নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মিশু মিলন
  • আরণ্যক রাখাল
  • মলি
  • মনিরুজ্জামান মানিক
  • হাকিম চাকলাদার
  • নুর নবী দুলাল
  • মোহাম্মদ আল আমীন

নতুন যাত্রী

  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার
  • ব্লুএস্ত এয়ে
  • বকুল আহ্সান
  • মকছুদ ওসামা
  • প্রজাপতি
  • তাওহীদুল ইসলাম
  • জিসান রাহমান
  • আজুর ব্রেইস

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

জিহাদি আদর্শের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদেরকেই


বিশ্বব্যাপী 'ইসলামের' নামে নাশকতা চালানো জিহাদি জঙ্গিদের কারণে সামাজিক, রাজনৈতিক এবং বৈশ্বিক ভাবে বিব্রত ও হেয় হচ্ছেন লাখো - কোটি নিরপরাধ মুসলিমেরা যারা মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন যে 'জঙ্গিবাদ / নিরপরাধ মানুষ হত্যা তাদের ধর্ম সমর্থন করে না। '
এই অবস্থার অবসান দরকার।

আজ সেই ভয়াল ২৫শে মার্চ


বাংলার ইতিহাসে এই রাত্রিকেই কালরাত্রি হিসাবে স্মরণ করা হয়। ১৯৭০ সালে নির্বাচনে পরাজয় বরণ করে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীরা বাঙ্গালিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের নামে টালবাহানা শুরু করে। কয়েক দফা মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক করেও কোন সিদ্ধান্ত না দিয়ে ইয়াহিয়া খান চলে যান পাকিস্তানে। তারপর আসল সেই ভয়াল কালরাত ২৫ শে মার্চ। ইয়াহিয়ার নির্দেশে জেনারেল টিক্কা খানের নেতৃত্বে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীরা ঘুমন্ত নিরস্ত্র বাঙ্গালীর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং হাজার হাজার লোককে হত্যা করে যা ইতিহাসে অপারেশন সার্চলাইট নামে খ্যাত। ২৫ শে মার্চ রাতে রাজারবাগ পুলিশলাইন, পিলখানার তৎকালীন ইপিআর ক্যাম্প, ঢাকা বিশ্ববিদ্যা

পাড়ি


নিশ্চিন্তপুরের মহাদুশ্চিন্তা

অপারেশন সার্চলাইটঃ প্রেক্ষাপট, পরিকল্পনা এবং মূল ঘটণাপ্রবাহ (রিপোস্ট)



এই খানে পটভুমিটা নানা পাকিস্তানী সুত্র থেকে নিয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গীতে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হল। যদিও এসব সুত্রে বঙ্গবন্ধুর সাথে ইয়াহিয়া খানের আলাপের ব্যাপারে অনেক কথা থাকলেও ভুট্টোর ব্যাপারে সেভাবে কিছু খুঁজে পাওয়া যায় না। যদিও বাঙালি সবাই জানে যে, অপারেশন সার্চ লাইটের ব্যাপারে ভুট্টোর সরাসরি ইন্ধন এবং রাজনৈতিক সমর্থন ছিলো। বঙ্গবন্ধুও ৭ই মার্চের ভাষণে উল্লেখ করেছিলেন,

“উনি আমার কথা শুনলেননা, উনি শুনলেন ভুট্টো সাহেবের কথা।“

পাকিস্তানী এক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সিদ্দিকী, যিনি আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক ছিলেন সেই সময়ে, তার কথার সুত্র ধরে এবং নিজ পঠিত নানা আর্টিকেল এবং বিবরণীর সূত্র ধরে আমার নিজের মনে হয়েছে যে, অপারেশন সার্চ লাইটের বীজ রোপিত হয়েছিলো ১৯৬৯ সালেই, যখন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান নিজের পীঠ বাঁচাতে জনতার আন্দোলনের মুখে গোল টেবিল বৈঠক ডাকেন। কিন্তু সিদ্দিকী সাহেবের মতে, ইয়াহিয়া তার গুরুর বিরুদ্ধে পরিকল্পনা শুরু করেছিলেন তারও আগেই। তার মতে, ইয়াহিয়া গোপনে শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে দেখা করেন এবং তার দাবীতে অনড় থাকতে বলেন, এবং আরও নিশ্চয়তা দেন যে, আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে সেনাবাহিনী কোন বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

বাংলাদেশের স্বাধীনতাঃ নতুন বোতলে পুরোনো মদ


বাংলাদেশ।যে দেশের স্বাধীনতার জন্য ১৯৭১ সালে একটি মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে।জনগনের অংশগ্রহণে এই যুদ্ধ সর্বাত্মক জনগনের মুক্তির লক্ষ্যে পরিচালিত না হলেও জনগনের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ কখন শুরু হয়েছে কে শুরু করেছে এটা নিয়ে শাসক দলগুলোর খুব মাথাব্যথা রয়েছে।নয়া পরাধীনতার বাংলাদেশের ৪৭ বছর কেটে গেলেও জনগনের কোন ধরনের স্বাধীনতা অর্জিত হয় নি।পাকিস্তান আমলে বা তারও আগে ব্রিটিশ রাজত্বে জনগনের উপর যে নিপীড়ন চলতো তা থামে নি।এখনো চলছে ধারাবাহিকভাবে।৭১ সালে পাক বাহিনী আমাদের মা বোন দের ধর্ষণ করেছে,হত্যা করেছে।কিন্তু তথাকথিত স্বাধীন দেশে তনুরা "স্বাধীন" সেনাবাহিনীর সেনানিবাসে ধর্ষনের

ভুলে যাচ্ছি আমরা বাঙালী


আচ্ছা
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন? রুমে বা গণরুমে একটু বেশি মশা বা ইলেক্ট্রেসিটি না থাকলে কেমন লাগে?
না ধরুন খুব গরম লাগলো।মনে হয় না যে কি ভার্সিটিতে আসলাম। এত কষ্ট?
ক্লাসে কিছু টিচার থাকে যারা দাঁড় অপমান করে এসাইনমেন্ট,টার্ম পেপার বা অন্য কিছুর জন্য।মনে হয় না যে কিসের বিশ্ববিদ্যালয়? কোনো স্বাধীনতা নেই? নিজের এখনো স্কুল কলেজের মত পড়তে হয়?
অনেক ফ্রেন্ডরা রুমে রাত করে ফিরে।৩ টা বা আরো পরে।যখন নক করে দরজায় তখন রাগ লাগে না? যে কি মানুষ রাতে অন্যদের বিরক্ত করে?

Time and Tide wait fo none...


সময়ের সাথে সবকিছুই পরিবর্তন হয়ে যায়......
কোন কিছুই থেমে থাকে না.....

সবকিছুই তার নিজস্ব স্রোতে চলতেই থাকে....

হয়তো ভালোভাবে চলে,নয়তো খারাপ ভাবে চলে....
তবে চলতেই থাকে.....সে আর থামে না ...

এভাবে চলতে-চলতে আমরা একসময় সময়ের স্রোতে ডুবে যায়......

পুনরায় নতুনেরা আসে....

আর সবুজ পাতাগুলোর উপর সূর্য তার লাল আভা নিয়ে উদয় হয়, দিন শেষে, পশ্চিমের আকাশটাকে বিদায় জানায়। আবার সকাল আসে, সন্ধ্যা নামে। আরো হাজার ঘটনা ঘটে। থেকে যায় লোকচক্ষুর অন্তরালে অথবা সামনে।

এভাবে জীবন নামক শব্দ চলতেই থাকে... ........!

✍ Jannatul Naeem Shawon

আমার কলমপতিঃ স্বাধীন ভূখণ্ডে পাহাড়ে গণহত্যা


পরিচিত শেয়ালেরা সারারাত হল্লা করে ফেরে,
ওপরে শকুন ডাকে, শকুনের এখনও সুদিন।
মাংসের ঢেকুর তুলে নেড়িকুত্তা বেঘোরে ঘুমায়;
মাটি কাপেঁ, লাশগুলো আবার দাঁড়াতে চায়।

১৯৮০ সালের ১ এপ্রিল তৎকালীন জাসদের সংসদ সদস্য উপেন্দ্র লাল চাকমা জাসদের ঢাকাস্থ দলীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কলমপতি হত্যাকাণ্ডের কথা প্রথম প্রকাশ করেন। এরপর পাবর্ত্য চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনার জন্য ৫ সদস্যের একটি সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়, সেখানে এমপি উপেন্দ্র লাল চাকমাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি।

ঈশ্বরের নির্দেশ


বেওয়ারিশ কুকুরটা রোজ পথ চেয়ে থাকে, আসে না কেউ অার একটি পাউরুটি নিয়ে। পথের সেই শিশুগুলি পথ চেয়ে থাকে, আসে না কেউ আর একটি করে চকলেট নিয়ে। ইঁদুরটা মাঝে মাঝে বইয়ের মলাটে এসে খুঁজে ফেরে কিছু, ছোট্ট রুমের চার কোণায় চরকি কেটে আবার ফিরে যায়।

রবীন্দ্রনাথের জীবনস্মৃতি ও অপ্রয়োজনীয় কিছু আলোচনা


রবীন্দ্রনাথের যেকোন রচনা পড়ার সবচেয়ে বড় সমস্যাটা হলো, তার সম্মোহন করার বিপুল ক্ষমতা। তার কলমের প্রতিটি শব্দ এমন করে পেচিয়ে ধরে যে, এর বাইরে কিছু চিন্তা করার অবকাশ পাওয়া মুসকিল হয়ে যায়। বিশ্বসাহিত্যের প্রতিষ্ঠাতা, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ তার কোন এক প্রবন্ধে* বলেছিলেন, রবীন্দ্রনাথ তার সুললিত অশ্রুতপূর্ব গদ্যে এমন এক জাল রচনা করেন, যা তার সমস্ত চিন্তাধারাকেই সুর্যালোকের মত সত্য হিসেবে মেনে নিতে পাঠককে বাধ্য করে। আবদুল্লাহ আবু সায়িদের সে সমালোচনা আমার ‘রবীন্দ্রবিদ্বেষ’ বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু এখন রবীন্দ্রসাম্রাজ্যে পথভোলার মত হাঁটতে গিয়ে বুঝতে পারছি, তার সে সমালোচনা ছিল কতোটা যথাযথ।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর