নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অভিজিৎ
  • মূর্খ চাষা
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • রোহিত
  • আকাশ লীনা
  • আশরাফ হোসেন
  • হিলম্যান
  • সরদার জিয়াউদ্দিন
  • অনুপম অমি
  • নভো নীল
  • মুমিন
  • মোঃ সোহেল রানা
  • উথোয়াই মারমা জয়

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

পর্ব ১ঃ বুদ্ধিমত্তার বিপ্লব – চতুর্থ অধ্যায়


বুদ্ধিমত্তার বিপ্লবের আগে পর্যন্ত সব প্রজাতির মানুষই বাস করতো আফ্রো-ইউরেশিয়ার অখন্ড ভূমিতে। এটা সত্যি যে তারা সাঁতরে পার হয়ে অথবা ভেলায় চেপে আশেপাশের কিছু দ্বীপে পৌঁছুতে পেরেছিল। যেমন ফ্লোরেস দ্বীপে প্রায় সাড়ে আটলক্ষ বছর আগে থেকেই মানুষের বসতি ছিল। তবে তারা কেউই খোলাসাগরে নৌকা ভাসাতে সাহস করেনি। তাই বুদ্ধিমত্তার বিপ্লব-পূর্ববর্তী উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, মাদাগাস্কার, নিউজিল্যান্ড বা হাওয়াই-এর মত দূরবর্তী দ্বীপে মানুষের পা পড়েনি। সাগরের এই বাধার কারণে শুধু মানুষ কেন, আফ্রো-ইউরেশিয়ার অন্য কোন প্রাণীও কোনোভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারেনি এসব ‘নতুন দুনিয়ায়’। তার ফলে এসব বিচ্ছিন্ন এলাকায় কোটি কোটি বছর ধরে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্রভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণী জগতের বিকাশ ঘটেছিল। আফ্রো-ইউরেশিয়ার জীবজগতের সাথে এদের কোন সম্বন্ধই ছিলনা। তখন পৃথিবীতে সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর সমাবেশে গঠিত ভিন্ন ভিন্ন অনেকগুলো বাস্তুজগত ছিল। পৃথিবীটা ছিল অনেক বেশি বৈচিত্রময়। বুদ্ধিমান হয়ে উঠে হোমো স্যাপিয়েন্সরা উঠে পড়ে লেগেছিল এই বৈচিত্রের শেষ দেখে নিতে।

নিউটনঃ কথিত গণতন্ত্রের সুখ, গণতন্ত্রের অসুখ!



মাত্র ছিয়াত্তরটা ভোট। ছিয়াত্তর জন ভোটার। মাওবাদিদের দখলে সেই জংগলাকীর্ণ স্থান। প্রবল সেনা প্রহরা লাগবে সেখানকার ভোট গ্রহন করতে। সেনা প্রস্তুত থাকলেও সেই আতঙ্ক জাগানিয়া দুর্গম মাওবাদি স্থানে অনেকেই যেতে রাজি নয়। অনেক সেনাও সেখানে যেতে রাজি নয়। কিন্তু কাউকে না কাউকে তো যেতে হবে! হ্যাঁ, একজন রাজি আছেন। নিউটন কুমার। প্রিসাইডিং অফিসার। সাথে দু'জন সহকারিসহ আর জনা চারেক লোক। আর এক দংগল সেনা।

কুরআন অনলি কুইক রেফারেন্স: (৩) ডাহা মিথ্যা ভবিষ্যদ্বাণী ও প্রতিশ্রুতি!


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তার আল্লাহর রেফারেন্সে ঘোষণা করেছেন যে, 'অবশ্যই' আল্লাহ কেয়ামতের দিন পর্যন্ত ইহুদীদের ওপর এমন লোক পাঠাতে থাকবে যারা ইহুদীদের নিকৃষ্ট শাস্তি প্রদান করতে থাকবে। আর, তিনি তার অনুসারীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এই বলে যে, আল্লাহ তার প্রতি কুরআন নাজিল করেছে এই কারণে যে ‘যাতে সে মুমিনদেরকে প্রতিষ্ঠিত করে!’ তিনি আরও দাবী করেছেন যে, যারা তাকে (‘উম্মী নবী’) বিশ্বাস করে তার আনুগত্য ও সাহায্য করবে ও যা তিনি বলেছেন তা অনুসরণ করবে; শুধুমাত্র তারাই সফলতা অর্জন করতে পারবে!

মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

ডাক্তারি অবহেলা একই সঙ্গে দেওয়ানি ও ফৌজদারি অপরাধ : সৈয়দ তৌফিক উল্লাহ



ডাক্তারদের দায়িত্ব :

দীর্ঘদিন ধরে অপচিকিৎসায় লাখ লাখ লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, জীবন দিয়েছে।
ডাক্তারদের যে সব আচরণ অবহেলা হিসেবে গণ্য হয়, সেগুলোর মধ্যে রোগীকে সঠিকভাবে পরীক্ষা না করা, ভুল ঔষধ বা ইনজেকশন প্রয়োগ, ভুল অপারেশ করা, অস্ত্রপাচারের উপকরণ রোগীর শরীরের ভেতর রেখে দেওয়া প্রভৃতি। এ ছাড়া রোগীর সঙ্গে দূর্ব্যবহার, ফি নিয়ে দরকষাকষিও চিকিৎসকদের অবহেলার মধ্যে পড়ে।

মত প্রকাশের স্বাধীনতা সামপ্রতিক বিতর্ক এবং সাংবাদিকের মানবাধিকার :সৈয়দ তৌফিক উল্লাহ


বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয়ভাগ মৌলিক অধিকারের সাথে সম্পর্কিত। মৌলিক অধিকারের মধ্যে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক স্বাধীনতা অন্যতম। মৌলিক অধিকারের সাথে সামঞ্জস্যহীন আইন বাতিল ঘোষণা করে সংবিধানের ২৬ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, "এই ভাগের বিধানাবলীর সহিত অসামঞ্জস্য সকল প্রচলিত আইন যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, এই সংবিধান-প্রবর্তন হইতে সেই সকল আইনের ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে।" ইদানীং উচ্চ আদালতের একটি সিদ্ধান্ত সাংবাদিক সমাজের মাঝে ােভের সঞ্চার করেছে।

আমরা কি কখনও রাস্ট্রের মূল নীতি থেকে দূরে সরে গেছি ? আমি বলব, না কোন দিনও যাই নাই ।


আমরা সকলেই জানি বাংলাদেশ রাস্ট্র হিসাবে সাংবিধানিকভাবে চারটি মূলস্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত। সেগুলো হলো জাতীয়তাবাদ, ধর্ম নিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র। যদিও অনেক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে বলে থাকে একাত্তরের ৪টি মূলস্তম্ভ থেকে নাকি আমরা দিন দিন হাঁটি হাঁটি পা পা করে করে অনেকদূর চলে যাচ্ছি । কিন্তু কথাটা মারাত্নকরকম ভুল। আসলে আমরা লাইনেই আছি । জংগীদের কোরান হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা করার মত এইক্ষেত্রে তারাও ভুল অর্থ ও ব্যাখ্যা করছে । তারা ইসলাম থেকে সরে গিয়ে নাস্টেক কাফের হয়েছে বলেই ভুলভাল অর্থ ও ব্যাখ্যা করছে । কি বিশ্বাস হচ্ছে না ?

গুজব! বাংলাদেশের গুজব। পর্ব-৩ গুজবে প্রযুক্তির ব্যবহার (ছবি ও ফটোশপ)


গুজবকে ইংরেজীতে বলা হয় রিউমার। মানুষ বিশ্বাস করতে পারে, অথচ মিথ্যাচার তা জনসাধানের মধ্যে ছড়িয়ে দেবার নাম হলো। গুজবের মাধ্যমে সমাজ ব্যবস্থায় মানুষের মনে ভালোকে খারাপ করে দিতে পারে। আর এটি সবচেয়ে বেশী ক্ষতি করে যখন মুসলিম ধর্মীয় কোন বিষয় নিয়ে করা হয়। অতি অপ্রিয় হলেও সত্যি যে, মুসলিম সমাজের মধ্য গুজবের শক্তি এতটাই বেশী কাজ করে যেখানে মানুষ হিতাহিত জ্ঞান শূণ্য হয়ে পড়ে। একারণে গুজব রটনাকারীদের ফাঁদে পড়ে অজস্র নিরাপরাধ মানুষ অপকর্মে নিপ্ত হয় নির্দ্দিধায় । উদাহারন হিসাবে বেশী দূর যেতে হবে না।

প্রধান বিচারপতি এস কে সিংহার বিদায়, তবে কি আওয়ামিলীগ নৈতিকভাবে পরাজিত?


বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে সভ্য ও সুস্থ পার্লামেন্ট হচ্ছে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট। যেখানে সংবিধান, গনতন্ত্র ও ব্রিটিশ-জনগনের কিভাবে সর্বোচ্চ মৌলিক অধিকার রক্ষা করা যায়, তার জন্য সাংসদরা নতুন নতুন আইন পাশ করেন। ব্রিটিশ সাংসদীয় ব্যবস্থা এতো আধুনিক ও সংস্কারময় যে, তারা ৫০-১০০ বছরের পুরোনো আইন বহাল (যদি উপযোগী হয় তাহলে অন্য কথা) রাখেন না। তারা জনগনের অধিকার তথা গনতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার জন্য সংসদীয় ব্যবস্থা সবসময় সচল রাখেন। এই জন্য ব্রিটিশের পার্লামেন্টকে বিচার বিভাগের চেয়েও জৈষ্ঠ আদালত হিসেবে ধরা হয়।

সম্পর্কে নিয়ম অভ্যাস!


সব সম্পর্কেরই থাকে কিছু নিয়ম থাকে কিছু অভ্যাস।
তবে এই নিয়মের সংজ্ঞাটা জানতে আমি কিছুটা অপারগই বটে.....
স্বামী -স্ত্রী দুজনেই চাকুরিরত
দুজনেই কাজের চাপে জর্জরিত,
দুজনেই অফিস থেকে ফিরে একই সময়, একত্র।
তাও এত কিছুর পরে, সে এক বাড়ির বৌ;
তাই, তার বরের সামনে চায়ের কাপটা তাকেই ধরতে হয়।
অথবা রাতের ডিনারটা তাকেই সার্ফ করতে হয়।

শুধুমাত্র, সে বাড়ির বউ বলে?
নাকি এগুলো বউদেরই করা নিয়ম,
সেটা দেখে দেখে, দুনিয়া অভ্যস্ত হয়ে গেছে বলে...?

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর