নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মিশু মিলন
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • সত্যর সাথে সর্বদা
  • রাজিব আহমেদ
  • দীপ্ত সুন্দ অসুর
  • ফারুক
  • আব্দুল্লাহ্ আল আসিফ
  • নীল কষ্ট

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

বৃদ্ধাশ্রম বনাম যৌবনাশ্রম


যৌবনাশ্রম একটা নতুন শব্দ তাইনা? কেউ শুনেননি সম্ভবত৷ আমিও আমার বাপের জন্মে শুনিনি কিন্তু আমিই ব্যবহার করছি আমার সুবিধার্থে৷ আসলে শব্দটা বাজারে নামালাম বৃদ্ধাশ্রমের বিপরীতে৷ কেউ কেউ বৃদ্ধাশ্রমে মা বাবা দিয়ে মানুষের সামনে এসে বলেন বৃদ্ধাশ্রমে মা বাবা পাঠায় কুলাঙ্গাররা৷ কেউ কেউ বাড়িতে মা বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমের চেয়ে বেশি তিতা খাইয়ে বাইরে বলেন, মায়ের মত আপন দুনিয়াতে কেহ নাই আবার কেউ বাপের আহ্লাদে আটকানা৷ ভিন্নতাও আছে তার মধ্যে অনেকে বৃদ্ধাশ্রম পন্থী৷ বৃদ্ধাশ্রম বাড়ানোর প্রয়াসে মতামত রাখেন৷ আমি দুই পন্থাকেই ভেঙ্গে যৌবনাশ্রমকে আনতে চাই৷

কী সেই যৌবনাশ্রম?

কখনোই নিজেকে একজন লেখক কিংবা গল্পকার মনে হয় না।


সেই ছোটবেলা থেকেই বইপড়ায় আগ্রহ অনেক। পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি গল্প কিংবা কবিতার বইও পড়া হতো। কিন্তু একজন লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার বিষয়টা ছিলো সম্পূর্ণ আলাদা। মাঝেমধ্যে বসে ডায়রি লিখা হতো। ভালো কিংবা খারাপ দুটো সময়েই ডায়রি লিখতে ভালো লাগতো। আমার কাছে ডায়রি একটা বন্ধুর মত। সেই থেকেই শুরু। তারপর একটু একটু করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা। তবে কখনোই নিজেকে একজন লেখক কিংবা গল্পকার মনে হয় নি। মানুষের জীবনের বাস্তবিক গল্পের চেয়ে বড় গল্প আর কি হতে পারে। এসব চিন্তা-চেতনা থেকেই গল্প লিখা শুরু। ২০১৬ সালের শুরু থেকে পুরোদমে গল্প লিখা শুরু করি। ফেইসবুকের জনপ্রিয় কয়েকটা পেজে অনেকদিন গল্প লিখতাম। যখন এসব পে

একজন ট্রাম্পের ঘোষণা, জেরুজালেম এবং ইহুদি-ফিলিস্তিন ইস্যু :


জেরুজালেম শহরটি ১৯৬৭ সাল থেকে ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইহুদিরা বিশ্বাসের গভীরে রয়েছে :এই জেরুজালেমেই তাদের ঈশ্বর ‘ইয়াওয়ে’ (হিব্রু ভাষায় ঈশ্বরকে ইয়াওয়ে বলে) বাস করে। ফিলিস্তিনি আরবরা জেরুজালেমের উপর তাদের অধিকার ছাড়তে নারাজ। পেছনে আরবের অধিকাংশ দেশ এবং বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ। জেরুজালেমই ছিলো তাদের প্রথম কিবলা যে দিকে মুখ করে তারা নামায পড়তো। তাই জেরুজালেমের উপর থেকে দাবি ছাড়তে তারা নারাজ। 'জেরুজালেম হলো ইসরাইলের রাজধানী'- ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর ইসরাইল প্রবল সোল্লাসে স্বাগত জানায়, আর আরবরা এবং বিশ্বব্যাপী মুসলিম উ

অতীতের যে ছিল কীট, সে এখন অবশেষে হিট-


ফেবু এবং সব অনলাইন মাধ্যম নিয়ে যে তারা-না আপা ছিলো কীট বর্তমান প্রজন্মের কাছে, সে এখন হিট!! হিন্দুদের ভোট বোধয় অনেকটা কন্ট্রোল করেছেন এবার৷

আচ্ছা দেশের প্রতি বছরে ধর্ষিতার সংখ্যা কত!? কয়টার বিচার হয়েছে? প্রতিটা ধর্ষিতার কারা কোন পদে চাকরী পেয়েছে? আমাদের মন গলে গেছে তাইনা? বছরের পর বছর শোষনের পরে শেষে লাড্ডু দিলো, ব্যস এবার গলে যান? এখন নির্বাচনী প্রচারনাটা হয়ে যাক আরেকবার? ধর্ষণ কেন? শেখ হাসিনাকে রিসকা ভেনে চড়ালেও সেই চাকরী পাওয়া যায়৷ ঘর পুড়িয়ে দিলে ঘর পাওয়া যায় শুধু বিচার পাওয়া যায়না৷ বিচার হলেতো থলের বেড়াল বেরুবে৷

ধারাবাহিক উপন্যাসঃ হুলিয়া। দ্বিতীয় পর্ব


৩। সেইসব দিনরত্রি
অনেকক্ষণ ধরে রাস্তা দিয়ে হাঁটছে সে। একা। গন্তব্য কোথায় তা জানে না। হঠাত সামনে রাস্তার উপর উল্টো হয়ে শুয়ে থাকা একটা মানুষ চোখে পড়লো। দ্রুত লোকটার কাছে ছুটে গেলো ও। ভালোভাবে তাকিয়ে দেখতে পেলো লোকটার শার্ট রক্তে ভেজা। বেশ ভয় পেলো সে। লোকটার গায়ে হাত দিয়ে মুখটা ফেরালো। মুখটা তার খুব চেনা। চিৎকার করে কেঁদে উঠলো সে।

বামাতী ত্যানা!


‘হিন্দুরা এখনো খুব কুসংস্কারগ্রস্ত’ এমন কথা বামপিন্থদের আমি বহুবার বলতে শুনেছি। কথাটাতে সত্যতা আছে তাই এখানে রেসিজম খোঁজার সুযোগে নেই। তাহলে ‘সব জঙ্গিই মুসলমান’ কথাটাতে বামপন্থিরা রেমিজম খুঁজে পায় কেন? মূলত অনলাইনে বামপন্থি এক্টিভিস্টদের এই আলোচনায় ধরা হচ্ছে। অনলাইনে এইসব লাল কমরেডরা রাজনৈতিক অবস্থানহীন নাস্তিকদের ‘ইসলাম বিদ্বেষী’ এমনকি ‘হিন্দু নাস্তিক’ বলে আক্রমন করছে ইসলামী সন্ত্রাসবাদ নিয়ে নাস্তিকদের লেখা প্রসঙ্গে।

বাংলার অদম্য নারী



বেগম রোকেয়া, সুফিয়া কামাল, সেতারা বেগম, প্রীতিলতা প্রমুখ মহীয়সী নারীরা যে স্বপ্ন দেখেছিলেন সেই পথেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। 'তেঁতুল হুজুর শফি'র নারীদের কেবল ক্লাস ফাইভ পাশ করার তত্ত্ব যে বাংলাদেশের নারীরা গ্রহণ করেনি। জঙ্গিবাদ-ধর্মান্ধ শক্তির উত্থানে সারাবিশ্ব যখন আতঙ্কিত, সেই সময়ে আমাদের মেয়েদের অর্জন নিঃসন্দেহে অন্যদের প্রগতিশীলতার পথ দেখাবে। দেশের ভেতর অন্য নারীদের নতুন নতুন চ্যালেঞ্জিং কর্মে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে তারা হয়ে উঠবে রোল মডেল।

মোবাইল


মোবাইল যে মানুষের জীবনের কতগুলো মূল্যবান সময় নিয়ে নেয় তা বোঝার ক্ষমতাও দিন দিন হারিয়ে ফেলছি। এক সময় ছিলো যখন সারাদিনের পরিশ্রম শেষে মানুষের রিল্যাক্স করার মাধ্যম ছিলো পরিবার। বাবা-মা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী বা সন্তানের সাথে সময় কাটিয়েই মানুষ সারাদিনের কষ্ট ভুলে যেত। পরিবারের মধ্যেই শান্তি খুঁজে পেত।

এখন মানুষ সারাদিনের পরিশ্রমের পর মোবাইল নিয়ে শুয়ে বসে রিল্যাক্স করে। ফেসবুকিং, ইউটিউব বা গেম। এখন মানুষের মনে শান্তি দেয়!!

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর