নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • ইকারাস
  • দুরের পাখি
  • দীপঙ্কর বেরা
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • ফারুক
  • রাফিন জয়
  • রাহাত মুস্তাফিজ
  • পৃথু স্যন্যাল

নতুন যাত্রী

  • রবিঊল
  • কৌতুহলি
  • সামীর এস
  • আতিক ইভ
  • সোহাগ
  • রাতুল শাহ
  • অর্ধ
  • বেলায়েত হোসাইন
  • অজন্তা দেব রায়
  • তানভীর রহমান

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

রাষ্ট্র ও ধর্ম : পরিপূরক নাকি ক্ষতিকারক?


আমাদের রাষ্ট্রভাষা বাংলা এবং রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। একটা অর্জনের জন্য আমাদের পূর্ব প্রজন্মের লোকেরা জীবন দিয়েছেন এবং অন্যটা পাওয়ার ফলে আমাদের প্রাণের অপচয় হচ্ছে। দ্বিতীয়টা নিয়েই লিখবো।

ভরা থাক


অন্তরসারশূন্য হয় না আধার
কিছু না কিছু গুণানুপাতে
অস্তিত্ব ভরা থাকে

পাঁজরের ভেতর যাত্রায়
মহীমা সজ্জা
দূর থেকে চেনা জানা পথিক সম্রাট

ভেবেছিল কিছু হবে না
যা হয়েছে তাতেও দূরদর্শী
সমগ্রের মোহ ভোরে
সবাই মিলে কত সূর্য।

সরকারী চাকরীর অযৌক্তিক কোটা ব্যবস্থা এবং চাকরীতে আবেদনের বয়সসীমা প্রসঙ্গে



বাংলাদেশের সরকারী চাকরী এবং বিসিএস এর কোটার হিসাব নিম্নরুপঃ

মুক্তিযোদ্ধা কোটা- ৩০%
নারী কোটা- ১০%
উপজাতি কোটা- ৫%
জেলা কোটা- ১০%
এর বাইরে প্রতিবন্ধী কোটা ১%।

দেখা যাচ্ছে যে মেধার চেয়ে কোটার প্রভাব বেশি। ৪৫% প্রার্থী মেধার মাধ্যমে যেতে পারবে সর্বোচ্চ, তবে সেখানেও টাকার খেলা, রাজনৈতিক বিবেচনা এবং স্বজনপ্রীতির কাজকারবার কারো অজানা নয়। বিএনপির আমলে পিলপিল করে ছাত্রদলের এবং জাতীয়তাবাদীরা ঢুকেছিলো, শিবিরের পোলাপানও বেশ ভালোই ঢুকে। এরপর আওয়ামী সরকারের আমলে নিরপেক্ষতা তো দুরের কথা, এই অবস্থার আরও অবনতি ছাড়া উন্নতি হয়েছে বলে কেউ দাবী করবে না।

ওয়াজমাহফিলের নামে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে ধর্মান্ধ, গোঁড়া ও জঙ্গি বানানো হচ্ছে


এখন শীতকাল। আবহাওয়া শুষ্ক আর বৃষ্টিহীন। তাই, যেকোনোস্থানে একটা তাঁবু বা প্যান্ডেল টানিয়ে ইচ্ছেমতো ইসলামধর্মের নাম-ভাঙ্গিয়ে নিজেদের স্বার্থহাসিলের ব্যবসা করা যায়। আর স্বাধীন-বাংলাদেশে ওয়াজের ব্যবসা সবসময়ই জমজমাট। বাংলাদেশে শীতকাল হলো ওয়াজের ভরা মৌসুম। এইসময় ওয়াজকারীদের (ওয়াজীনদের) খাতিরযত্ন আর তোয়াজটা একটু বেড়ে যায়। আর তাতেই এরা খুব জোশে ওয়াজের নামে আবোলতাবোল-কথাবার্তা শুরু করে দেয়। আর টাকার গরমে এদের মাথা ঠিক থাকে না।

দেশের কৃষি ব্যবস্থায় টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ‘ই-ভিলেজ’


আমাদের দেশের কৃষি ব্যবস্থায় ফসল উৎপাদনে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত, শিল্পায়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রভাব বিদ্যমান। বাস্তব এমন পরিস্থিতিতে গবেষকরা নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অফুরন্ত সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে কিভাবে স্বল্প ব্যয়ে সর্বোচ্চ ফলন নিশ্চিত করা যায়। কৃষিবান্ধব বর্তমান সরকারও প্রযুক্তিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে আসছে। এরই ধারবাহিকতায় প্রযুক্তির সর্বশেষ অগ্রগতি কাজে লাগিয়ে দেশের কৃষি ব্যবস্থায় টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ‘ই-ভিলেজ’ নামের একটি বিশেষ প্রকল্পে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ ও চীন। মাটির স্বাস্থ্য, ফসলের প্রকৃত রোগ যথাযথভাবে নিরূপণ করে বিদ্যমান উৎপ

১৯২৯ সালের বাল্যবিবাহ আইন এবং মন্ত্রীপরিষদে অনুমোদিত সংশোধিত আইনের খুঁটিনাটি


বয়স কতো হলে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার জন্য সে বয়সকে সঠিক বলে গণ্য করা যাবে – এ নিয়ে বিতর্ক আছে। দেশ, কাল, জাতীয়তা, ধর্ম, বর্ণ, সংস্কৃতি, আইন ইত্যাদি ভেদে এ পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। ১৯২৯ সালের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে মেয়ের বয়স ১৮ এবং ছেলের বয়স ২১ হলে আইনগতভাবে বিবাহে কোনো সমস্যা নেই। এ আইনে নির্দেশিত বয়স হিন্দু-মুসলিম বিয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তবে আইনটি অমান্য করে বিয়ে হলে সে বিয়ে অবৈধ হবে না। এক্ষেত্রে শাস্তির বিধান কার্যকর হবে।

কার্য-কারনঃ একটি কুইজ, একটি ধাঁধা


কার্য-কারন: একটি কুইজ, একটি ধাঁধা।
আশাকরি পাঠকতা ন্তব্য করবেন।

যে বন্দিনী নারী ধর্ষন করবে না , সে সহিহ মুমিন না


অনেক মুমিন বলে - ঠিক মতো রোজা নামাজ করলে , সে সহিহ মুমিন। আবার অনেকেই আছে যারা তাবলিগ জামাত করে , আর ভাবে ইসলামের দাওয়াত পৌছে দিলেই খাটি মুমিন হওয়া গেল। বস্তুত: এরা কেউই কোরান হাদিস ভাল মত পড়ে ইসলাম পালন করে না , সবাই আসলে শুনে মুসলমান আর নিজেদের মনমত ইসলামের একটা বিশ্বাস ও বিধান তারা মনে মনে রচনা করেছে আর ভাবে সেটাই খাটি সহিহ ইসলাম। কিন্তু কোরন- হাদিস বলছে ভিন্ন কথা।

সর্বশেষ নবী সর্বশ্রেষ্ঠ না (পর্ব ০১)


শিরোনামের বক্তব্য তীর্যক ও সরাসরি। লেখার শেষ-সিদ্ধান্তও তাই। অত্যন্ত নিরাবেগ এবং নির্মোহ দৃষ্টিভঙ্গী নিয়েই লেখাটি পড়ার আবেদন থাকবে। যুক্তি উপস্থাপনায় যুগ-যুগ ব্যাপী লালিত আবেগের উপর কুরআনের দিক-নির্দেশনাকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। যে বিষয়টি অনেকের জন্য আপাত-আহত হবার কারণ হবে তা আমার জন্যও কোন সময় যে ছিল না তা নয়। তবে সত্য সবসময়ই সুন্দর, শক্তিশালী এবং শেষবিচারে তা সবার জন্য সর্বাধিক কল্যাণকর।

ফলোয়ার


আস্তিক্য চিন্তার সঙ্গেই অনুসারী কথাটি যায়, নাস্তিক্য চিন্তায় উহা প্রযোজ্য নয়। একজন ড. হুমায়ুন আজাদ কিংবা একজন ড. আহমদ শরীফের ফলোয়ার তৈরী হওয়ার কথা নয় কারন নাস্তিক্য চিন্তায় বিষয়টি খাপ খায়না। যারা হুমায়ুন আজাদের সকল কথাকে বেদ বাক্য মনে করে এবং অন্ধভাবে অনুসরন করতে চায়_যারা হুমায়ুন আজাদের কোন উক্তির সমালোচনা সহ্য করতে চায়না তারা মূলত হুমায়ুন আজাদ কেন্দ্রিক আস্তিক। তারা সত্যিকারের নাস্তিক্য চিন্তায় ধাপিত নয়।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর