নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মারুফুর রহমান খান
  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

কুরআন অনলি রেফারেন্স: (২৬) গুপ্তহত্যা ও বনি কেইনুকা গোত্র উচ্ছেদ!


আদি উৎসের বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকদের বর্ণিত সিরাত ও হাদিস গ্রন্থের বর্ণনায় আমরা জানতে পারি, বদর যুদ্ধে কুরাইশদের সংখ্যা ছিল প্রায় ৯৫০ জন আর মুহাম্মদ অনুসারীদের সংখ্যা ছিল প্রায় ৩১৩ জন। তা স্বত্বেও কুরাইশরা মুহাম্মদ ও তার অনুসারীদের কাছে অত্যন্ত করুণভাবে পরাজিত হয়েছিলেন!জগতের প্রায় সকল ইসলাম বিশ্বাসী পণ্ডিত ও অপণ্ডিতরা বদর যুদ্ধের এই অভূতপূর্ব সফলতাকে 'আল্লাহর করুণা ও অলৌকিকত্বের' এক উদাহরণ হিসাবে বিশ্বাস করেন। তাঁদের এই বিশ্বাসের মূল উৎস হলো স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)। মুহাম্মদ তার স্ব-রচিত জবানবন্দি 'কুরআনে' এই সফলতার পেছনের কারণ হিসাবে তার কল্পিত আল্লাহর পরম করুণা ও অলৌকিক

মানবতাকে গুয়ে মুতে মাখিয়ে ফেললেতো হবে না, মানবতা তারই যার প্রাপ্য


দেখা যায় ইসলামেই শুধু কাপড়ের জন্য নারী ধর্ষণের অজুহাত দেখাতে৷ পুরো পৃথিবীতে তারা একটা ক্ষুদ্র অংশ মাত্র৷ তাদেরই যত সমস্যা এই কাপড় নিয়ে৷ অন্যদের পুরুষতান্ত্রীক সমাজের নানা চিত্র আছে কিন্তু এতটা নোংরা মনের নয়৷ আপনি খোলা জায়গায় ময়লা ফেলুন কিংবা একটা ড্রামে ফেলুন, গন্ধ কিন্তু বাতাসে ছড়াবে, তদ্রুপ মনের ময়লাও বাহির দূষণ করবে সেটা নারী কাপড় পড়ুক বা না পড়ুক৷ মন যার ডাস্টবিন নয়, সে বাহির নোংরা কখনোই করবে না৷ এই মনের শিক্ষাটাই ইসলাম ব্যতি রেখে নারীকে দোষ চাপায়, ধর্ষক বাঁচিয়ে ধর্ষক৷ নারী কি পড়লো সেটা বড় নয়, আমি কতটা ভালো সেটাই আসল ব্যপার৷

আত্মবিশ্বাস বিধ্বংসী পাঁচটি কাজ যা আমাদের করা উচিত নয়


মানব চরিত্রের অন্যতম একটা মুকুট হল আত্মবিশ্বাস। আত্মবিশ্বাস আমাদেরকে নিজের প্রতি আস্থাশীল করে তোলে, যেকোন কাজ করতে উৎসাহিত করে, ব্যবসায় ঝুঁকি নিতে অনুপ্রাণিত করে, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বাজন, পরিচিত মহলের কাছে আকর্ষনীয় করে তোলে। একজন আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তি তার জীবন কে পুরোমাত্রায় উপভোগ করে। অপরদিকে আত্মবিশ্বাস হীনতা আমাদেরকে ভীরু করে তোলে। কাজ করতে নিরুৎসাহিত করে। নিজেদের কমফোর্ট জোনের বাইরে বেরোতে, কোন অপরিচিত পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়াতে বাধা দেয়, ব্যক্তিত্বকে নষ্ট করে এবং ফলে হতাশা ভর করে আমাদের জীবনে। আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন কিছু কাজ করি যা ধীরে ধীরে আমাদের আত্মবিশ্বাসকে দ

নির্দোষ না দোষী ?


আপনাকে যদি বেছে নিতে বলা হয়, তাহলে কোন বিশ্বাস আঁকড়ে ধরবেন?
- নির্দোষ প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত দোষী?
- দোষী প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ?

একি শষ্যের মাঝে ভূত, নাকি ভূত শষ্যটাই!?


জানলাম চুরি ডাকাতি কেন হয়!!

নামাজ রোজা না করলে, যাকাত না দিলে চুরি ডাকাতি হয়৷ আমি ধরে নিলাম চোর ডাকাতরাই রোজা নামাজী কারণ তাদের ঘরে চুরি ডাকাতি হয়না৷ ময়নার ঘরে ডাকাতি হলো গতকাল ঈদের দিনে, তার মা বাবা বোন সবাই ময়নারে তালিম দিচ্ছে, তুই নামাজ পড়িসনা, রোজা রাখিসনা, যাকাত দিসনা তাই তোর সাথে এমন হয়৷ ময়না ব্যতিত আর সবাই ধার্মিক৷ কিন্তু ক্ষতিটা হলো ময়নার চেয়ে তাদের ছেলের মানে ময়নার ভাইয়ের৷ মানে তাদেরই যারা নামাজ রোজা যাকাত সব পালন করেন৷ এ বিষয়ে তারা নিজেদের কথায় নিজেরা আটকা৷ অর্থ্যাৎ তাদের নামাজ রোজা যাকাত কোন কাজে আসলো না৷

মিথের শক্তি


একটা সহজ প্রশ্ন, পৃথিবীতে কতগুলো ধর্ম আছে? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের সুদূর প্রাচীন থেকে ইতিহাস ঘেঁটে ঘেঁটে মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশ দেখতে হবে। অতীতে ধর্ম ছিল সভ্যতা কেন্দ্রিক। এটা আমাদের মনে বিস্ময় জাগায় যে, সভ্যতা ধ্বংসের সাথে সাথে অনেক প্রভাবশালী ধর্ম বিলীন হয়ে গেছে। নতুন ধর্ম দখল করে নিয়েছে অতীতের ধর্মাচরণ, জীবন যাপন প্রণালী, এমনকি চাপিয়ে দিয়েছে নিজেদের ঈশ্বর। একটু চিন্তা করলেই দেখা যায় প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নিদর্শন ও তাদের বহু ঈশ্বরবাদের দেব দেবী, যেমন গ্রিসের জিউস, হেরা, পসিডন, আফ্রোদিতি, এপোলো, এথেনা, হারমিস এবং ঠিক এর বিপরীতে রোমান দেব দেবী, যেমন জুপিটার, জুনো, নেপচুন, ভেনাস, মার্স, মিনারভা, মার্কারি ইত্যাদি। এরা যেন পয়সার এপিঠ ওপিঠ। নরডিক অঞ্চলের বহু ঈশ্বরবাদের ভিতর ছিল অডিন, ফ্রিগ, থর, লোকি, ফ্রেয়া, টিয়ার ইত্যাদি। তেমনি প্রাচীন মিশরে ফারাও যুগে ছিল আমন, রা, অরিসিস, আইসিস, হোরাস, সেথ আরও অনেক দেব দেবী। বর্তমানের আমরা যদি এখন অতীতের বহু ঈশ্বরবাদী ধর্মগুলোর দিকে তাকায় তবে তাদেরকে মিথ বলে মনে হয়। কিন্তু এটা মনে রাখা দরকার এই মিথই তখনকার মানুষের ধর্মবিশ্বাস ছিল।

বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বা শারীরিক ভাষা পরিবর্তনের মাধ্যমে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন যেভাবে..


যদি আপনি নিজেকে কারো সামনে আকর্ষনীয় ভাবে উপস্থাপন করতে চান, চান তার মনোযোগ কাড়তে, চান তাকে আকৃষ্ট করতে, তবে আপনাকে অবশ্যই আপনার শারীরিক ভাষা বাডি ল্যাঙ্গুয়েজ সম্পর্কে জানতে হবে এবং সে অনুযায়ী সচেতন থেকে নিজেকে উপস্থাপন করতে হবে। বেশিরভাগ মানুষই ভাবেন শারীরিক ভাষা হচ্ছে এমন একটি বিষয় যা অধিকাংশ মানুষ নিজের অবচেতনে করে থাকেন। কিন্তু অধিকাংশ সময়ই আপনি সচেতন ভাবে নিজের শারীরিক ভাষা নিয়ণ্ত্রণ করে পূর্বের তুলনায় দক্ষভাবে সময় অন্যের সামনে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারেন। আপনি যদি আপনার শ্রোতার সামনে নিজেকে ইতিবাচক হিসেবে, উৎসাহ ব্যাঞ্জক হিসেবে, কর্মঠ হিসেবে, যোগ্য হিসেবে বা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে প্রতিষ্ঠ

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর