকালটা শুরু হত ফারহানার ঠোঁটে চুমু খেয়ে । সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন অফিস শেষ করে ফারহানার জন্য নিয়ে আসতো দামি চকলেটভর্তি বাক্স । চকলেট খেতে ভারী পছন্দ করতো ফারহানা । বাসায় ফিরতে সামান্য দেরি হলেই অভিমানে মুখটা টকটকে লাল হয়ে যেত । ফারহানার রাগ ভাঙানো সে আরেক বিপদ । কোনো কোনো রাতে ওরা জেগে থাকতো অনেকক্ষণ, ফারহানা আদিত্যকে কবিতা পড়ে শো

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর