নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অনিন্দ্য
  • নুর নবী দুলাল
  • আরণ্যক রাখাল
  • রুদ্র মাহমুদ
  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন

নতুন যাত্রী

  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন
  • বিপু পাল
  • মৌন
  • ইকবাল কবির
  • সানসাইন ১৯৭১
  • রসরাজ
  • বসন্ত পলাশ
  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

আত্মঘাতী নয়, কমেডি শো!


আত্মঘাতী নয়, এটা একটা কমেডি শো!
গতকাল গণহত্যা এবং আজ জাতীয় দিবস। মূলত এই দু'দিবস-কে তরুণ প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় রাখার অল্পপ্রাণ প্রয়াস। এ ধরুন 'অপরাশেন চার্চলাইট' যেমন হয়েছিল কি, একদল মুষুলমান গুলিনিয়ে চোরপুলিশ খেলল কিছু সাধারন জনতার উপর। পরে দ্যাখা গ্যাছে তাঁরা মুষুলমান এবং হায়েনা ( উপাধি ) দুটোই। এদের আরো একটি বড় বৈশিষ্ট্য, এরা মুষুলমান না হোন্দি তা নির্ধারণ কোরতেন লুঙ্গি উপরে তুলে নুনু্র ধরন দ্যাখে। তবে এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না। তখন ফাক-বাহিনী।

ইউরোপের রাজনীতি ও ডঃ ফরহাদ আলী খান:- Light at the end of the tunnel


সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তে আশার আলো, Light at the end of the tunnel.গল্পের শুরুতেই বলে রাখা প্রয়োজন যে শিশুটি আমার অন্তরের গহীনে ভালোবাসা আর স্নেহ মমতায় মায়া আমার মনের আকাশে স্থান করে নিয়েছে তার নাম জনি , একটি শিশুর অন্তরের দৃষ্টি কখনোই তার প্রিয় মানুষটিকে খুঁজে নিতে ভুল করে না , উচ্ছলতায় পরিপূর্ণ শিশুটি তার ভালোবাসার দাবি নিয়ে দৃঢ়তার সাথে তার আইসক্রিমের আবদার করতে ভুল করতো না। মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসার কোন বন্ধন আর সীমারেখা টানা যায় না আর সেই সুন্দর ক্ষণের স্মৃতি নিয়েই মানুষ আগামী দিনের ভোরের অপেক্ষায় বেঁচে থাকে। শিশুটির মত তার বাবাও হয়তো সেই ভালোবাসা আর মানুষের টানে দেশের টানেই রাজনীতির

ঈপ্সিতার জন্য রূপকথা


এক দেশে ছিলো, মেয়ে, রাজকন্যা এক
সে কেমন বুঝতে তোর আম্মুকে দ্যাখ
আমি তাকে ছুঁয়ে গেছি পশুরের জলে
সুন্দরী বৃক্ষের পাশে রাত্রির কাজলে
নাম তার ইরাবতি, সাকিন দক্ষিণ
যে আমার নাম দিয়েছিলো অর্বাচীন

আমি তো ভেবেছি পাবো চিরকাল তাকে
যেভাবে বৃষ্টির ফোঁটা মাটি ছুঁয়ে থাকে
যেভাবে শৈশব কাটে হাওয়াই স্যাণ্ডেলে
তেমনি ভেবেছি তাকে পাবো অন্ত্যমিলে

তারপর সংবাদ এলো একদিন হঠাৎ
বানিয়ার দল এসে গেছে অকস্মাৎ
গরিবের বৌ নাকি সকলের ভাবি
দুঃখটুঃখ করলো বলে আমরা অভাবী
উন্নয়ন করতে দেবে স্বল্পসুদে ঋণ
হাসিমুখে বললো সেই বেহায়া প্রাচীন

প্রকাশ্য চুমু নিষিদ্ধ; আসুন মুহাম্মদীয় তরীকায় নারীকে গর্ভবতী করি।


অনেক আগে এই লেখাটা আমারব্লগ'এ দিয়েছিলাম। এখানেও দিয়েছিলাম। তবে যে আইডি থেকে দিয়েছিলা সে আইডিটা ডিএক্টিভেট। সুতরাং মুহাম্মদ ও তার নারকীয় ধর্মের বিরুদ্ধে পুনরায় লিখতে এই লেখাটা দিলাম।

জয় বাংলা


আমি কি ভুল শুনছি, না, ভুল শুনছি না, স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছি- “জয় বাংলা” স্লোগান, এ তো অবিকল সেই স্লোগান! ২০১৩ সাল, তারিখটা ঠিক মনে করতে পারছি না যে, আজকাল কিছুই আর মনে থাকে না। অস্পষ্ট হলেও চোখে দেখি- আজ ৫ ফ্রেব্রুয়ারি, বিস্যুদবার। কারা, তোমরা কারা? কে তোমরা “জয় বাংলা” বলে স্লোগান দিচ্ছ? কী চাও তোমরা?

আমরা বাঙ্গালীর জন্য একটা স্বাধীন দেশ চেয়েছিলাম, অনেক মূল্য দিয়ে পেয়েছিলাম। ওরা আবার তা কেড়ে নিয়েছিল বর্বরভাবে ১৯৭৫ সালে।

তোমরা কি পারবে দেশটাকে ফিরিয়ে দিতে? আমি আসছি, আমাকেও যোগ দিতে হবে তোমাদের সাথে। শরীরটাকে এতটুকু টেনে নিতেই হবে আমাকে অাজ। আমি পারব। “জয় বাংলা”।

একজন মুসলমান জঙ্গি হতে পারেনা?


শুরুটা হয়েছিল রাজীব হায়দারকে হত্যার মধ্য দিয়ে। সেটা ২০১৩ সালের কথা। এর পর পর্যায়ক্রমে ঘটতে থাকে ধর্মের দোহাই দিয়ে হত্যাকান্ড। ব্লগার, মুক্তচিন্তাবিদ, পুরোহিত, চার্চের ফাদার, স্কুল শিক্ষক; শেষ পর্যন্ত বাদ যায়নি মসজিদের ইমাম। তখন, অনেকেই যুক্তি দিয়েছে যে, ধর্ম নিয়ে লেখালেখি করলে এমনি হবে। তাদের হত্যা করা ঠিক বলেও অনেকে ফতোয়া দিয়েছেন।

আত্মত্যাগ কেন হয় লজ্জার কারণ?


আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের গৌরবের ইতিহাস। মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের দেশের বীর সন্তান। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক লেখা আছে অনলাইনে। আমি সেসব আবার নতুন করে বলতে চাই না। আজ আমার লেখার বিষয়, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে উপেক্ষিত একটি অংশ।

#অযাচিত_বাক্যব্যয়...! পার্ট- #ধর্ষিত_মানবতা...!


একজন মানুষের প্রাত্যহিক কর্ম সে করছে, কোনকিছু তাঁর এ কর্মকে বাধাগ্রস্থ করছে না, সকালে ঘুম থেকে উঠার পর থেকে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত নিজের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবতে হয়না, যদি আড্ডার ছলে আমরা বলেই থাকি- 'ভাইরে, কহন যে মইরা যাই!!!'; তারপরও আমরা নিশ্চিত থাকার চেষ্টারত, কিছু হবেনা, কেউ আমাকে বিপদে চাইলেই ফেলতে পারবেনা, কেউ চাইলেই ঘুমের মধ্যে আমাকে মেরে ফেলতে পারবেনা, মোদ্দাকথা নিজের প্রাণ সংশয় নিয়ে আমরা নিশ্চিন্ত; কিন্তু এখন যদি প্রশ্ন করা হয় কেন, তাহলে?

"স্বাধীনতা....."


ছবিঃ প্রতীকী(সংগৃহীত)

সম্ভাবনার হাতছানি


একসময়ের অচেনা বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বিস্ময়। দেশে একে একে উন্মোচিত হচ্ছে সম্ভাবনার দ্বার। চার লেন মহাসড়ক, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, এলএনজি টার্মিনাল, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ, পরিকল্পিত বহুমুখী বৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলাসহ উন্নয়নের বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে দেশজুড়ে। পদ্মা সেতুর মতো বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরুর পর থেকেই একের পর এক মেগা প্রকল্প নিয়ে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে দেশ। এবার বাম্পার ফলন হয়েছে বোরোতে। মাথাপিছু জাতীয় আয় বাড়ছে। চাষাবাদের জমি দিন দিন কমলেও ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানির মতো বাড়তি ফসল উৎপাদন করছে এ দেশের কৃষক। সামাজিক উন্নয়

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর